ভৌগোলিক
দিক
থেকে
আমাদের
সবচেয়ে
কাছের
মানুষ
হলেন
আমাদের
প্রতিবেশীরা।
ইসলামে
প্রতিবেশীর
অধিকারকে
এতটাই
গুরুত্ব
দেওয়া
হয়েছে
যে
আল্লাহর
রাসুল
(সা.)
বলেছেন,
জিবরাইল
(আ.)
তাঁকে
প্রতিবেশীর
ব্যাপারে
এত
বেশি
অসিয়ত
করছিলেন
যে
তাঁর
মনে
হচ্ছিল
অচিরেই
হয়তো
প্রতিবেশীকে
সম্পদের
ওয়ারিশ
বানিয়ে
দেওয়া
হবে।
(সহিহ
বুখারি,
হাদিস:
৬,০১৪)
প্রতিবেশী
মুসলিম
হোক
বা
অমুসলিম,
তাদের
খোঁজখবর
নেওয়া,
প্রয়োজনে
সাহায্য
করা
এবং
মাঝেমধ্যে
খাবার
বা
উপহার
আদান-প্রদান
করা
শান্তির
চাবিকাঠি।
আপনি
যখন
প্রতিবেশীর
সঙ্গে
শান্তিপূর্ণ
আচরণ
করবেন,
তখন
বিনিময়ে
আপনিও
একটি
দুশ্চিন্তামুক্ত
পরিবেশ
পাবেন।
প্রশান্তি
কেবল
বাইরের
কোনো
বিষয়
নয়
বরং
এটি
অন্তরের
একটি
অবস্থা।
আল্লাহ–তাআলা
বলেন,
‘জেনে
রেখো,
আল্লাহর
জিকিরেই
(স্মরণেই)
অন্তরসমূহ
প্রশান্ত
হয়।’
(সুরা
রাদ,
আয়াত:
২৮)
যখন
আমরা
আল্লাহর
স্মরণে
নিজেদের
অন্তরকে
শান্ত
রাখতে
পারব,
তখনই
কেবল
অন্যের
জীবনে
শান্তি
ফিরিয়ে
আনতে
ভূমিকা
রাখা
সম্ভব
হবে।
ওপরের
এই
পাঁচটি
পদক্ষেপ
অনুশীলনের
মাধ্যমে
আমরা
প্রত্যেকেই
হয়ে
উঠতে
পারি
এক
একজন
‘শান্তির
দূত’।
এডমিন 












