গাজীপুর-৫ সংসদীয় আসনে বড় ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এ কে এম ফজলুল হক মিলন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৫৬ হাজার ১৩০ ভোট বেশি পেয়ে তিনি বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে ঘোষিত ১২৪টি কেন্দ্রের ফলাফল বিশ্লেষণে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। নির্বাচনী ফলাফল ও প্রাপ্ত ভোট ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, বিএনপি প্রার্থী এ কে এম ফজলুল হক মিলন পেয়েছেন ১ লক্ষ ৩২ হাজার ৮৯১ ভোট। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. খায়রুল হাসান (দাঁড়ি পাল্লা প্রতীক) পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৭৬১ ভোট। নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লক্ষ ৫০ হাজার ৯৬৬ জন। এর মধ্যে ২ লক্ষ ২৭ হাজার ৪৪৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। কাস্টিং ভোটের মধ্যে ৪ হাজার ২৭৬টি ভোট বিভিন্ন কারণে বাতিল হওয়ায় বৈধ ভোটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লক্ষ ২৩ হাজার ১৬৭টি।
ভোটের পরিবেশ ও অন্যান্য প্রার্থীর অবস্থান বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ১২৪টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলে। সারাদিন কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি; অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাররা তাদের রায় প্রদান করেছেন। গণনা শেষে রাত ১২টার দিকে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী অন্য প্রার্থীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়েছেন জনতার দলের আজম খান (কলম প্রতীক), তাঁর প্রাপ্ত ভোট ৬ হাজার ৫৬০টি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গাজী আতাউর রহমান (হাতপাখা) পেয়েছেন ৪ হাজার ৪১৫ ভোট। অন্যদিকে, জাতীয় পার্টির ডা. মো. সফিউদ্দিন সরকার (লাঙ্গল) ১ হাজার ৪৮৪ ভোট এবং ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের আল আমিন দেওয়ান (চেয়ার) ৮৩৬ ভোট পেয়েছেন। এছাড়া গণফোরামের কাজল ভূঁইয়া (উদীয়মান সূর্য) পেয়েছেন মাত্র ২২০ ভোট।
বিজয় উল্লাস ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই ধানের শীষের সমর্থক ও সাধারণ কর্মীদের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বয়ে যাচ্ছে। রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় এলাকায় জড়ো হওয়া নেতা-কর্মীরা এই জয়কে ‘গণতন্ত্রের বিজয়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ফজলুল হক মিলন তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এলাকার উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
সালাউদ্দিন/সাএ
এডমিন 
















