০৭:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ওসির স্বাক্ষর জাল করে পুলিশ বেতন-ভাতা আত্মসাৎ, দুদকের মামলা

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:৪৭:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫
  • 48

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসির স্বাক্ষর জাল করে বেতন-ভাতা বাবদ পুলিশের ১০ লাখ ১৫ হাজার ২৫০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একই থানার কনস্টেবল জুয়েল আহমেদ-এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মামলাটি ১৩ আগস্ট দুদকের কক্সবাজার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে দায়ের করা হয়। দুদকের কক্সবাজার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক অনিক বড়ুয়া বাবু বলেন, এ ঘটনায় পূর্ণ তদন্ত করা হবে। কেউ জড়িত থাকলে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত বছরের ২১ নভেম্বর থানায় যোগদান করা ওসি মো. ইলিয়াস খান-এর অধীনে কনস্টেবল জুয়েল আহমেদ রেজিস্টারের দায়িত্বে নিযুক্ত ছিলেন। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তিনি ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২২টি চেকের মাধ্যমে সরকারি টাকা আত্মসাৎ করেন।

পরবর্তীতে ২৪ মার্চ থেকে কর্মস্থল থেকে অনুপস্থিত থাকার পর ২৭ এপ্রিল জুয়েল আহমেদকে ঢাকার বসুন্ধরা সিটি কমপ্লেক্স থেকে আটক করা হয়। এরপর ২৯ এপ্রিল কক্সবাজার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

ওসি মো. ইলিয়াস খান বলেন, আমার মনে হয় না জুয়েল ছাড়া অন্য কেউ জড়িত আছে। তবে দুদকের তদন্তে সব তথ্য বেরিয়ে আসবে। মামলার প্রাথমিক অভিযোগে বলা হয়েছে, কক্সবাজার সদর মডেল থানার একটি সঙ্গবদ্ধ চক্রও ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।

সালাউদ্দিন/সাএ

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ‘ভয়েস ফর জাস্টিস অবজারভার্স’ দলের সাক্ষাৎ 

ওসির স্বাক্ষর জাল করে পুলিশ বেতন-ভাতা আত্মসাৎ, দুদকের মামলা

আপডেট সময়ঃ ০৬:৪৭:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসির স্বাক্ষর জাল করে বেতন-ভাতা বাবদ পুলিশের ১০ লাখ ১৫ হাজার ২৫০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একই থানার কনস্টেবল জুয়েল আহমেদ-এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মামলাটি ১৩ আগস্ট দুদকের কক্সবাজার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে দায়ের করা হয়। দুদকের কক্সবাজার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক অনিক বড়ুয়া বাবু বলেন, এ ঘটনায় পূর্ণ তদন্ত করা হবে। কেউ জড়িত থাকলে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত বছরের ২১ নভেম্বর থানায় যোগদান করা ওসি মো. ইলিয়াস খান-এর অধীনে কনস্টেবল জুয়েল আহমেদ রেজিস্টারের দায়িত্বে নিযুক্ত ছিলেন। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তিনি ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২২টি চেকের মাধ্যমে সরকারি টাকা আত্মসাৎ করেন।

পরবর্তীতে ২৪ মার্চ থেকে কর্মস্থল থেকে অনুপস্থিত থাকার পর ২৭ এপ্রিল জুয়েল আহমেদকে ঢাকার বসুন্ধরা সিটি কমপ্লেক্স থেকে আটক করা হয়। এরপর ২৯ এপ্রিল কক্সবাজার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

ওসি মো. ইলিয়াস খান বলেন, আমার মনে হয় না জুয়েল ছাড়া অন্য কেউ জড়িত আছে। তবে দুদকের তদন্তে সব তথ্য বেরিয়ে আসবে। মামলার প্রাথমিক অভিযোগে বলা হয়েছে, কক্সবাজার সদর মডেল থানার একটি সঙ্গবদ্ধ চক্রও ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।

সালাউদ্দিন/সাএ