মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করেছে জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল।
মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুর ৩টায় রাজধানীর তোপখানা শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে তাঁতীদল কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সহ-সম্পাদক কাজী রওনকুল ইসলাম টিপু।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্স অধিনায়ক মেজর জিয়ার মধ্যে আজকের জেএনজি ভাবনা ছিল। তিনি মেজর থাকাকালীন স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, যুদ্ধ করে দেশের পতাকা, মানচিত্র ও ভূখণ্ডসহ একটি বাংলাদেশ নিয়ে এসেছেন।
টিপু বলেন, মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছেন। তিনি জনশক্তি রপ্তানি, গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি ও দেশে খাল খনন করে কৃষি বিপ্লব সম্পাদন করেছিলেন। দেশের মানুষের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ পুনরুদ্ধারে তার অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। নতুন প্রজন্মের কাছে তার আদর্শ ও কর্মময় জীবন তুলে ধরতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে তাঁতীদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপি জন্মের পর থেকেই গণতন্ত্র লালন-পালন করে আসছে। মাঝে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ হিংস্র হায়েনার মত গণতন্ত্রকে ছিড়ে ছিড়ে খেয়েছে। বর্তমানে শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমানের হাতে গণতন্ত্র নামক রাজকন্যা ও দেশ নিরাপদ।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান আদর্শ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই আগামী দিনে একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
সভায় বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন, স্বাধীনতা যুদ্ধ ও দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তার অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
আলোচনা সভা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও জনগণের কল্যাণ কামনা করা হয়।
জাতীয়তাবাদী তাঁতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী যুবদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক রাফিজুল হাই রাফিজ, তাঁতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জে এম আনিসুর রহমান আনিস, যুগ্ম আহ্বায়ক শাখাওয়াত হোসেন আশিক, সদস্য খন্দকার হেলাল উদ্দিন প্রমুখ।
কেএইচ/এএমএ
এডমিন 

















