রনবীর সিং অভিনীত চলচ্চিত্র ‘ধুরন্ধর’ ভারতীয় বাজারে হিন্দি ভাষার চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ আয় করার রেকর্ড গড়েছে। এই ছবিটি ‘পুষ্পা ২: দ্য রুল’-এর হিন্দি ডাব সংস্করণকে পেছনে ফেলে সর্বাধিক বক্স অফিস আয়ের নজির স্থাপন করেছে।
চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন আদিত্য ধর। এটি প্রযোজনা করেছেন জিও স্টুডিওস ও B62 স্টুডিওস। রনবীর সিংয়ের সঙ্গে খল চরিত্রে অভিনয় করে দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন অক্ষয় খন্না। এছাড়াও ছবিতে রয়েছেন সঞ্জয় দত্ত, আর. মাধবন, অর্জুন রাম্পাল, সারা অর্জুন, রাকেশ বেদী, মনব গোহিল, দানিশ প্যান্ডোর, সৌম্য তন্দন, গৌরব গেরা ও নাভিন কৌশিক।
জিও স্টুডিওসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভারতের মধ্যে ছবিটির মোট আয় ৯৮১.০৫ কোটি রুপি। আন্তর্জাতিক আয় ৩০.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
‘ধুরন্ধর’ গল্পটি দুই ভাগে বলা হয়েছে। প্রথম অংশে দেখা যায়, দশ বছরের একটি গুপ্তচর কার্যক্রম যেখানে একজন ভারতীয় গুপ্তচর করাচির অপরাধী ও রাজনৈতিক জগতের মধ্যে প্রবেশ করে। দ্বিতীয় অংশে গল্পটি প্রথমের ক্লিফহ্যাঙ্গার থেকে অব্যাহত হবে।
আরও পড়ুন
তামান্না ভাটিয়ার ১ মিনিটের মূল্য ১ কোটি রুপি
অভিষেক না ঐশ্বরিয়া কে বেশি শিক্ষিত
আন্তর্জাতিকভাবে ‘ধুরন্ধর’-এর রেকর্ডও নজরকাড়া। উত্তর আমেরিকায় এটি সবসময়কার সর্বোচ্চ আয়ের হিন্দি চলচ্চিত্র, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ায় সর্বোচ্চ আয়ের ভারতীয় চলচ্চিত্র, এবং যুক্তরাজ্যে সবসময়কার চতুর্থ সর্বোচ্চ আয়ের ভারতীয় চলচ্চিত্র।
ভারতে স্থানীয় সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্রের তালিকায় ‘ধুরন্ধর’ বর্তমানে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। এর আগে রয়েছে ‘বাহুবলী ২: দ্য কনক্লুশন’ (১৫৯ মিলিয়ন ডলার), ‘পুষ্পা ২: দ্য রুল’ (১৫৩.৫ মিলিয়ন ডলার) এবং ‘কে.জি.এফ: চ্যাপ্টার ২’ (১১২ মিলিয়ন ডলার)। সবগুলোই বিভিন্ন ভাষার মূল ও ডাব সংস্করণ। আর হিন্দি ভাষার সিনেমা হিসেবে ‘ধুরন্ধর’ সবার শীর্ষে।
এদিকে বিশ্বব্যাপী সর্বোচ্চ আয়ের ভারতীয় ছবির তালিকায় ‘ধুরন্ধর’ বর্তমানে পঞ্চম স্থানে রয়েছে। এর আগে রয়েছে ‘দঙ্গল’ (২৪৪.৫ মিলিয়ন ডলার), ‘বাহুবলী ২: দ্য কনক্লুশন’ (২০১.২ মিলিয়ন ডলার), ‘পুষ্পা ২: দ্য রুল’ (২০০ মিলিয়ন ডলার) এবং ‘RRR’ (১৫৪ মিলিয়ন ডলার)।
চলছে ‘ধুরন্ধর ২’-এর প্রস্তুতি। মার্চ ১৯ থেকে একযোগে হিন্দি, তেলুগু, তামিল, কন্নড় ও মালায়ালম ভাষায় মুক্তি পাবে ছবিটি। এটি মূল হিন্দি সংস্করণের পাশাপাশি দক্ষিণ ভারতীয় বাজারের বিপুল চাহিদার কারণে পাঁচটি ভাষায় প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই ছবির বিস্তৃত বহুভাষিক মুক্তি ভারতীয় সিনেমা প্রেক্ষাপটে একটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ হিসেবে ধরা হচ্ছে
এলআইএ
এডমিন 

















