যথেষ্ট
সাংবিধানিক
এবং
আইনি
ক্ষমতা
থাকলেও
বাংলাদেশে
নির্বাচন
কমিশন
আদতে
সরকারের
পূর্ণ
সহযোগিতা
ছাড়া
একটি
ভালো
নির্বাচন
করতে
পারে
না।
সে
কারণেই
জুলাই
সনদেও
আমরা
একটি
নির্বাচনকালীন
তত্ত্বাবধায়ক
সরকারের
ব্যাপারে
ঐকমত্য
পোষণ
করেছি।
অন্তর্বর্তীকালীন
সরকার
তার
পুরো
সময়টাতে
আইনশৃঙ্খলা
রক্ষায়
বেশ
ব্যর্থতার
পরিচয়
দিয়েছে।
বাংলাদেশ
আদতে
একটা
মবোক্রেসিতে
পরিণত
হয়েছিল
কি
না,
সেই
প্রশ্ন
যৌক্তিকভাবে
উঠেছিল।
এই
ভঙ্গুর
অবস্থায়
অন্যান্য
ব্যবস্থাপনার
ক্ষেত্রে
ব্যর্থতার
পরিচয়
দেওয়া
সরকারটি
নির্বাচন
পরিচালনায়
কেমন
করবে,
এ
প্রশ্ন
জনগণের
মধ্যে
ছিল।
এমনকি
যখন
প্রধান
উপদেষ্টা
বলতেন,
তাঁরা
ইতিহাসের
শ্রেষ্ঠ
নির্বাচনটি
করতে
যাচ্ছেন,
তখন
সেটাকে
অতিকথন
বলার
মতো
মানুষের
অভাব
ছিল
না।
কিন্তু
শেষ
পর্যন্ত
নির্বাচনের
সার্বিক
ব্যবস্থাপনা
এবং
আইনশৃঙ্খলা
রক্ষায়
যেভাবে
দায়িত্ব
পালন
করেছে
সরকারের
নানা
প্রতিষ্ঠান,
সেটা
আসলে
অনেক
ক্ষেত্রেই
চমকে
দেওয়ার
মতো।
তবে
প্রতিদ্বন্দ্বী
দুই
প্রধান
রাজনৈতিক
দল
খুবই
দায়িত্বশীল
আচরণ
করেছে।
দুই
দলের
দুই
প্রধান
নেতা
পরস্পরের
সমালোচনা
করার
সময়
অত্যন্ত
শালীনতা
বজায়
রেখেছেন।
বাংলাদেশের
রাজনৈতিক
ইতিহাসে
সম্ভবত
আমরা
প্রথমবারের
মতো
দেখলাম,
দুই
সর্বোচ্চ
নেতা
তাঁদের
প্রতিপক্ষের
সমালোচনা
করার
সময়
এমনকি
দলের
নাম
পর্যন্ত
নেননি।
এ
সবকিছু
বিবেচনায়
নিয়েও
বলা
যায়,
এই
অসাধারণ
নির্বাচনটিতে
নির্বাচন
কমিশন
খুব
ভালো
করেছে।
আর
এর
জন্য
অধ্যাপক
ইউনূস
অবশ্যই
একটা
বড়
কৃতিত্ব
দাবি
করতেই
পারেন।
তাঁর
এই
শেষ
সাফল্য
তাঁর
অতীতের
অনেক
ভুলের
ওপর
প্রলেপ
দেবে
নিশ্চয়ই।
এডমিন 







