ইটিএফ
ও
খুচরা
বিনিয়োগকারীদের
চাহিদা
সোনাভিত্তিক
এক্সচেঞ্জ-ট্রেডেড
ফান্ডে
(ইটিএফ)
বিনিয়োগ
বৃদ্ধির
কারণেও
সোনার
দাম
তরতর
করে
বাড়ছে।
বাজারের
ধারণা,
যুক্তরাষ্ট্রে
সুদের
হার
আরও
কমতে
পারে।
সুদহার
কমলে
ব্যাংকে
টাকা
রেখে
আগের
মতো
লাভ
মেলে
না।
এই
পরিবর্তন
শুধু
ব্যাংক
হিসাবের
জন্যই
নয়,
বাজারে
সোনার
ক্ষেত্রেও
বড়
প্রভাব
ফেলছে।
সুদ
কমে
গেলে
যেহেতু
বন্ডে
বিনিয়োগের
মুনাফা
কমে
যায়,
সেহেতু
বিনিয়োগকারীরা
সহজেই
সোনার
দিকে
ঝুঁকে
পড়েন।
অর্থাৎ
সোনা
কিনে
লাভ
কম
হবে,
এমন
সম্ভাবনা
কমে
যাচ্ছে।
গ্যাবেলি
গোল্ড
ফান্ডের
সহব্যবস্থাপক
ক্রিস
মানচিনি
বলেন,
সোনায়
সুদ
পাওয়া
যায়
না
ঠিক,
কিন্তু
সুদের
হার
কমলে
এই
বিষয়ও
আর
অসুবিধাজনক
বলে
মনে
হয়
না।
ফেড
যদি
২০২৬
সালে
সুদ
কমাতে
থাকে,
তাহলে
সোনার
চাহিদা
আরও
বাড়বে।
ওয়ার্ল্ড
গোল্ড
কাউন্সিলের
তথ্য
অনুযায়ী,
২০২৫
সালে
সোনাভিত্তিক
ইটিএফে
বিনিয়োগ
হয়েছে
৮৯
বিলিয়ন
ডলার।
পরিমাণের
হিসাবে
৮০১
টন,
২০২০
সালের
পর
যা
সর্বোচ্চ,
অর্থাৎ
নতুন
রেকর্ড।
এদিকে
বেশি
দামের
কারণে
সোনার
গহনার
চাহিদা
কিছুটা
কমেছে।
এই
পরিস্থিতিতে
ভারতসহ
গুরুত্বপূর্ণ
বাজারগুলোতে
সোনার
ছোট
বার
ও
কয়েনের
চাহিদা
বেড়েছে।
ইউরোপেও
এ
রকম
প্রবণতা
দেখা
যাচ্ছে,
যদিও
কিছু
বিনিয়োগকারী
মুনাফা
তুলে
নিচ্ছেন।
এডমিন 

















