০৮:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লটারি পদ্ধতি বাদ দিয়ে আবার ভর্তি পরীক্ষা কেন

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
  • 5

সংসদের
প্রশ্নোত্তর
পর্ব
থেকে
মনে
হচ্ছে,
প্রাথমিক
শিক্ষার
মান
বাড়ানোর
উপায়—স্কুলগুলোয়
পরীক্ষার
মাধ্যমে
শিক্ষার্থী
ভর্তি
করা।
শহরের
‘ভালো’
স্কুলগুলোয়
যেহেতু
আসনসংখ্যা
সীমিত,
তাই
পরীক্ষার
পক্ষে
কেউ
কেউ
যুক্তি
দেখাতেই
পারেন।

কিন্তু
প্রথম
শ্রেণিতে
ভর্তির
জন্যও
কেন
একটি
শিশুকে
পরীক্ষা
দিতে
হবে,
সেই
প্রশ্ন
সংগত
কারণেই
এসে
পড়ে।
যে
শিশু
স্কুলে
যাওয়ার
পর
পড়তে

লিখতে
শেখে,
তাকে
এখন
স্কুলে
ভর্তি
হওয়ার
আগেই
পড়তে-লিখতে
শিখতে
হবে।
শুধু
শিখলেই
হবে
না,
ভর্তিযুদ্ধে
পাল্লা
দেওয়ার
মতো
করে
প্রস্তুতি
নিতে
হবে।
তারপরও
সব
শিক্ষার্থী
কাঙ্ক্ষিত
স্কুলে
ভর্তির
সুযোগ
পাবে
না।

প্রথম
শ্রেণির
বাংলা
বই
খুললে
যে
কেউ
দেখতে
পাবেন,
সেখানে
বর্ণপরিচয়
থেকে
শিক্ষা
শুরু
হয়
এবং
তিন-চার
শব্দের
বাক্য
পড়া

লেখার
মধ্যে
তা
সীমিত।
ইংরেজি
বইও
প্রায়
অনুরূপ
ভাষাদক্ষতা
অর্জনের
লক্ষ্য
নিয়ে
রচিত।
গণিত
বইয়ে
সংখ্যার
ধারণা
আছে
এবং
সর্বোচ্চ
দুই
ঘর
পর্যন্ত
যোগ-বিয়োগ
শেখানো
হয়।

কিন্তু
ঢাকার
স্কুলগুলোর
প্রথম
শ্রেণির
ভর্তি
পরীক্ষায়
এমন
সব
প্রশ্ন
থাকত,
যেগুলো
দেখলে
মনে
হয়,
শিক্ষার্থী
বুঝি
প্রথম
শ্রেণির
নির্ধারিত
যোগ্যতা
অর্জন
করে
ফেলেছে!
২০১০
সাল
পর্যন্ত
যখন
ভর্তি
পরীক্ষা
চালু
ছিল,
তখন
এমনও
দেখা
গেছে,
‘ভালো’
স্কুলে
ঢোকার
জন্য
দ্বিতীয়
শ্রেণি
পার
হওয়া
শিক্ষার্থীরাও
প্রথম
শ্রেণির
ভর্তি
পরীক্ষা
দিচ্ছে।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

সরকারি রাস্তার বরাদ্দের ইট দিয়ে নিজ বাড়ির রাস্তা করলেন ইউপি সদস্য

লটারি পদ্ধতি বাদ দিয়ে আবার ভর্তি পরীক্ষা কেন

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

সংসদের
প্রশ্নোত্তর
পর্ব
থেকে
মনে
হচ্ছে,
প্রাথমিক
শিক্ষার
মান
বাড়ানোর
উপায়—স্কুলগুলোয়
পরীক্ষার
মাধ্যমে
শিক্ষার্থী
ভর্তি
করা।
শহরের
‘ভালো’
স্কুলগুলোয়
যেহেতু
আসনসংখ্যা
সীমিত,
তাই
পরীক্ষার
পক্ষে
কেউ
কেউ
যুক্তি
দেখাতেই
পারেন।

কিন্তু
প্রথম
শ্রেণিতে
ভর্তির
জন্যও
কেন
একটি
শিশুকে
পরীক্ষা
দিতে
হবে,
সেই
প্রশ্ন
সংগত
কারণেই
এসে
পড়ে।
যে
শিশু
স্কুলে
যাওয়ার
পর
পড়তে

লিখতে
শেখে,
তাকে
এখন
স্কুলে
ভর্তি
হওয়ার
আগেই
পড়তে-লিখতে
শিখতে
হবে।
শুধু
শিখলেই
হবে
না,
ভর্তিযুদ্ধে
পাল্লা
দেওয়ার
মতো
করে
প্রস্তুতি
নিতে
হবে।
তারপরও
সব
শিক্ষার্থী
কাঙ্ক্ষিত
স্কুলে
ভর্তির
সুযোগ
পাবে
না।

প্রথম
শ্রেণির
বাংলা
বই
খুললে
যে
কেউ
দেখতে
পাবেন,
সেখানে
বর্ণপরিচয়
থেকে
শিক্ষা
শুরু
হয়
এবং
তিন-চার
শব্দের
বাক্য
পড়া

লেখার
মধ্যে
তা
সীমিত।
ইংরেজি
বইও
প্রায়
অনুরূপ
ভাষাদক্ষতা
অর্জনের
লক্ষ্য
নিয়ে
রচিত।
গণিত
বইয়ে
সংখ্যার
ধারণা
আছে
এবং
সর্বোচ্চ
দুই
ঘর
পর্যন্ত
যোগ-বিয়োগ
শেখানো
হয়।

কিন্তু
ঢাকার
স্কুলগুলোর
প্রথম
শ্রেণির
ভর্তি
পরীক্ষায়
এমন
সব
প্রশ্ন
থাকত,
যেগুলো
দেখলে
মনে
হয়,
শিক্ষার্থী
বুঝি
প্রথম
শ্রেণির
নির্ধারিত
যোগ্যতা
অর্জন
করে
ফেলেছে!
২০১০
সাল
পর্যন্ত
যখন
ভর্তি
পরীক্ষা
চালু
ছিল,
তখন
এমনও
দেখা
গেছে,
‘ভালো’
স্কুলে
ঢোকার
জন্য
দ্বিতীয়
শ্রেণি
পার
হওয়া
শিক্ষার্থীরাও
প্রথম
শ্রেণির
ভর্তি
পরীক্ষা
দিচ্ছে।