০১:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রংপুরে বেড়েছে ডিম-আলুর দাম

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • 2

রংপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে পোলট্রি মুরগির ডিম ও আলুর দাম। সেইসঙ্গে দাম বেড়েছে কিছু সবজির। তবে দাম কমেছে ব্রয়লার মুরগিসহ কিছু সবজির। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে চাল-ডালসহ অন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে পোলট্রি মুরগির ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ৩৪-৩৫ টাকা। যা গত সপ্তাহের তুলনায় ১ থেকে ২ টাকা বেশি। পাইকারি বাজারে একশো ডিম কিনলে দাম পড়ছে ৮২০ টাকা। সেই হিসেবে পাইকারি বাজারে প্রতিহালি ডিমের দাম পড়ছে ৩২-৩৩ টাকা।

এদিকে, প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ২১০-২২০ টাকা থেকে কমে হয়েছে ১৯০-২০০ টাকা। আর পাকিস্তানি সোনালি মুরগি গত সপ্তাহের মতোই ৩৫০-৩৬০ টাকা, পাকিস্তানি হাইব্রিড ৩৩০-৩৪০ টাকা, পাকিস্তানি লেয়ার ৩২০-৩৩০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬০০-৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে গরুর মাংস অপরিবর্তিত ৭২০-৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১০০০- থেকে ১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মুলাটোল আমতলা বাজারের মুরগি বিক্রেতা আল আমিন বলেন, ঈদের পর ব্রয়লার মুরগির দাম কিছুটা কমলেও অন্য মুরগির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

সবজি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, টমেটো ৩০-৪০ টাকা থেকে কমে ২৫-৩০ টাকা, গাজর গত সপ্তাহের মতোই ৩০-৪০ টাকা, ঝিঙা ১০০-১২০ টাকা, ফুলকপি আগের মতো ৩৫-৪০ টাকা, বাঁধাকপির পিস ১৫-২০ টাকা, মুলা ৪০-৫০ টাকা, চালকুমড়া (আকারভেদে) ৪০-৪৫ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০ টাকা, কাঁচকলার হালি গত সপ্তাহের মতোই ২৫-৩০ টাকা, দুধকুষি ৬০-৭০ টাকা থেকে কমে ৫০-৬০ টাকা, সজনে ১৫০-১৬০ টাকা থেকে কমে ৭০-৮০ টাকা, শসা ৩০-৩৫ টাকা থেকে কমে ২৫-৩০ টাকা, লেবুর হালি ৩০-৩৫ টাকা থেকে কমে ২৫-৩০ টাকা, চিকন বেগুন গত সপ্তাহের মতোই ৩০-৪০ টাকা, গোল বেগুন ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০ টাকা, পটল ৭০-৮০ টাকা থেকে কমে ৫০-৬০ টাকা ঢ্যাঁড়শ ৭০-৮০ টাকা থেকে কমে ৫০-৬০ টাকা, শিম ৩০-৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০ টাকা, পেঁপে গত সপ্তাহের মতোই ২৫-৩০ টাকা, বরবটি ৭০-৮০ টাকা, করলা ৫০-৬০ টাকা বেড়ে ৭০-৮০ টাকা, লাউ (আকারভেদে) ৪০-৫০ টাকা, কচুর লতি ৭০-৮০ টাকা, প্রতিকেজি ধনেপাতা ৬০-৭০ টাকা থেকে কমে ৫০-৬০ টাকা, সব ধরনের শাকের আঁটি ১০ থেকে ১৫ টাকা, মিষ্টিকুমড়া গত সপ্তাহের মতোই ৩৫-৪০ টাকা, কাঁচামরিচ ৫০-৬০ টাকা এবং পেঁয়াজ ৩০-৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অপরদিকে, দেশি আদা গত সপ্তাহের মতোই ১৫০-১৬০ টাকা, দেশি রসুন ৮০-১০০ টাকা, আমদানি করা রসুন ২৫০-২৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা বাজারে কার্ডিনাল আলুর দাম বেড়ে ১৬-১৮ থেকে হয়েছে ২২-২৫ টাকা, সাদা আলু ৩০-৩৫ টাকা, বগুড়ার লাল পাকড়ি আলু ২০-২৫ টাকা থেকে বেড়ে ২৫-৩০ টাকা, শিল আলু ২৫-৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৩০-৩৫ টাকা এবং ঝাউ আলু
গত সপ্তাহের মতোই ২৫-৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

টার্মিনাল বাজারের সবজি বিক্রেতা জয়নাল মিয়া বলেন, সপ্তাহের ব্যবধানে কিছু সবজির দাম বাড়লেও অধিকাংশ সবজির দাম কমেছে। এছাড়া কিছু সবজির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারে আসা নতুন সবজির দাম তুলনামূলক অনেক বেশি। তবে সরবরাহ বাড়লে দাম কমে আসবে।

খুচরা বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল গত সপ্তাহের মতোই ১৯৫ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ২০০-২২০ টাকা, মসুর ডাল (চিকন) গত সপ্তাহের মতোই ১৭০-১৮০ টাকা, মাঝারি ১০০-১১০ টাকা, মুগডাল ১৫০-১৬০ টাকা, বুটের ডাল ১১০-১২০ টাকা, খোলা চিনি ১০০-১০৫ টাকা, ছোলাবুট ৯০-১০০ টাকা, প্যাকেট আটা ৫০-৫৫ টাকা, খোলা আটা ৪০-৪৫ টাকা এবং ময়দা ৬৫-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের মতোই স্বর্ণা (মোটা) ৪৮-৫০ টাকা, স্বর্ণা (চিকন) ৫৫-৬০ টাকা, বিআর২৮- ৬৫-৭০ টাকা, বিআর২৯- ৬০-৬৫ টাকা, জিরাশাইল ৭০-৭৫ টাকা, মিনিকেট ৮৫-৯০ এবং নাজিরশাইল ৮৫-৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে রুইমাছ ৩০০-৩৮০ টাকা, টেংরা ৪০০-৫৬০, পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা, মৃগেল ২২০-২৫০ টাকা, কারপু ২৫০-২৬০ টাকা, পাঙাস ১৫০-২৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২৫০, কাতল ৩০০-৫০০ টাকা, বাটা ১৮০-২৪০ টাকা, শিং ৩০০-৪০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৮০-২৬০ টাকা এবং গছিমাছ ৮০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

জিতু কবীর/এনএইচআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

রংপুরে বেড়েছে ডিম-আলুর দাম

রংপুরে বেড়েছে ডিম-আলুর দাম

আপডেট সময়ঃ ০৬:০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

রংপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে পোলট্রি মুরগির ডিম ও আলুর দাম। সেইসঙ্গে দাম বেড়েছে কিছু সবজির। তবে দাম কমেছে ব্রয়লার মুরগিসহ কিছু সবজির। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে চাল-ডালসহ অন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে পোলট্রি মুরগির ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ৩৪-৩৫ টাকা। যা গত সপ্তাহের তুলনায় ১ থেকে ২ টাকা বেশি। পাইকারি বাজারে একশো ডিম কিনলে দাম পড়ছে ৮২০ টাকা। সেই হিসেবে পাইকারি বাজারে প্রতিহালি ডিমের দাম পড়ছে ৩২-৩৩ টাকা।

এদিকে, প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ২১০-২২০ টাকা থেকে কমে হয়েছে ১৯০-২০০ টাকা। আর পাকিস্তানি সোনালি মুরগি গত সপ্তাহের মতোই ৩৫০-৩৬০ টাকা, পাকিস্তানি হাইব্রিড ৩৩০-৩৪০ টাকা, পাকিস্তানি লেয়ার ৩২০-৩৩০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬০০-৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে গরুর মাংস অপরিবর্তিত ৭২০-৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১০০০- থেকে ১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মুলাটোল আমতলা বাজারের মুরগি বিক্রেতা আল আমিন বলেন, ঈদের পর ব্রয়লার মুরগির দাম কিছুটা কমলেও অন্য মুরগির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

সবজি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, টমেটো ৩০-৪০ টাকা থেকে কমে ২৫-৩০ টাকা, গাজর গত সপ্তাহের মতোই ৩০-৪০ টাকা, ঝিঙা ১০০-১২০ টাকা, ফুলকপি আগের মতো ৩৫-৪০ টাকা, বাঁধাকপির পিস ১৫-২০ টাকা, মুলা ৪০-৫০ টাকা, চালকুমড়া (আকারভেদে) ৪০-৪৫ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০ টাকা, কাঁচকলার হালি গত সপ্তাহের মতোই ২৫-৩০ টাকা, দুধকুষি ৬০-৭০ টাকা থেকে কমে ৫০-৬০ টাকা, সজনে ১৫০-১৬০ টাকা থেকে কমে ৭০-৮০ টাকা, শসা ৩০-৩৫ টাকা থেকে কমে ২৫-৩০ টাকা, লেবুর হালি ৩০-৩৫ টাকা থেকে কমে ২৫-৩০ টাকা, চিকন বেগুন গত সপ্তাহের মতোই ৩০-৪০ টাকা, গোল বেগুন ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০ টাকা, পটল ৭০-৮০ টাকা থেকে কমে ৫০-৬০ টাকা ঢ্যাঁড়শ ৭০-৮০ টাকা থেকে কমে ৫০-৬০ টাকা, শিম ৩০-৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০ টাকা, পেঁপে গত সপ্তাহের মতোই ২৫-৩০ টাকা, বরবটি ৭০-৮০ টাকা, করলা ৫০-৬০ টাকা বেড়ে ৭০-৮০ টাকা, লাউ (আকারভেদে) ৪০-৫০ টাকা, কচুর লতি ৭০-৮০ টাকা, প্রতিকেজি ধনেপাতা ৬০-৭০ টাকা থেকে কমে ৫০-৬০ টাকা, সব ধরনের শাকের আঁটি ১০ থেকে ১৫ টাকা, মিষ্টিকুমড়া গত সপ্তাহের মতোই ৩৫-৪০ টাকা, কাঁচামরিচ ৫০-৬০ টাকা এবং পেঁয়াজ ৩০-৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অপরদিকে, দেশি আদা গত সপ্তাহের মতোই ১৫০-১৬০ টাকা, দেশি রসুন ৮০-১০০ টাকা, আমদানি করা রসুন ২৫০-২৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা বাজারে কার্ডিনাল আলুর দাম বেড়ে ১৬-১৮ থেকে হয়েছে ২২-২৫ টাকা, সাদা আলু ৩০-৩৫ টাকা, বগুড়ার লাল পাকড়ি আলু ২০-২৫ টাকা থেকে বেড়ে ২৫-৩০ টাকা, শিল আলু ২৫-৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৩০-৩৫ টাকা এবং ঝাউ আলু
গত সপ্তাহের মতোই ২৫-৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

টার্মিনাল বাজারের সবজি বিক্রেতা জয়নাল মিয়া বলেন, সপ্তাহের ব্যবধানে কিছু সবজির দাম বাড়লেও অধিকাংশ সবজির দাম কমেছে। এছাড়া কিছু সবজির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারে আসা নতুন সবজির দাম তুলনামূলক অনেক বেশি। তবে সরবরাহ বাড়লে দাম কমে আসবে।

খুচরা বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল গত সপ্তাহের মতোই ১৯৫ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ২০০-২২০ টাকা, মসুর ডাল (চিকন) গত সপ্তাহের মতোই ১৭০-১৮০ টাকা, মাঝারি ১০০-১১০ টাকা, মুগডাল ১৫০-১৬০ টাকা, বুটের ডাল ১১০-১২০ টাকা, খোলা চিনি ১০০-১০৫ টাকা, ছোলাবুট ৯০-১০০ টাকা, প্যাকেট আটা ৫০-৫৫ টাকা, খোলা আটা ৪০-৪৫ টাকা এবং ময়দা ৬৫-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের মতোই স্বর্ণা (মোটা) ৪৮-৫০ টাকা, স্বর্ণা (চিকন) ৫৫-৬০ টাকা, বিআর২৮- ৬৫-৭০ টাকা, বিআর২৯- ৬০-৬৫ টাকা, জিরাশাইল ৭০-৭৫ টাকা, মিনিকেট ৮৫-৯০ এবং নাজিরশাইল ৮৫-৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে রুইমাছ ৩০০-৩৮০ টাকা, টেংরা ৪০০-৫৬০, পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা, মৃগেল ২২০-২৫০ টাকা, কারপু ২৫০-২৬০ টাকা, পাঙাস ১৫০-২৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২৫০, কাতল ৩০০-৫০০ টাকা, বাটা ১৮০-২৪০ টাকা, শিং ৩০০-৪০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৮০-২৬০ টাকা এবং গছিমাছ ৮০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

জিতু কবীর/এনএইচআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।