একাধিক
শ্রমিকের
অভিযোগ,
তদন্ত
কমিটিতে
শ্রমিক
পক্ষের
কোনো
প্রতিনিধিত্ব
ছিল
না
ও
একতরফাভাবে
সিদ্ধান্ত
চাপিয়ে
দেওয়া
হয়েছে।
সংবাদ
সম্মেলনে
শ্রমিকনেতারা
বলেন,
বেআইনিভাবে
ইউনিয়ন
নেতাদের
হয়রানি
ও
চাকরিচ্যুত
করে
শ্রমিকদের
ন্যায্য
দাবিকে
দমন
করার
চেষ্টা
চলছে।
এটি
শ্রম
আইনের
সুস্পষ্ট
লঙ্ঘন
ও
ট্রেড
ইউনিয়ন
অধিকারচর্চার
ওপর
সরাসরি
আঘাত।
মনীষা
চক্রবর্ত্তী
বলেন,
‘শ্রমিকদের
পেটে
লাতি
মারার
এ
অমানবিক
কাজ
আমরা
কোনোভাবেই
মেনে
নেব
না।
আমাদের
দাবি,
অবিলম্বে
চাকরিচ্যুত
দুই
শ্রমিকনেতাকে
কাজে
ফিরিয়ে
নিতে
হবে।
অন্যথায়
এ
অন্যায়ের
বিরুদ্ধে
কঠোর
আন্দোলন
চলবে।
দাবি
না
আদায়
হওয়া
পর্যন্ত
ঘরে
ফেরার
সুযোগ
নেই।’
এডমিন 














