১২:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণে গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ০৫:৪৩:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • 5

বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (৯ জুন) পালিতব্য বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস উপলক্ষে সোমবার (৮ জুন) দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে উদ্ভাবন, আস্থা এবং টেকসই উন্নয়ন একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির অন্যতম ভিত্তি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত পণ্য ও সেবার নিরাপত্তা, গুণগত মান এবং নির্ভরযোগ্যতার গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়। প্রতি বছর ৯ জুন ইন্টারন্যাশনাল অ্যাক্রেডিটেশন ফোরাম (আইএএফ) এবং ইন্টারন্যাশনাল ল্যাবরেটরি অ্যাক্রেডিটেশন কো-অপারেশন (আইএলএসি) প্রতি বছর ৯ জুন বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস হিসেবে পালন করে।

তিনি বলেন, বর্তমানে ভোক্তারা শুধু পণ্যের মান নয়, উৎপাদন প্রক্রিয়ার নৈতিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং পরিবেশগত প্রভাবও বিবেচনায় নেন। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখতে হলে টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, অ্যাক্রেডিটেশন একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মান নিশ্চিতকরণ ব্যবস্থা, যা নির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতে পণ্য ও সেবার গুণগত মান যাচাই করে। এটি কেবল একটি স্বীকৃতি নয়, বরং দেশের শিল্পখাতকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।

তিনি জানান, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড দেশের পণ্য ও সেবার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে কাজ করছে। এ পর্যন্ত সংস্থাটি ১৬৮টি সরকারি, বেসরকারি ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানকে অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান করেছে। বর্তমানে পাঁচটি ক্ষেত্রভিত্তিক স্কিমের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস দেশের মান অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে এবং উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

সাজু/নিএ

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

শহীদ জিয়ার শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁতীদলের আলোচনা সভা

টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণে গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময়ঃ ০৫:৪৩:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (৯ জুন) পালিতব্য বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস উপলক্ষে সোমবার (৮ জুন) দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে উদ্ভাবন, আস্থা এবং টেকসই উন্নয়ন একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির অন্যতম ভিত্তি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত পণ্য ও সেবার নিরাপত্তা, গুণগত মান এবং নির্ভরযোগ্যতার গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়। প্রতি বছর ৯ জুন ইন্টারন্যাশনাল অ্যাক্রেডিটেশন ফোরাম (আইএএফ) এবং ইন্টারন্যাশনাল ল্যাবরেটরি অ্যাক্রেডিটেশন কো-অপারেশন (আইএলএসি) প্রতি বছর ৯ জুন বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস হিসেবে পালন করে।

তিনি বলেন, বর্তমানে ভোক্তারা শুধু পণ্যের মান নয়, উৎপাদন প্রক্রিয়ার নৈতিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং পরিবেশগত প্রভাবও বিবেচনায় নেন। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখতে হলে টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, অ্যাক্রেডিটেশন একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মান নিশ্চিতকরণ ব্যবস্থা, যা নির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতে পণ্য ও সেবার গুণগত মান যাচাই করে। এটি কেবল একটি স্বীকৃতি নয়, বরং দেশের শিল্পখাতকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।

তিনি জানান, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড দেশের পণ্য ও সেবার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে কাজ করছে। এ পর্যন্ত সংস্থাটি ১৬৮টি সরকারি, বেসরকারি ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানকে অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান করেছে। বর্তমানে পাঁচটি ক্ষেত্রভিত্তিক স্কিমের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস দেশের মান অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে এবং উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

সাজু/নিএ