নিজের
বয়সের
সীমাবদ্ধতা
তুলে
ধরে
ফজলুর
রহমান
আরও
বলেন,
‘আমার
বয়স
৭৮
বছর,
আমার
বয়সের
শেষ
সীমা।
আমি
একজন
মুক্তিযোদ্ধা।
আগামী
পাঁচ
বছর
পর
মুক্তিযোদ্ধাদের
সবার
বয়স
৮০
বা
৮২
বা
৮৫
হবে।
আপনারা
ইচ্ছা
করলে
আমার
শেষজীবনে
একজন
মুক্তিযোদ্ধাকে
ভোট
দিয়ে
গৌরবান্বিত
হতে
পারেন।
মুক্তিযোদ্ধাকে
ভোট
দেওয়ার
জন্য
আর
পাবেন
না
আপনারা।’
ঘাগড়া
ইউনিয়ন
বিএনপির
সভাপতি
নাজমুল
হাসান
ভূঞার
সভাপতিত্বে
সভায়
অন্যান্যের
মধ্যে
ফজলুর
রহমানের
স্ত্রী
জেলা
বিএনপির
সাবেক
সহসভাপতি
উম্মে
কুলসুম,
উপজেলা
মুক্তিযোদ্ধা
সংসদের
আহ্বায়ক
মো.
ইব্রাহিম,
উপজেলা
বিএনপির
সহসভাপতি
আফতাব
উদ্দিন
ভূঞা,
সাধারণ
সম্পাদক
মো.
আবদুল্লাহ
মিয়া,
সাংগঠনিক
সম্পাদক
জসিম
উদ্দিন
রুবেল,
উপজেলা
ওলামা
দলের
সভাপতি
সাইফুল
ইসলাম
মোল্লা,
ঘাগড়া
ইউনিয়ন
বিএনপির
সাধারণ
সম্পাদক
আইয়ুব
মিয়া
প্রমুখ
বক্তব্য
দেন।
এডমিন 



















