ধানের
শীষ
ও
দাঁড়িপাল্লার
ভোট
পর্যালোচনা
করলে
দেখা
যায়,
তিন
উপজেলাতেই
জামায়াত
প্রার্থী
ইলিয়াস
মোল্লা
জয়লাভ
করলেও
সবচেয়ে
বেশি
ভোটের
ব্যবধানে
তিনি
জিতেছেন
আলফাডাঙ্গা
উপজেলায়।
তিনি
মধুখালী
উপজেলার
বাসিন্দা
হলেও
সেখানে
তিনি
সবচেয়ে
কম
ভোটে
জিতেছেন।
এ
উপজেলায়
ধানের
শীষের
সঙ্গে
দাঁড়িপাল্লার
ভোটের
ব্যবধান
১
হাজার
৬৬২
ভোট।
বিএনপি
প্রার্থী
খন্দকার
নাসিরুল
ইসলামের
নিজ
উপজেলা
বোয়ালমারীতে
জামায়াত
প্রার্থী
জিতেছেন
৯
হাজার
৮০৩
ভোটের
ব্যবধানে।
আলফাডাঙ্গায়
জামায়াত
প্রার্থী
জিতেছেন
১৪
হাজার
৭৩২
ভোটের
ব্যবধানে।
আওয়ামী
লীগের
দুর্গ
আলফাডাঙ্গায়
এত
ভোটে
জামায়াত
প্রার্থীর
জয়লাভের
নেপথ্যের
কারণ
কী,
তা
জানতে
এই
প্রতিবেদক
কয়েকজন
আওয়ামী
লীগ
নেতার
সঙ্গে
কথা
বলেছেন।
স্থানীয়
আওয়ামী
লীগের
নেতাদের
ভাষ্য,
মামলা
দিয়ে
আওয়ামী
লীগ,
মুক্তিযোদ্ধা,
সাংবাদিক,
ছাত্র,
শিক্ষকদের
হয়রানি
করার
ক্ষোভের
বহিঃপ্রকাশ
এবং
বিএনপির
অভ্যন্তরীণ
বিরোধ
দলটির
প্রার্থীর
পরাজয়ে
ভূমিকা
রেখেছে।
খোঁজ
নিয়ে
জানা
গেছে,
২০২৫
সালের
জানুয়ারি
মাসে
আলফাডাঙ্গা
পৌর
সদরের
বাসিন্দা
বিএনপির
সমর্থক
দিনমজুর
লাবলু
সর্দারকে
বাদী
করে
বিএনপি
প্রার্থী
খন্দকার
নাসিরুল
ইসলামের
দুই
সমর্থক
উপজেলা
আওয়ামী
লীগের
২
নেতাসহ
১৭০
জনের
নাম
উল্লেখ
করে
এবং
অজ্ঞাতনামা
আড়াই
থেকে
তিন
হাজার
ব্যক্তিকে
আসামি
করে
একটি
মামলা
করান।
এডমিন 









