অনুষ্ঠানের
মূল
প্রতিপাদ্য
‘ভবিষ্যতের
জ্বালানি
ও
বিদ্যুৎ
ব্যবস্থার
জন্য
কৃত্রিম
বুদ্ধিমত্তাচালিত
রোবোটিকস’
প্রসঙ্গে
শিক্ষা
উপদেষ্টা
বলেন,
শক্তি
ও
বিদ্যুৎ
খাতে
কৃত্রিম
বুদ্ধিমত্তা
ও
রোবোটিকস
ব্যবহারের
মাধ্যমে
দক্ষতা
বাড়ানো,
নিরাপত্তা
জোরদার
করা
এবং
টেকসই
উন্নয়ন
নিশ্চিত
করা
সম্ভব।
তিনি
আরও
বলেন,
‘বিদেশি
প্রযুক্তির
ওপর
নির্ভরতা
কমিয়ে
আমাদের
নিজস্ব
গবেষণা
ও
উদ্ভাবনের
মাধ্যমে
দেশকে
স্বনির্ভর
করতে
হবে।
এ
জন্য
শিক্ষার্থী,
শিক্ষক
ও
শিল্প
খাতের
মধ্যে
শক্তিশালী
অংশীদারত্ব
গড়ে
তোলা
জরুরি।’
বুয়েট
ও
নর্থ–ওয়েস্ট
পাওয়ার
জেনারেশন
কোম্পানি
লিমিটেডের
এই
যৌথ
উদ্যোগকে
দৃষ্টান্তমূলক
উল্লেখ
করে
শিক্ষা
উপদেষ্টা
আশা
প্রকাশ
করেন,
এই
আয়োজন
থেকে
ভবিষ্যতের
প্রকৌশলী
ও
বিজ্ঞানীরা
উঠে
আসবেন,
যাঁরা
দেশের
প্রযুক্তিগত
উন্নয়নে
নেতৃত্ব
দেবেন।
অনুষ্ঠানে
বুয়েটের
উপাচার্য,
সংশ্লিষ্ট
অনুষদের
ডিন,
এনডব্লিউপিজিসিএলের
ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তা
ও
দেশের
বিভিন্ন
বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষার্থীরা
অংশ
নেন।
এডমিন 



















