টেকনাফের
দমদমিয়া
জেটি
ঘাট
বন্ধ
থাকায়
পর্যটন-সংকটে
পড়া
এক
সাধারণ
ব্যবসায়ীর
সন্তান
ওমর
ফারুক
এখন
‘দমদমিয়া
আলোর
পাঠশালা’র
হাত
ধরে
নতুন
করে
স্বপ্ন
দেখছে।
সীমান্ত
ও
নদীমাতৃক
এলাকার
এই
অদম্য
শিশুটি
সমস্ত
প্রতিকূলতা
পেরিয়ে
পড়ালেখা
শেষ
করে
ভবিষ্যতে
এক
বড়
ব্যবসায়ী
হওয়ার
লক্ষ্য
নিয়ে
এগিয়ে
চলেছে।
ওমর
ফারুক
বর্তমানে
প্রথম
আলো
ট্রাস্ট
পরিচালিত
দমদমিয়া
আলোর
পাঠশালার
চতুর্থ
শ্রেণির
ছাত্র।
সে
উপজেলার
দমদমিয়া
অঞ্চলের
বাসিন্দা
আব্দুল
রজকের
পাঁচ
সন্তানের
মধ্যে
চতুর্থ।
স্থানীয়
সূত্রে
জানা
গেছে,
টেকনাফের
দমদমিয়া
চেকপোস্ট
মূলত
সেন্টমার্টিন
দ্বীপে
যাওয়ার
প্রধান
জেটি
ঘাট
হওয়ায়
এখানে
বছরজুড়েই
পর্যটকদের
ভিড়
থাকত।
এই
ঘাটেই
একটি
ছোট
ভাতের
হোটেল
চালিয়ে
আব্দুল
রজক
তাঁর
সাত
সদস্যের
পরিবারের
ভরণপোষণ
ও
সন্তানদের
পড়াশোনার
খরচ
চালাতেন।
তবে
গত
প্রায়
দুই
বছর
ধরে
দমদমিয়া
জেটি
ঘাটটি
বন্ধ
থাকার
কারণে
পর্যটকদের
যাতায়াত
সম্পূর্ণ
বন্ধ
হয়ে
গেছে।
এর
ফলে
ওই
এলাকার
অন্যান্য
দোকানের
মতো
আব্দুল
রজকের
আয়ের
একমাত্র
উৎস
দোকানটিও
বন্ধ
হয়ে
যায়।
বর্তমানে
চরম
আর্থিক
সংকটে
পড়া
আব্দুল
রজক
জীবন-জীবিকার
তাগিদে
নাফ
নদীতে
বড়শি
দিয়ে
মাছ
ধরে
কোনো
রকমে
সংসার
চালাচ্ছেন।
এডমিন 


















