তবে
ঘটনার
প্রত্যক্ষদর্শী
ও
স্থানীয়
লোকজনের
ভাষ্য,
ঘটনার
শুরু
ভিন্নভাবে।
ওই
দিন
ভোরে
ভারত
থেকে
দুটি
গরু
চুরি
করে
বাংলাদেশে
নিয়ে
আসেন
হায়দার
আলী।
পরে
স্থানীয়
ইউপি
সদস্য
আনোয়ার
হোসেন
ও
গ্রাম
পুলিশ
আবদুল
মালেক
গরু
দুটি
জব্দ
করেন।
জিজ্ঞাসাবাদে
হায়দার
আলী
বলেন,
গরু
চুরিতে
তাঁকে
সহযোগিতা
করেছেন
সজিব
ও
ফরিদ।
এরপর
তাঁদের
নিজ
নিজ
বাসা
থেকে
ডেকে
এনে
স্থানীয়
বাজারে
নেওয়া
হয়
এবং
একপর্যায়ে
বিজিবির
হাতে
তুলে
দেওয়া
হয়।
স্থানীয়
লোকজনের
দাবি,
ওই
সময়
আটক
ব্যক্তিদের
কাছে
কোনো
মাদক
ছিল
না।
পরে
বিএসএফের
সঙ্গে
পতাকা
বৈঠকের
মাধ্যমে
জব্দ
করা
গরু
দুটি
বিজিবি
ভারতে
ফেরত
দেয়।
কিন্তু
গরু
চুরির
ঘটনায়
মামলা
না
দিয়ে
মাদকের
মামলা
করায়
সন্দেহ
তৈরি
হয়।
এ
বিষয়ে
গ্রাম
পুলিশ
আবদুল
মালেক
বলেন,
গরু
চুরির
ঘটনায়
জড়িত
থাকায়
সজিব
ও
ফরিদকে
বাসা
থেকে
ডেকে
এনে
বিজিবির
কাছে
দেওয়া
হয়েছে।
তাঁদের
কাছে
কোনো
মাদক
ছিল
না।
এডমিন 














