যা–ই
হোক,
বাজেট–স্বল্পতার
কারণে
এই
ছবির
সঙ্গে
যুক্ত
কেউই
পেশাদার
অভিনয়শিল্পী
ছিলেন
না।
সবাই
চাকরি
করতেন।
বেশির
ভাগেরই
আগে
কখনোই
ক্যামেরার
সামনে
দাঁড়ানোর
কোনো
অভিজ্ঞতাই
ছিল
না।
শুধু
তাই
নয়,
সপ্তাহের
শনিবারে
ছুটির
দিন
বেছে
নিতেন
শুটিং
করতে।
ওই
দিন
কোনো
ঝামেলা
হলে
আর
শুটিং
করা
হতো
না।
কখনো
১৫
থেকে
২০
মিনিট
শুটিংয়ের
সময়
পেতেন।
তবে
শুটিং
শেষ
করতে
হবে,
এমন
তাড়াহুড়া
ছিল
না।
স্বপ্ন
ছিল
সিনেমা
বানাতে
হবে।
অল্প
টাকায়
সিনেমা
বানানোর
কারণে
নোলানের
ভরসা
ছিল,
অতিসাধারণ
এক
ক্যামেরার
ওপর।
যে
ক্যামেরার
সঙ্গে
আর
তেমন
কোনো
সরঞ্জাম
ছিল
না।
যে
কারণে
‘ফলোয়িং’
সিনেমার
বেশির
ভাগ
শুটিং
হ্যান্ডি
শর্ট
(হ্যান্ডহেল্ড)।
উটকো
ঝামেলা
এড়াতে
প্রচুর
জনসাধারণ
এমন
জায়গায়
কোনো
শুটিং
রাখা
হয়নি।
লোকেশনের
সংখ্যাও
ছিল
হাতে
গোনা।
লোকেশন
ভাড়া
করে
শুটিং
করার
মানেই
ছিল
বিলাসিতার
মতো
ব্যাপার।
যে
কারণে
সিনেমার
লোকেশন
ছিল
বন্ধুর
বাসা।
শিল্পীরাও
বন্ধু
ও
কাছের
মানুষ।
চুপিচাপে
সপ্তাহের
এক
দিন
শুটিং,
এ
জন্য
বাড়তি
ঝামেলা
নেই।
খরচ
কমাতে
সিনেমার
সব
কলাকুশলীকে
আগে
বলে
দেওয়া
হয়েছিল
নিজেকেই
কস্টিউম
আনতে
হবে।
২৮
বছরের
নোলানের
কাছে
সিনেমা
নির্মাণে
কোনো
কিছুই
বাধা
হতে
পারেনি।
কারণ,
লক্ষ্য
ছিল
সিনেমা
বানানো।
তিনি
বহুবার
একই
কথা
সাক্ষাৎকারে
বলেছেন।
শুটিংয়ের
পর
দীর্ঘ
সময়
ধরে
চলে
পোস্টের
কাজ।
একে
ওকে
ধরে
পোস্টের
কাজ
শুরু
হয়।
খরচ
কমাতে
‘ট্রান্সপোটিং’
সিনেমার
সাউন্ড
ট্র্যাক
এতে
ব্যবহার
করা
হয়।
সিনেমার
দৈর্ঘ্য
ছিল
১
ঘণ্টা
৯
মিনিট।
সব
কাজ
শেষে
সিনেমাটি
সেই
সময়
রিলিজ
করতেও
হিমশিম
খেতে
হয়।
কিন্তু
কোনো
কিছুই
এতে
বাধা
হয়ে
দাঁড়ায়নি।
আইএমডিবি
থেকে
জানা
যায়,
যুক্তরাজ্য
ও
কানাডার
বাজার
থেকে
সিনেমাটি
৪৮
হাজার
ডলার
আয়
করে।
সিনেমাটি
সেই
সময়ে
গুটিকয়
সমালোচকের
নজরে
পড়ে।
বেশির
ভাগই
গল্প
ও
নির্মাণশৈলীর
প্রশংসা
করেন।
মাত্র
৪৮
হাজার
ডলার
আয়
করা
সেই
সিনেমা
১৯৯৮
সালেই
নজরে
পড়ে
হলিউডের
বড়
প্রযোজনা
প্রতিষ্ঠানের।
সেই
প্রযোজনা
প্রতিষ্ঠান
আর
কেউ
নয়,
বিশ্ব
বিখ্যাত
ওয়ার্নার
ব্রস।
এডমিন 



















