ঢাকার
একটি
আদালত
গত
বছর
রায়ে
বিক্ষোভ
দমনে
ভূমিকার
জন্য
শেখ
হাসিনার
মৃত্যুদণ্ড
দিয়েছেন।
তাঁকে
আশ্রয়
দেওয়ার
নয়াদিল্লির
সিদ্ধান্ত
বাংলাদেশ-ভারতের
সম্পর্ককে
মারাত্মকভাবে
ক্ষতিগ্রস্ত
করেছে।
একই
সঙ্গে
এটি
বাংলাদেশে
বিনিয়োগ
ও
রাজনৈতিক
যোগাযোগ
বাড়ানোর
ক্ষেত্রে
চীনের
জন্য
সুযোগ
তৈরি
করে
দিয়েছে।
নির্বাচনে
জয়ী
হলে
ভারত
থেকে
সরে
গিয়ে
চীনের
দিকে
ঝুঁকবেন
কি
না,
এমন
প্রশ্নের
জবাবে
তারেক
রহমান
বলেন,
বাংলাদেশের
প্রায়
সাড়ে
১৭
কোটি
মানুষের
অর্থনৈতিক
প্রবৃদ্ধি
ত্বরান্বিত
করার
সক্ষমতা
রয়েছে,
এমন
অংশীদারদের
প্রয়োজন।
তিনি
বলেন,
‘আমরা
যদি
সরকারে
থাকি,
তাহলে
আমাদের
তরুণদের
জন্য
কর্মসংস্থানের
ব্যবস্থা
করতে
হবে।
দেশে
ব্যবসা-বাণিজ্য
আনতে
হবে,
যাতে
নতুন
চাকরি
সৃষ্টি
হয়
এবং
মানুষ
ভালো
জীবন
যাপন
করতে
পারে।’
তারেক
রহমান
বলেন,
‘তাই
বাংলাদেশের
স্বার্থ
ও
সার্বভৌমত্ব
রক্ষা
করে
যে–ই
আমার
জনগণ
ও
দেশের
জন্য
জুতসই
প্রস্তাব
দেবে,
তাদের
সঙ্গেই
আমরা
বন্ধুত্ব
রাখব,
নির্দিষ্ট
কোনো
দেশের
সঙ্গে
নয়।’
শেখ
হাসিনার
সন্তানেরা
বিদেশ
থেকে
ফিরে
এসে
রাজনীতিতে
যুক্ত
হতে
পারবেন
কি
না,
এ
প্রশ্নের
জবাবে
তারেক
রহমান
বলেন,
‘যদি
কাউকে
মানুষ
গ্রহণ
করে,
যদি
মানুষ
তাঁদের
স্বাগত
জানায়,
তাহলে
যে
কারও
রাজনীতি
করার
অধিকার
রয়েছে।’
কার্যক্রম
নিষিদ্ধ
থাকায়
বাংলাদেশের
আসন্ন
জাতীয়
সংসদ
নির্বাচনে
শেখ
হাসিনার
আওয়ামী
লীগ
অংশ
নিতে
পারছে
না।
তাঁর
পতনের
আগে
বা
সেই
সময়ের
আশপাশে
দলটির
অনেক
জ্যেষ্ঠ
নেতা
এবং
তাঁর
পরিবারের
সদস্যরা
বিদেশে
চলে
গেছেন।
এডমিন 














