সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম
এক্সে
দেওয়া
সর্বশেষ
বার্তায়
যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী
রেজা
পাহলভি
বলেছেন,
‘আমাদের
লক্ষ্য
এখন
আর
শুধু
রাস্তায়
নামা
নয়,
শহরগুলোর
কেন্দ্রস্থল
দখল
ও
ধরে
রাখার
প্রস্তুতি
নিতে
হবে।’
তিনি
অর্থনীতির
গুরুত্বপূর্ণ
খাত,
বিশেষ
করে
পরিবহন,
তেল,
গ্যাস
ও
জ্বালানি
খাতের
শ্রমিক
ও
কর্মচারীদের
দেশব্যাপী
ধর্মঘটে
যাওয়ার
আহ্বান
জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার
মার্কিন
প্রেসিডেন্ট
ডোনাল্ড
ট্রাম্প
অবশ্য
জানিয়ে
দিয়েছেন,
তিনি
আপাতত
পাহলভির
সঙ্গে
সাক্ষাতে
আগ্রহী
নন।
এতে
ইঙ্গিত
স্পষ্ট
যে
সংকট
কোন
দিকে
যায়,
তা
দেখেই
তিনি
বিরোধী
নেতৃত্বের
বিষয়ে
অবস্থান
নেবেন।
এর
আগে
গত
সপ্তাহে
ট্রাম্প
সতর্ক
করে
বলেছিলেন,
যুক্তরাষ্ট্র
বিক্ষোভকারীদের
সহায়তায়
এগিয়ে
আসতে
পারে।
শুক্রবার
তিনি
আরও
কড়া
হুঁশিয়ারি
দিয়ে
বলেন,
‘তোমরা
যদি
গুলি
চালাও,
আমরাও
গুলি
চালাব।’
মার্কিন
প্রেসিডেন্ট
আরও
বলেন,
‘আমি
শুধু
চাই,
ইরানের
বিক্ষোভকারীরা
নিরাপদ
থাকুক।
পরিস্থিতি
এখন
খুবই
বিপজ্জনক।’
রাজপথে
কিছু
বিক্ষোভকারী
অবশ্য
পাহলভির
পক্ষে
স্লোগান
দিয়েছেন।
‘শাহ
দীর্ঘজীবী
হোক’—এমন
স্লোগানও
শোনা
গেছে।
তবে
অধিকাংশ
স্লোগানে
বর্তমান
সরকারের
শাসনের
অবসান
এবং
অর্থনৈতিক
সংকট
সমাধানের
দাবি
তোলা
হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র
ও
পশ্চিমা
দেশগুলোর
আন্তর্জাতিক
নিষেধাজ্ঞায়
থাকা
ইরানের
অর্থনীতি
নাজুক
অবস্থায়
রয়েছে।
এর
মধ্যে
গত
বছরের
জুনে
১২
দিনের
যুদ্ধে
ইসরায়েল
ও
যুক্তরাষ্ট্রের
বিমান
হামলায়
দেশটির
অর্থনীতি
আরও
ক্ষতিগ্রস্ত
হয়েছে।
এডমিন 














