লুটনিকের
এই
সফর
নিয়ে
হওয়া
বিভিন্ন
চিঠিপত্র
বা
ইমেইল
মার্কিন
বিচার
বিভাগ
থেকে
প্রকাশিত
এপস্টিন-সংক্রান্ত
নথিপত্রে
অন্তর্ভুক্ত
ছিল।
এ
ঘটনা
জানাজানি
হওয়ার
পর
বেশ
কয়েকজন
আইনপ্রণেতা
লুটনিকের
পদত্যাগ
দাবি
করেছেন।
তবে
গতকাল
হোয়াইট
হাউস
জানিয়েছে,
বাণিজ্যমন্ত্রী
লুটনিকের
ওপর
প্রেসিডেন্ট
ডোনাল্ড
ট্রাম্পের
পূর্ণ
সমর্থন
রয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী
এর
আগে
কংগ্রেসকে
বলেছিলেন
যে,
২০০৫
সালেই
তিনি
এপস্টিনের
সঙ্গে
সব
সম্পর্ক
ছিন্ন
করেছেন।
নিউইয়র্কে
লুটনিকের
প্রতিবেশী
ছিলেন
প্রয়াত
এই
ধনকুবেন।
লুটনিকের
দাবি
ছিল,
এপস্টিন
তাঁর
বাড়ির
একটি
কক্ষে
শরীর
মালিশের
টেবিল
রাখার
কারণ
হিসেবে
‘যৌন
ইঙ্গিতপূর্ণ’
ব্যাখ্যা
দিয়েছিলেন।
আর
এরপরই
তিনি
এপস্টিনের
সঙ্গে
যোগাযোগ
বন্ধ
করে
দেন।
তবে
গতকাল
দেওয়া
সাক্ষ্যে
লুটনিক
বলেন,
‘আমার
জানামতে,
পরবর্তী
১৪
বছরে
আমি
আরও
দুবার
তাঁর
সঙ্গে
দেখা
করেছি।’
এডমিন 














