এবার
খুলনায়
বিএনপির
ছয়জন,
জামায়াতে
ইসলামীর
পাঁচজন
এবং
ইসলামী
আন্দোলন
বাংলাদেশের
পাঁচজন
প্রার্থী
রয়েছেন।
জাতীয়
পার্টি
চারটি
আসনে,
সিপিবি
তিনটি
আসনে
প্রার্থী
দিয়েছে।
খেলাফতে
মজলিস,
ইসলামী
ফ্রন্ট,
জেএসডি,
বাসদ,
বাংলাদেশ
মাইনরিটি
জনতা
পার্টি,
গণ
অধিকার
পরিষদ,
বাংলাদেশ
সম
অধিকার
পরিষদ
ও
এনডিএম
একটি
করে
আসনে
প্রার্থী
দিয়েছে।
অন্যরা
স্বতন্ত্র
প্রার্থী।
নির্বাচন
কমিশনে
জমা
দেওয়া
৩৮
প্রার্থীর
হলফনামায়
উল্লেখ
করা
জাতীয়
পরিচয়পত্র
নম্বর
ও
জন্মতারিখ
ব্যবহার
করে
কমিশনের
স্মার্ট
ইলেকশন
ম্যানেজমেন্ট
অ্যাপের
মাধ্যমে
তাঁদের
ভোটকেন্দ্র
শনাক্ত
করা
হয়েছে।
রাজনৈতিক
বিশ্লেষকেরা
বলছেন,
কোনো
আসনের
ভোটার
না
হয়েও
প্রার্থী
হওয়ার
প্রবণতা
দলীয়
কৌশল
ও
স্থানীয়
সাংগঠনিক
দুর্বলতার
ইঙ্গিত
দেয়।
অনেক
ক্ষেত্রে
এতে
ভোটারদের
সঙ্গে
প্রার্থীর
সামাজিক
ও
রাজনৈতিক
সংযোগ
দুর্বল
হওয়ার
আশঙ্কাও
থাকে।
এবারের
নির্বাচনে
অন্তত
দুটি
আসনে
‘বহিরাগত
প্রভাব’
পড়বে
বলে
জানিয়েছেন
স্থানীয়
ভোটাররা।
এডমিন 














