অলি
আহমদ
অভিযোগ
করেন,
এখানে
আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর
যাঁরা
নির্বাচনের
দায়িত্বে
ছিলেন,
তাঁরা
একতরফাভাবে
কাজ
করেছেন।
বিভিন্ন
জায়গায়
তাদের
এজেন্টদের
সাড়ে
৪টার
পর
বের
করে
দিয়েছেন।
এ
ছাড়াও
ওমর
ফারুকের
প্রায়
সাড়ে
৪
হাজার
ভোট
বাতিল
বলে
গণ্য
করেছে।
এজেন্টেরা
যখন
এটা
চ্যালেঞ্জ
করেছেন,
তাঁদেরকে
বাতিলগুলো
কেন–কীভাবে
করা
হয়েছে,
এইগুলো
দেখানো
হয়
নাই।
সম্পূর্ণ
পরিকল্পিতভাবে
ওমর
ফারুককে
পরাজিত
করা
হয়েছে
অভিযোগ
করে
কর্নেল
অলি
বলেন,
‘ওমর
ফারুকসহ
বাংলাদেশে
বিভিন্ন
প্রার্থীরা
যাঁরা
এক
থেকে
দেড়
হাজার
ভোটে
পরাজিত
হয়েছেন,
এটা
সুপরিকল্পিতভাবে,
অত্যন্ত
সুক্ষভাবে
এ
কাজটা
করা
হয়েছে।
আমরা
পরাজিত
হই
নাই।
পরাজিত
হয়েছে
আমার
নির্বাচনী
এলাকার
জনগণ।’
ভিডিও
বার্তায়
এলডিপির
সভাপতি
আরও
বলেন,
এখন
কিছু
উচ্ছৃঙ্খল
ছেলেরা
তাঁদের
কর্মীদের
ওপর
আক্রমণ
করছে;
এ
ক্ষেত্রে
প্রশাসন
নিরব।
অথচ
প্রশাসনের
উচিত
দুদিন
এখানে
বসে
প্রত্যেকটা
জায়গায়
টহল
দেওয়া
এবং
দেখা
কোনো
জায়গা
সমস্যা
হচ্ছে
কি
না।
তারা
এ
ব্যাপারে
নীরব
দর্শকের
ভূমিকা
পালন
করছে।
এডমিন 














