০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুপার ওভারে রংপুরকে হারালো রাজশাহী

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:০৩:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • 2

শেষ ওভারে দরকার ছিল ৭ রান, শেষ ১ বলে ১। নতুন ব্যাটার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ছিলেন স্ট্রাইকে। কিন্তু রিপন মণ্ডলের বল মিডঅনে ঠেলে এক নিতে গেলে রানআউট হন মাহমুদউল্লাহ। ম্যাচ হয় রুদ্ধশ্বাস এক টাই। এরপর সুপার ওভারে তানজিদ তামিমের ব্যাটে রংপুর রাইডার্সকে হারায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

প্রথমে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৫৯ রান তুলেছিল রাজশাহী। জবাবে ৬ উইকেটে ১৫৯ রানেই থামে রংপুর।

রংপুরের হয়ে সুপার ওভারে ব্যাট করতে নামেন কাইল মায়ার্স আর তাওহিদ হৃদয়। বোলার ছিলেন রিপন মণ্ডল। মায়ার্স এক রান করে হন বোল্ড। ক্রিজে আসেন খুশদিল শাহ। কেউই বাউন্ডারি হাঁকাতে পারেননি। ফলে ২ উইকেটে ৬ রান তোলে রংপুর।

রাজশাহীর সুপার ওভারে প্রথম দুই ব্যাটার ছিলেন সাহিবজাদা ফারহান আর তানজিদ তামিম। বোলার মোস্তাফিজুর রহমান। প্রথম বলেই বাউন্ডারি হাঁকান তামিম, পরের বলে দুই। তৃতীয় বলে আরেকটি বাউন্ডারি তামিমের। জিতে যায় রাজশাহী।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৬০ রান তাড়ায় শুরুতে লিটন দাসকে (১১ বলে ১৬) হারালেও ডেভিড মালান আর তাওহিদ হৃদয় দ্বিতীয় উইকেটে ৭২ বলে ১০০ রানের জুটিতে জয় হাতের নাগালে নিয়ে আসেন।

৩৫ বলে ফিফটি হাঁকান হৃদয়। ৩৯ বলে ৭ বাউন্ডারিতে ৫৩ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন এই ব্যাটার। এরপর কাইল মায়ার্স ৮ বলে ৯, খুশদিল শাহ ৭ বলে ৭ আর নুরুল হাসান সোহান ৪ বলে ৬ রান করে আউট হলে জমে উঠে ম্যাচ। ৫০ বলে ৬ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় ৬৩ রানে অপরাজিত থাকেন মালান।

রিপন মণ্ডল আর এসএম মেহরব নেন দুটি করে উইকেট।

এর আগে, বিপিএলে অবশেষে ফর্মে ফিরলেন সাহিবজাদা ফারহান। তার সঙ্গে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর জুটিতে ভর করে ৮ উইকেটে ১৫৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করালো রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

সিলেটে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই তানজিদ হাসান তামিমকে (২) হারায় রাজশাহী। তবে দ্বিতীয় উইকেটে ফারহান আর শান্ত মিলে ৬৩ বলে গড়েন ৯৩ রানের জুটি। শান্তর রানআউটে ভাঙে এই জুটি। ৩০ বলে ৪১ রানের ইনিংসে ৫ বাউন্ডারি আর একটি ছক্কা হাঁকান শান্ত।

ফারহান ফেরেন ৪৬ বলে ৮ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় ৬৫ করে। বিপিএলে এটি তার প্রথম ফিফটি। এরপরের ব্যাটাররা আর তেমন বড় অবদান রাখতে পারেননি। শেষদিকে ১ ছক্কায় ৪ বলে ৮ রান করেন তানজিম হাসান সাকিব।

ফাহিম আশরাফ ৪৩ রান খরচায় নেন ৩ উইকেট। আলিস আল ইসলামের মাত্র ১৬ রানে পান ২ উইকেট। মোস্তাফিজুর রহমানের শিকার একটি।

এমএমআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

ট্যাগঃ

সুপার ওভারে রংপুরকে হারালো রাজশাহী

আপডেট সময়ঃ ০৬:০৩:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

শেষ ওভারে দরকার ছিল ৭ রান, শেষ ১ বলে ১। নতুন ব্যাটার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ছিলেন স্ট্রাইকে। কিন্তু রিপন মণ্ডলের বল মিডঅনে ঠেলে এক নিতে গেলে রানআউট হন মাহমুদউল্লাহ। ম্যাচ হয় রুদ্ধশ্বাস এক টাই। এরপর সুপার ওভারে তানজিদ তামিমের ব্যাটে রংপুর রাইডার্সকে হারায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

প্রথমে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৫৯ রান তুলেছিল রাজশাহী। জবাবে ৬ উইকেটে ১৫৯ রানেই থামে রংপুর।

রংপুরের হয়ে সুপার ওভারে ব্যাট করতে নামেন কাইল মায়ার্স আর তাওহিদ হৃদয়। বোলার ছিলেন রিপন মণ্ডল। মায়ার্স এক রান করে হন বোল্ড। ক্রিজে আসেন খুশদিল শাহ। কেউই বাউন্ডারি হাঁকাতে পারেননি। ফলে ২ উইকেটে ৬ রান তোলে রংপুর।

রাজশাহীর সুপার ওভারে প্রথম দুই ব্যাটার ছিলেন সাহিবজাদা ফারহান আর তানজিদ তামিম। বোলার মোস্তাফিজুর রহমান। প্রথম বলেই বাউন্ডারি হাঁকান তামিম, পরের বলে দুই। তৃতীয় বলে আরেকটি বাউন্ডারি তামিমের। জিতে যায় রাজশাহী।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৬০ রান তাড়ায় শুরুতে লিটন দাসকে (১১ বলে ১৬) হারালেও ডেভিড মালান আর তাওহিদ হৃদয় দ্বিতীয় উইকেটে ৭২ বলে ১০০ রানের জুটিতে জয় হাতের নাগালে নিয়ে আসেন।

৩৫ বলে ফিফটি হাঁকান হৃদয়। ৩৯ বলে ৭ বাউন্ডারিতে ৫৩ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন এই ব্যাটার। এরপর কাইল মায়ার্স ৮ বলে ৯, খুশদিল শাহ ৭ বলে ৭ আর নুরুল হাসান সোহান ৪ বলে ৬ রান করে আউট হলে জমে উঠে ম্যাচ। ৫০ বলে ৬ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় ৬৩ রানে অপরাজিত থাকেন মালান।

রিপন মণ্ডল আর এসএম মেহরব নেন দুটি করে উইকেট।

এর আগে, বিপিএলে অবশেষে ফর্মে ফিরলেন সাহিবজাদা ফারহান। তার সঙ্গে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর জুটিতে ভর করে ৮ উইকেটে ১৫৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করালো রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

সিলেটে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই তানজিদ হাসান তামিমকে (২) হারায় রাজশাহী। তবে দ্বিতীয় উইকেটে ফারহান আর শান্ত মিলে ৬৩ বলে গড়েন ৯৩ রানের জুটি। শান্তর রানআউটে ভাঙে এই জুটি। ৩০ বলে ৪১ রানের ইনিংসে ৫ বাউন্ডারি আর একটি ছক্কা হাঁকান শান্ত।

ফারহান ফেরেন ৪৬ বলে ৮ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় ৬৫ করে। বিপিএলে এটি তার প্রথম ফিফটি। এরপরের ব্যাটাররা আর তেমন বড় অবদান রাখতে পারেননি। শেষদিকে ১ ছক্কায় ৪ বলে ৮ রান করেন তানজিম হাসান সাকিব।

ফাহিম আশরাফ ৪৩ রান খরচায় নেন ৩ উইকেট। আলিস আল ইসলামের মাত্র ১৬ রানে পান ২ উইকেট। মোস্তাফিজুর রহমানের শিকার একটি।

এমএমআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।