০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১০ হাজার স্থলসেনা পাঠানোর কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
  • 3

যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রন এবং সাঁজোয়া যানের সহায়তায় মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১০ হাজার সৈন্য পাঠানোর কথা বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। চলতি সপ্তাহের শুরুতেই এই সম্ভাব্য সৈন্য মোতায়েন হবে। উপসাগরীয় অঞ্চলে পাঠানো ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের অতিরিক্ত পাঁচ হাজার মেরিন এবং দুই হাজার প্যারাট্রুপার মোতায়েনের কথা ভাবা হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্ভাব্য স্থল আক্রমণের বিষয়টিও বিবেচনা করছেন বলে জানা গেছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের একটি সূত্র দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে জানিয়েছে, এই বাহিনীকে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপের নাগালের মধ্যে মোতায়েন করা হতে পারে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বারবার বলেছেন যে, তিনি মার্কিন মিত্রদের সাহায্য নিয়ে বা সাহায্য ছাড়াই হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেবেন।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রাথমিক শান্তি আলোচনা চলমান থাকায় তিনি এই সৈন্য স্থানান্তরের বিষয়টি বিবেচনা করছেন। তার মতে, এই আলোচনা ‌‘খুব ভালোভাবে’ চলছে।

ট্রাম্প বলেছেন, যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি এবং ইরানের আরও ৩ হাজার ৫৫৪টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা বাকি আছে। অপরদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র কোনো স্থলসেনা ছাড়াই লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে এবং যুদ্ধ কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হয়ে যেতে পারে।

ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র চলতি সপ্তাহে ইরানের সঙ্গে বৈঠক করার ব্যাপারে আশাবাদী এবং ১৫-দফা চুক্তির একটি উত্তর ‘প্রত্যাশা’ করছে তারা।

গত কয়েক ঘণ্টায় তেহরানে দফায় দফায় হামলার শব্দ শোনা গেছে এবং ইরান জানিয়েছে যে, চলতি মাসে তৃতীয়বারের মতো বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালানো হয়েছে। ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা মধ্য ইরানের আরাক হেভি ওয়াটার প্ল্যান্টেও হামলা চালিয়েছে।

টিটিএন

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১০ হাজার স্থলসেনা পাঠানোর কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময়ঃ ০৬:০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রন এবং সাঁজোয়া যানের সহায়তায় মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১০ হাজার সৈন্য পাঠানোর কথা বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। চলতি সপ্তাহের শুরুতেই এই সম্ভাব্য সৈন্য মোতায়েন হবে। উপসাগরীয় অঞ্চলে পাঠানো ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের অতিরিক্ত পাঁচ হাজার মেরিন এবং দুই হাজার প্যারাট্রুপার মোতায়েনের কথা ভাবা হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্ভাব্য স্থল আক্রমণের বিষয়টিও বিবেচনা করছেন বলে জানা গেছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের একটি সূত্র দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে জানিয়েছে, এই বাহিনীকে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপের নাগালের মধ্যে মোতায়েন করা হতে পারে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বারবার বলেছেন যে, তিনি মার্কিন মিত্রদের সাহায্য নিয়ে বা সাহায্য ছাড়াই হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেবেন।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রাথমিক শান্তি আলোচনা চলমান থাকায় তিনি এই সৈন্য স্থানান্তরের বিষয়টি বিবেচনা করছেন। তার মতে, এই আলোচনা ‌‘খুব ভালোভাবে’ চলছে।

ট্রাম্প বলেছেন, যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি এবং ইরানের আরও ৩ হাজার ৫৫৪টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা বাকি আছে। অপরদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র কোনো স্থলসেনা ছাড়াই লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে এবং যুদ্ধ কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হয়ে যেতে পারে।

ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র চলতি সপ্তাহে ইরানের সঙ্গে বৈঠক করার ব্যাপারে আশাবাদী এবং ১৫-দফা চুক্তির একটি উত্তর ‘প্রত্যাশা’ করছে তারা।

গত কয়েক ঘণ্টায় তেহরানে দফায় দফায় হামলার শব্দ শোনা গেছে এবং ইরান জানিয়েছে যে, চলতি মাসে তৃতীয়বারের মতো বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালানো হয়েছে। ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা মধ্য ইরানের আরাক হেভি ওয়াটার প্ল্যান্টেও হামলা চালিয়েছে।

টিটিএন

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।