দুদকের
অভিযোগ
অনুযায়ী,
জ্ঞাত
আয়বহির্ভূত
১৪
কোটি
৮৬
লাখ
৯৭
হাজার
৪৭০
টাকার
সম্পদের
পাশাপাশি
সন্দেহজনক
ওই
লেনদেনের
৬
কোটি
৬৫
লাখ
৭০
হাজার
৭৮০
টাকা
মিলিয়ে
মোট
২১
কোটি
৫২
লাখ
৬৮
হাজার
২৫০
টাকার
অর্থ
ও
সম্পদের
উৎস
গোপনের
উদ্দেশ্যে
অর্থ
পাচার
করা
হয়েছে।
এ
ঘটনায়
মানি
লন্ডারিং
প্রতিরোধ
আইন,
২০১২–এর
৪(২)
ও
৪(৩)
ধারায়
অভিযোগ
আনা
হয়েছে।
তদন্তে
লুৎফুল
তাহমিনার
নামে
থাকা
স্থাবর
সম্পদের
মধ্যে
ফ্ল্যাট,
জমি
ও
দোকান
রয়েছে।
আর
অস্থাবর
সম্পদের
মধ্যে
রয়েছে
ব্যবসার
শেয়ার,
ব্যাংক
ব্যালেন্স,
এফডিআর,
সঞ্চয়পত্র
এবং
যাত্রী
পরিবহনের
বাস।
মামলাটির
তদন্ত
করেন
দুদকের
উপপরিচালক
(বিশেষ
অনুসন্ধান
ও
তদন্ত–১)
মুহাম্মদ
জয়নাল
আবেদীন।
তদন্ত
শেষে
তিনি
অভিযোগপত্র
দাখিলের
সুপারিশ
করেন।
এডমিন 














