আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জাতীয় সংসদের তিনবারের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী কাশিমপুর মহিলা কারাগারে আছেন। এরইমধ্যে কারাগারে তিনি ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় অতিবাহিত করেছেন। তিনি কারাগারে কেমন আছেন- এ প্রশ্নে মুখে কুলুপ এটেছেন সংশ্লিষ্টরা।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে টানা তিনবার জাতীয় সংসদের স্পিকার থাকা শিরীন শারমিন চৌধুরীকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় সংঘটিত হত্যাচেষ্টা ও ভাঙচুরের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে জামিন আবেদনও খারিজ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
কাশিমপুর মহিলা কারাগার সূত্রে জানা গেছে মঙ্গলবার রাত ৭টায় তাকে বহনকারী গাড়িটি আদালত থেকে মহিলা কারাগারে আসে। কারাগারের নিয়ম অনুযায়ী বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে তাকে কারাগারে তার জন্য নির্ধারিত কক্ষে পাঠানো হয়। সূত্র জানায়, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল ) বিকেল ৩টা পর্য়ন্ত তার সঙ্গে কেউ দেখা করতে আসেননি।
আলোচিত সাবেক এ স্পিকার গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নানা কথাবার্তা হচ্ছে। কেউ বলছেন রাজনীতির জন্য তার মতো নম্রভদ্র ও মেধাবী নারীকে কারাগারে যেতে হলো। আবার কেউ বলছেন শেখ হাসিনার আমলে তিন-তিনবার স্পিকারের দায়িত্বপালনকালীন তিনি অনেক অপকর্মে সায় দিয়েছেন।
মঙ্গলবার আদালত শিরীন শারমিন চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর পর থেকে রাজনৈতিক দলীয় নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের প্রশ্ন- তাকে কোন কারাগারে পাঠানো হয়েছে? তিনি কি কারাগারে ডিভিশন পাচ্ছেন? তিনি কেমন আছেন? তার শারীরিক অবস্থার কী খবর, কেউ কি তার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছে?
এ সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে জাগো নিউজের এ প্রতিবেদক কারা অধিদপ্তর ও কাশিমপুর মহিলা কারাগারের একাধিক কর্মকতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কাশিমপুর মহিলা কারাগারের একজন কর্মকর্তা জানান, শিরীন শারমিন চৌধুরী মঙ্গলবার রাত ৭টায় কারাগারে পৌঁছান। আজ বুধবার বিকেল ৩টা পর্য়ন্ত তার সঙ্গে কেউ দেখা করতে আসেননি বলে ঐ কর্মকর্তা জানান।
কাশিমপুর মহিলা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার কাওয়ালিন নাহারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি এ ব্যাপারে কোনো তথ্য জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়ে কারা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ মিডিয়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন।
কারা অধিদফতরের ওয়েবসাইটে দেওয়া কারা মহাপরিচালকের নাম্বারে যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি।
এমইউ/এএমএ
এডমিন 


















