০২:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নতুন আইজিপি হিসেবে আলোচনায় যারা

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:০৪:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 1

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হতেই পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে পরিবর্তনের জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আইজিপি বাহারুল আলম পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন- এমন আলোচনা ছড়িয়ে পড়লেও অন্তর্বর্তী সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। ফলে বাংলাদেশ পুলিশের নেতৃত্বে সম্ভাব্য রদবদল নিয়ে জল্পনা-কল্পনা আরও ঘনীভূত হয়েছে।

পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা মনে করছেনে- পুরোনো কাউকে নয়, বরং ক্লিন ইমেজের নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হলে বাহিনীটির সব কাজে গতিশীলতা বাড়বে। এক্ষেত্রে বিসিএস ১৫ ব্যাচের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার নাম আলোচনায় রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে রদবদল হয়। এর ধারাবাহিকতায় সে বছর ২১ নভেম্বর বাহারুল আলমকে আইজিপি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

বাহারুল আলম বিদায়ী আইজিপি মো. ময়নুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হন। সে হিসেবে চলতি বছরের ২১ নভেম্বর তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। তবে এর আগেই বাহারুল আলমের পদত্যাগের গুঞ্জন সামনে এলো।

নতুন আইজিপির তালিকায় যারা-

আলী হোসেন ফকির

আইজিপির তালিকায় সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ১৫ ব্যাচের কর্মকর্তা আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির।

রাজনৈতিক কারণে আওয়ামী লীগ শাসনামলে প্রথমবার চাকরিচ্যুত, পরেরবার বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয় তাকে। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের রোষানলের শিকার হন। ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হলে আইনি প্রক্রিয়ায় এসপি পদমযাদায় চাকরি ফিরে পান আলী হোসেন ফকির। এরপর সুপার নিউমারিতে ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতি পান। এরপর গত বছরের ১১ আগস্ট অতিরিক্ত আইজিপি (দ্বিতীয় গ্রেড) পদে পদোন্নতি পেয়েছিলেন তিনি।

আলী হোসেন ফকিরের বাড়ি বাগেরহাটে।

কর্মজীবনে তিনি চৌকস কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি পান। এসপি হিসেবে একাধিক জেলায় দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০৮ সালে ডিএমপির উত্তরা জোনের ডিসি ছিলেন। এরপর তিনি জাতিসংঘ মিশনে যান। সেখানেও সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে পুরস্কৃত হন। জাতিসংঘ থেকে দেশে ফেরার পর রাজশাহী ডিআইজি অফিসে এসপি হিসেবে সংযুক্ত করা হয় তাকে। সেখানে থাকা অবস্থায় ২০২২ সালে শেখ হাসিনার সরকার তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠায়।

আনসার আলী পাঠান

আইজিপির আলোচনায় রয়েছেন পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক (কো-অর্ডিনেটর, গ্রেড-১) আনসার উদ্দিন খান পাঠান।

বাংলাদেশ পুলিশের চৌকস কর্মকর্তা হিসেবে ২০২২ সালে তিনি অবসরগ্রহণ করেন। পুলিশ বিভাগের একজন মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা ছাড়াও দক্ষ ও সৃজনশীল শিক্ষক হিসেবে তিনি অধিক পরিচিত ও জনপ্রিয়। বর্তমান বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের অধিকাংশ পুলিশ কর্মকর্তা আনসার আলী পাঠানের সরাসরি ছাত্র।

২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে পুলিশের সংস্কার ও দায়িত্বশীল পদে থাকার কারণে পরবর্তী ক্ষমতাসীনদের দ্বারা চাকরি জীবনের শেষ পর্যন্ত তিনি নিগৃহীত হন। তার পেশাদারিত্ব ও সততার জন্য তাকে সে সময় পুলিশ বাহিনী থেকে সরিয়ে দিতে পারেনি। অবসরের পর থেকে তিনি বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড ও লেখালেখিতে ব্যস্ত ছিলেন। নেত্রকোনার পূর্বধলার কাজলা গ্রামের বাসিন্দা তিনি।

হাসিব আজিজ

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার অতিরিক্ত আইজিপি হাসিব আজিজ আইজিপির তালিকায় আলোচনায় রয়েছেন। ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর সিএমপির ৩৩তম কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেন ডিআইজি হাসিব আজিজ। তিনি সিআইডির ডিটেকটিভ ট্রেনিং স্কুল থেকে সিএমপিতে যোগ দেন।

হাসিব আজিজ ১৯৭১ সালের ৩০ ডিসেম্বর শরীয়তপুরের সফিপুর থানায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমকম (১৯৯৫) ও যুক্তরাজ্যের হাল ইউনিভার্সিটি থেকে এমএ (২০০৫) ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৫তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের কর্মকর্তা হাসিব আজিজ ১৯৯৫ সালের ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। ২০০২ সালে তিনি চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তার বাবা এম আজিজুল হক বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক আইজিপি ছিলেন।

জানা গেছে, নতুন সরকার শপথ নেওয়ার পরে মন্ত্রীসভা গঠন হবে। সেই মন্ত্রীসভা সিদ্ধান্ত নেবে আইজিপি হিসেবে নতুন কাউকে নিয়োগ দেয়া হবে কিনা।

আইজিপি বাহারুল আলমের পদত্যাগের প্রেক্ষাপট নিয়ে রয়েছে কিছু বিতর্ক। বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে তার নাম আসায় গত বছরে তার অপসারণ চেয়ে রিট দায়ের করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে আদালত রিটটি খারিজ করে দেন।

এর আগে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়ব পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) চুপিসারে দেশ ছাড়েন। তবে অন্তবর্তী সরকারের দায়িত্বের শেষ মুহূর্তে পুলিশপ্রধান বাহারুল আলমের মেয়াদ থাকা সত্ত্বেও পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পেছনে কারণ কী তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।

টিটি/এসএএইচ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

বিশ্বকাপে আরও একবার ভারতের কাছে লজ্জাজনক হার পাকিস্তানের

নতুন আইজিপি হিসেবে আলোচনায় যারা

আপডেট সময়ঃ ০৬:০৪:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হতেই পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে পরিবর্তনের জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আইজিপি বাহারুল আলম পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন- এমন আলোচনা ছড়িয়ে পড়লেও অন্তর্বর্তী সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। ফলে বাংলাদেশ পুলিশের নেতৃত্বে সম্ভাব্য রদবদল নিয়ে জল্পনা-কল্পনা আরও ঘনীভূত হয়েছে।

পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা মনে করছেনে- পুরোনো কাউকে নয়, বরং ক্লিন ইমেজের নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হলে বাহিনীটির সব কাজে গতিশীলতা বাড়বে। এক্ষেত্রে বিসিএস ১৫ ব্যাচের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার নাম আলোচনায় রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে রদবদল হয়। এর ধারাবাহিকতায় সে বছর ২১ নভেম্বর বাহারুল আলমকে আইজিপি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

বাহারুল আলম বিদায়ী আইজিপি মো. ময়নুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হন। সে হিসেবে চলতি বছরের ২১ নভেম্বর তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। তবে এর আগেই বাহারুল আলমের পদত্যাগের গুঞ্জন সামনে এলো।

নতুন আইজিপির তালিকায় যারা-

আলী হোসেন ফকির

আইজিপির তালিকায় সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ১৫ ব্যাচের কর্মকর্তা আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির।

রাজনৈতিক কারণে আওয়ামী লীগ শাসনামলে প্রথমবার চাকরিচ্যুত, পরেরবার বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয় তাকে। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের রোষানলের শিকার হন। ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হলে আইনি প্রক্রিয়ায় এসপি পদমযাদায় চাকরি ফিরে পান আলী হোসেন ফকির। এরপর সুপার নিউমারিতে ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতি পান। এরপর গত বছরের ১১ আগস্ট অতিরিক্ত আইজিপি (দ্বিতীয় গ্রেড) পদে পদোন্নতি পেয়েছিলেন তিনি।

আলী হোসেন ফকিরের বাড়ি বাগেরহাটে।

কর্মজীবনে তিনি চৌকস কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি পান। এসপি হিসেবে একাধিক জেলায় দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০৮ সালে ডিএমপির উত্তরা জোনের ডিসি ছিলেন। এরপর তিনি জাতিসংঘ মিশনে যান। সেখানেও সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে পুরস্কৃত হন। জাতিসংঘ থেকে দেশে ফেরার পর রাজশাহী ডিআইজি অফিসে এসপি হিসেবে সংযুক্ত করা হয় তাকে। সেখানে থাকা অবস্থায় ২০২২ সালে শেখ হাসিনার সরকার তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠায়।

আনসার আলী পাঠান

আইজিপির আলোচনায় রয়েছেন পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক (কো-অর্ডিনেটর, গ্রেড-১) আনসার উদ্দিন খান পাঠান।

বাংলাদেশ পুলিশের চৌকস কর্মকর্তা হিসেবে ২০২২ সালে তিনি অবসরগ্রহণ করেন। পুলিশ বিভাগের একজন মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা ছাড়াও দক্ষ ও সৃজনশীল শিক্ষক হিসেবে তিনি অধিক পরিচিত ও জনপ্রিয়। বর্তমান বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের অধিকাংশ পুলিশ কর্মকর্তা আনসার আলী পাঠানের সরাসরি ছাত্র।

২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে পুলিশের সংস্কার ও দায়িত্বশীল পদে থাকার কারণে পরবর্তী ক্ষমতাসীনদের দ্বারা চাকরি জীবনের শেষ পর্যন্ত তিনি নিগৃহীত হন। তার পেশাদারিত্ব ও সততার জন্য তাকে সে সময় পুলিশ বাহিনী থেকে সরিয়ে দিতে পারেনি। অবসরের পর থেকে তিনি বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড ও লেখালেখিতে ব্যস্ত ছিলেন। নেত্রকোনার পূর্বধলার কাজলা গ্রামের বাসিন্দা তিনি।

হাসিব আজিজ

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার অতিরিক্ত আইজিপি হাসিব আজিজ আইজিপির তালিকায় আলোচনায় রয়েছেন। ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর সিএমপির ৩৩তম কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেন ডিআইজি হাসিব আজিজ। তিনি সিআইডির ডিটেকটিভ ট্রেনিং স্কুল থেকে সিএমপিতে যোগ দেন।

হাসিব আজিজ ১৯৭১ সালের ৩০ ডিসেম্বর শরীয়তপুরের সফিপুর থানায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমকম (১৯৯৫) ও যুক্তরাজ্যের হাল ইউনিভার্সিটি থেকে এমএ (২০০৫) ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৫তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের কর্মকর্তা হাসিব আজিজ ১৯৯৫ সালের ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। ২০০২ সালে তিনি চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তার বাবা এম আজিজুল হক বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক আইজিপি ছিলেন।

জানা গেছে, নতুন সরকার শপথ নেওয়ার পরে মন্ত্রীসভা গঠন হবে। সেই মন্ত্রীসভা সিদ্ধান্ত নেবে আইজিপি হিসেবে নতুন কাউকে নিয়োগ দেয়া হবে কিনা।

আইজিপি বাহারুল আলমের পদত্যাগের প্রেক্ষাপট নিয়ে রয়েছে কিছু বিতর্ক। বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে তার নাম আসায় গত বছরে তার অপসারণ চেয়ে রিট দায়ের করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে আদালত রিটটি খারিজ করে দেন।

এর আগে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়ব পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) চুপিসারে দেশ ছাড়েন। তবে অন্তবর্তী সরকারের দায়িত্বের শেষ মুহূর্তে পুলিশপ্রধান বাহারুল আলমের মেয়াদ থাকা সত্ত্বেও পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পেছনে কারণ কী তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।

টিটি/এসএএইচ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।