০৪:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অমর কণ্ঠের বশির আহমেদ, আজও বাজে তার যতো গান

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • 1

বাংলা গানের ভুবনে এমন কিছু কণ্ঠ আছে, যেগুলো সময় পেরিয়ে আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। সেই বিরল কণ্ঠগুলোর একটি ছিল কিংবদন্তি শিল্পী বশির আহমেদের। প্রেম, বিরহ, ভালোবাসা কিংবা সিনেমার আবেগ, সবকিছুর সঙ্গে মিশে গেছে তার গাওয়া অসংখ্য গান।

এই অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার (মরণোত্তর) পাচ্ছেন তিনি। বাংলা আধুনিক গান ও চলচ্চিত্র সংগীতে তার অবদান স্মরণ করেই এ সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।

১৯৩৯ সালের ১৯ নভেম্বর ভারতের কলকাতার খিদিরপুরে জন্ম নেওয়া এই শিল্পী দীর্ঘ সংগীতজীবনে অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন। তার কণ্ঠে গাওয়া অনেক গানই আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে। স্বাধীনতা পুরস্কারের ঘোষণার এই মুহূর্তে ফিরে দেখা যাক বশির আহমেদের কিছু কালজয়ী গান। যেগুলো তাকে অমর করে রেখেছে।

‘অনেক সাধের ময়না আমার বাঁধন কেটে যায়’
ঢাকাই সিনেমার ইতিহাসে অন্যতম জনপ্রিয় গান এটি। ময়নামতি সিনেমায় ব্যবহৃত এই গানটি পর্দায় ঠোঁট মিলিয়েছিলেন কিংবদন্তি অভিনেতা রাজ্জাক। গানের কথা লিখেছিলেন সৈয়দ শামসুল হক।

‘আমাকে পোড়াতে যদি এত লাগে ভালো’
মনের মতো বউ সিনেমার এই গানটি বিরহের গভীর অনুভূতি প্রকাশ করে। গানটির গীতিকার ও সুরকার ছিলেন খান আতাউর রহমান। রাজ্জাক ছিলেন নায়ক। তার নায়িকা ছিলেন সুচন্দা।

‘পিঞ্জর খুলে দিয়েছি’
‘আপন পর’ সিনেমার এই গানটি দর্শক-শ্রোতাদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। সিনেমাটিতে অভিনয় করেছিলেন জাফর ইকবাল।

‘ওগো প্রিয়তমা ওরা জানতে চেয়েছে’
এই গানটি বশির আহমেদ গেয়েছিলেন তার স্ত্রী মিনা বশিরের সঙ্গে দ্বৈত কণ্ঠে। গানের কথা লিখেছিলেন কে জি মুস্তাফা।

‘ডেকো না আমারে তুমি পিছু ডেকো না’
‘ময়নামতি’ সিনেমার আরেকটি জনপ্রিয় গান এটি। সিনেমাটির পরিচালক ছিলেন কাজী জহির। রাজ্জাক ও কবরী জুটির সফল একটি সিনেমা ‘ময়নামতি’।

‘সুরের বাঁধনে তুমি যতই কণ্ঠ সাধ’
‘মনের মতো বউ’ সিনেমার এই গানটিও দর্শকদের কাছে দারুণ জনপ্রিয় হয়েছিল। নায়ক রাজ্জাকের লিপে গানটি দারুণ মানিয়ে যায়। রাজ্জাকের নায়িকা ছিলেন সুচন্দা।

‘আহা কী যে সুন্দর হারিয়েছি অন্তর’
এই গানটি গেয়েছিলেন বশির আহমেদ ও কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। এটিও ‘মনের মতো বউ’ সিনেমার।

‘খুঁজে খুঁজে জনম গেল’
নায়ক রাজ্জাক অভিনীত ‘সন্ধান’ সিনেমার এই গানটির গীতিকার ছিলেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার এবং সুর করেছিলেন আনোয়ার পারভেজ।

‘তোমার কাজল কেশ ছড়ালো বলে’
এটি একটি জনপ্রিয় আধুনিক গান। গীতিকার ছিলেন আবু হেনা মোস্তফা কামাল এবং সুর করেছিলেন আব্দুল আহাদ।

‘সজনী গো ভালোবেসে এত জ্বালা কেন’
সুরকার সুবল দাসের সুরে গাওয়া এই গানটিও আজও নতুন প্রজন্মের কাছে সমান জনপ্রিয়।

এলআইএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

ট্যাগঃ

অমর কণ্ঠের বশির আহমেদ, আজও বাজে তার যতো গান

আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

বাংলা গানের ভুবনে এমন কিছু কণ্ঠ আছে, যেগুলো সময় পেরিয়ে আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। সেই বিরল কণ্ঠগুলোর একটি ছিল কিংবদন্তি শিল্পী বশির আহমেদের। প্রেম, বিরহ, ভালোবাসা কিংবা সিনেমার আবেগ, সবকিছুর সঙ্গে মিশে গেছে তার গাওয়া অসংখ্য গান।

এই অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার (মরণোত্তর) পাচ্ছেন তিনি। বাংলা আধুনিক গান ও চলচ্চিত্র সংগীতে তার অবদান স্মরণ করেই এ সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।

১৯৩৯ সালের ১৯ নভেম্বর ভারতের কলকাতার খিদিরপুরে জন্ম নেওয়া এই শিল্পী দীর্ঘ সংগীতজীবনে অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন। তার কণ্ঠে গাওয়া অনেক গানই আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে। স্বাধীনতা পুরস্কারের ঘোষণার এই মুহূর্তে ফিরে দেখা যাক বশির আহমেদের কিছু কালজয়ী গান। যেগুলো তাকে অমর করে রেখেছে।

‘অনেক সাধের ময়না আমার বাঁধন কেটে যায়’
ঢাকাই সিনেমার ইতিহাসে অন্যতম জনপ্রিয় গান এটি। ময়নামতি সিনেমায় ব্যবহৃত এই গানটি পর্দায় ঠোঁট মিলিয়েছিলেন কিংবদন্তি অভিনেতা রাজ্জাক। গানের কথা লিখেছিলেন সৈয়দ শামসুল হক।

‘আমাকে পোড়াতে যদি এত লাগে ভালো’
মনের মতো বউ সিনেমার এই গানটি বিরহের গভীর অনুভূতি প্রকাশ করে। গানটির গীতিকার ও সুরকার ছিলেন খান আতাউর রহমান। রাজ্জাক ছিলেন নায়ক। তার নায়িকা ছিলেন সুচন্দা।

‘পিঞ্জর খুলে দিয়েছি’
‘আপন পর’ সিনেমার এই গানটি দর্শক-শ্রোতাদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। সিনেমাটিতে অভিনয় করেছিলেন জাফর ইকবাল।

‘ওগো প্রিয়তমা ওরা জানতে চেয়েছে’
এই গানটি বশির আহমেদ গেয়েছিলেন তার স্ত্রী মিনা বশিরের সঙ্গে দ্বৈত কণ্ঠে। গানের কথা লিখেছিলেন কে জি মুস্তাফা।

‘ডেকো না আমারে তুমি পিছু ডেকো না’
‘ময়নামতি’ সিনেমার আরেকটি জনপ্রিয় গান এটি। সিনেমাটির পরিচালক ছিলেন কাজী জহির। রাজ্জাক ও কবরী জুটির সফল একটি সিনেমা ‘ময়নামতি’।

‘সুরের বাঁধনে তুমি যতই কণ্ঠ সাধ’
‘মনের মতো বউ’ সিনেমার এই গানটিও দর্শকদের কাছে দারুণ জনপ্রিয় হয়েছিল। নায়ক রাজ্জাকের লিপে গানটি দারুণ মানিয়ে যায়। রাজ্জাকের নায়িকা ছিলেন সুচন্দা।

‘আহা কী যে সুন্দর হারিয়েছি অন্তর’
এই গানটি গেয়েছিলেন বশির আহমেদ ও কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। এটিও ‘মনের মতো বউ’ সিনেমার।

‘খুঁজে খুঁজে জনম গেল’
নায়ক রাজ্জাক অভিনীত ‘সন্ধান’ সিনেমার এই গানটির গীতিকার ছিলেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার এবং সুর করেছিলেন আনোয়ার পারভেজ।

‘তোমার কাজল কেশ ছড়ালো বলে’
এটি একটি জনপ্রিয় আধুনিক গান। গীতিকার ছিলেন আবু হেনা মোস্তফা কামাল এবং সুর করেছিলেন আব্দুল আহাদ।

‘সজনী গো ভালোবেসে এত জ্বালা কেন’
সুরকার সুবল দাসের সুরে গাওয়া এই গানটিও আজও নতুন প্রজন্মের কাছে সমান জনপ্রিয়।

এলআইএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।