বাবুডাইং
আলোর
পাঠশালার
৯ম
শ্রেণির
শিক্ষার্থী
জিতু
মুরমু।
বাবুডাইং
আলোর
পাঠশালায়
শুরু
থেকেই
পড়াশোনা
করছে
এবং
বর্তমানে
সে
এই
বিদ্যালেয়
তার
পড়ালেখা
চালিয়ে
যাচ্ছে।
সে
বরাবরই
লেখাপড়ার
পাশাপাশি
বিদ্যালয়ে
উপস্থিতির
হারও
ভালো।
বাড়ি
থেকে
বাবুডাইং
আলোর
পাঠশালার
দূরত্ব
প্রায়
১.৫
কিলোমিটার।
বাবুডাইং
শান্তি
পাড়া
গ্রামের
জুরিন
মুরমু
এবং
পারুল
টুডু
দম্পতির
প্রথম
সন্তান
জিতু।
তারা
তিন
ভাই।
তার
ছোট
দুই
ভাইও
বাবুডাইং
আলোর
পাঠশালার
শিক্ষার্থী।
ইন্দ্রজিত
মুরমু
তৃতীয়
এবং
সন্দীপ
মুরমু
দ্বিতীয়
শ্রেণিতে
পড়ালেখা
করছে।
জিতুর
বাবা
জুরিন
মুরমু
একজন
দিনমজুর,
নিজের
তেমন
জমি-জমা
নেই।
অন্যের
জমিতে
কাজ
করে
যা
পান
তা
দিয়ে
সংসার
চালান।
কঠোর
পরিশ্রম
করছেন
ছেলেকে
মানুষ
করে
গড়ে
তোলার
জন্য।
জিতুর
বাবা
বলেন,‘আমার
ছেলে
জিতু
লেখাপড়া
পড়ায়
বেশ
মনোযোগী
এবং
আগ্রহী।
সে
নিয়মিত
বিদ্যালয়ে
যায়।
আমরা
অভাব
অনটনের
কারণে
লেখাপড়া
করতে
পারিনি
কিন্তু
আমরা
আমাদের
সন্তানদের
লেখাপড়া
করাতে
চাই।
বাবুডাইং
আলোর
পাঠশালা
অনেক
ভালো
একটা
স্কুল,
যেখানে
লেখাপড়া
করাতে
কোন
খরচ
লাগে
না।
আমাদের
মতো
গরিব
মানুষের
জন্য
আলোর
পাঠশালা
পড়ালেখার
একমাত্র
স্থান।
বিনা
খরচে
যেমন
পড়ার
সুযোগ
আছে
তেমনি
আরও
বিভিন্ন
সময়
অনেক
অনুদান
পেয়ে
থাকি
আলোর
পাঠশালা
থেকে।
বাবুডাইং
আলোর
পাঠশালার
শিক্ষক
অনেক
আন্তরিক।
শিক্ষকেরা
আমাদের
ছেলেদের
স্কুলে
না
গেলে
ফোন
দেন,
খোঁজ-খবর
নেন।
ধন্যবাদ
প্রথম
আলো
ট্রাস্ট
ও
বাবুডাইং
আলোর
পাঠশালাকে।’
এডমিন 

















