টুর্নামেন্টের
আটটি
দলের
মধ্যে
চারটি,
ম্যানচেস্টার
সুপার
জায়ান্টস,
এমআই
লন্ডন,
সাউদার্ন
ব্রেইভ
এবং
সানরাইজার্স
লিডস—এখন
আংশিকভাবে
আইপিএল
দলগুলোর
মালিকানাধীন
কোম্পানির
অধীন।
বার্মিংহাম
ফিনিক্স,
লন্ডন
স্পিরিট,
ট্রেন্ট
রকেটস
এবং
ওয়েলশ
ফায়ারের
মালিকানা—এই
চার
দলে
আইপিএল
ফ্র্যাঞ্চাইজিদের
মালিকানা
নেই।
পাকিস্তানের
খেলোয়াড়দের
না
নেওয়ার
বিষয়টি
সামনে
আসার
পর
ইংল্যান্ডের
সাবেক
অধিনায়ক
মাইকেল
ভন
ইসিবিকে
দ্রুত
পদক্ষেপ
নিতে
বলেছেন।
ভারত
ও
পাকিস্তানের
মধ্যে
রাজনৈতিক
উত্তেজনার
কারণে
২০০৯
সাল
থেকে
পাকিস্তানি
খেলোয়াড়রা
আইপিএলে
খেলেন
না।
ফ্র্যাঞ্চাইজি
ক্রিকেটের
অন্যান্য
লিগগুলোতেও
একই
ধারা
দেখা
যাচ্ছে।
২০২৩
সালে
শুরু
হওয়া
দক্ষিণ
আফ্রিকার
এসএ২০
লিগে
কোনো
পাকিস্তানি
খেলোয়াড়
নেই,
সেখানকার
ছয়টি
দলের
মালিকই
আইপিএল
ফ্র্যাঞ্চাইজির
সঙ্গে
যুক্ত।
সংযুক্ত
আরব
আমিরাতের
আইএল
টি২০–র
ভারতীয়
মালিকানার
ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোও
চার
মৌসুমে
১৫টি
দেশের
খেলোয়াড়
নিলেও
কোনো
পাকিস্তানি
ক্রিকেটার
নেয়নি।
এডমিন 



















