সপ্রাণের
বিশ্লেষণে
উঠে
এসেছে,
নির্বাচন
ঘিরে
রাজনৈতিক
প্রতিযোগিতা
তীব্র
হলে
সংখ্যালঘু
জনগোষ্ঠীকে
প্রায়ই
কোনো
নির্দিষ্ট
রাজনৈতিক
পক্ষের
সহযোগী
হিসেবে
চিহ্নিত
করে
ভয়ভীতি
প্রদর্শন,
উচ্ছেদ,
শারীরিক
আক্রমণ,
বসতবাড়ি
ও
উপাসনালয়ে
হামলা
এবং
জমি
দখলের
মতো
ঘটনার
শিকার
করা
হয়।
প্রতিবেদনে
যা
আছে
প্রতিবেদনটি
২০০১
ও
২০০৮
সালের
জাতীয়
নির্বাচন
এবং
২০১৪,
২০১৮
ও
২০২৪
সালে
অনুষ্ঠিত
বিতর্কিত
একতরফা
নির্বাচনের
সময়কালকে
কেন্দ্র
করে
প্রস্তুত
করা
হয়েছে।
তথ্যসূত্র
হিসেবে
দেশের
শীর্ষস্থানীয়
দৈনিক
প্রথম
আলো
ও
দ্য
ডেইলি
স্টার-এর
আর্কাইভ
ব্যবহার
করা
হয়েছে।
প্রতিটি
নির্বাচনের
ক্ষেত্রে
ভোট
গ্রহণের
১০
দিন
আগে
থেকে
শুরু
করে
ভোটের
পরবর্তী
১০
দিন
পর্যন্ত
সময়কে
বিশ্লেষণের
আওতায়
আনা
হয়েছে।
প্রতিবেদনে
সহিংসতার
ধরন
অনুযায়ী
তথ্য
শ্রেণিবদ্ধ
করা
হয়েছে—শারীরিক
আক্রমণ
ও
হত্যাকাণ্ড,
অগ্নিসংযোগ,
যৌন
সহিংসতা
এবং
ধর্মীয়
ও
নৃগোষ্ঠীগত
সংখ্যালঘুদের
ওপর
সংঘটিত
ঘটনা
হিসেবে।
সপ্রাণ
জানায়,
অতীতের
তুলনায়
বর্তমান
অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের
সময়ে
সহিংসতার
ধরন
কিছুটা
ভিন্ন।
মাঠপর্যায়ের
উত্তেজনার
পাশাপাশি
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম
নতুন
করে
ঝুঁকির
উৎস
হয়ে
উঠেছে।
গুজব,
পুরোনো
ভিডিও
ও
আবেগপ্রবণ
পোস্ট
দ্রুত
ছড়িয়ে
পড়ে
স্থানীয়
বিরোধকে
সাম্প্রদায়িক
সহিংসতায়
রূপ
দিচ্ছে।
এ
কারণে
রাষ্ট্রীয়
প্রতিষ্ঠানগুলোকে
প্রতিক্রিয়াশীল
হওয়ার
বদলে
আগাম
প্রতিরোধমূলক
ভূমিকা
নিতে
হবে।
এডমিন 



















