০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইউক্রেন যুদ্ধের ৪ বছর পূর্তি, প্রভাব টের পাচ্ছে রাশিয়া

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 0

যুদ্ধ
মানেই
বিশাল
আর্থিক
ক্ষতি।
রাশিয়ার
বাজেট–ঘাটতি
বাড়ছে
এবং
অর্থনীতি
স্থবির
হয়ে
পড়েছে।
পরিস্থিতি
সামাল
দিতে
সরকার
ভ্যাট
২০
শতাংশ
থেকে
বাড়িয়ে
২২
শতাংশ
করেছে।
এই
অতিরিক্ত
অর্থ
প্রতিরক্ষা

নিরাপত্তা
খাতে
ব্যয়
করা
হবে।

রুশ
রাষ্ট্রীয়
টেলিভিশন
জনগণকে
ধৈর্য
ধরার
পরামর্শ
দিচ্ছে।
ক্ষুদ্র
ব্যবসায়ীরা
এখন
এই
চাপে
পিষ্ট
হচ্ছেন।
ইয়েলেতসের
একটি
বেকারিগুলোতেও
অর্থনৈতিক
মন্দা
আর
কর
বৃদ্ধির
ধাক্কা
লেগেছে।
একটি
বেকারির
মালিক
আনাস্তাসিয়া
বাইকোভা
বলেন,
‘আমাদের
দাম
বাড়াতে
হয়েছে।
কারণ
বিদ্যুৎ
বিল,
ভাড়াসহ
সবই
বেড়ে
গেছে।’

সুন্দর
আগামীর
প্রত্যাশা
ইয়েলেতস
থেকে
এক
ঘণ্টার
দূরত্বে
আঞ্চলিক
রাজধানী
লিপেতস্ক।
সেখানেও
যুদ্ধের
স্মৃতিচিহ্ন
আরও
প্রকট।
সেখানে
নিজের
অ্যাপার্টমেন্টের
সিঁড়িতে
দাঁড়িয়ে
ইভান
পাভলোভিচ
এখন
যুদ্ধ
নয়,
বরং
একটি
ফুটো
পাইপ
নিয়ে
বেশি
চিন্তিত।
দেয়ালের
কোণে
বরফ
জমে
আছে,
লিফটও
কাজ
করছে
না।
তিনি
ভীষণ
ক্ষুব্ধ।
কারণ
কেউ
এটি
মেরামত
করতে
আসেনি।
দ্রব্যমূল্যের
ঊর্ধ্বগতি
আর
বিদ্যুৎ
বিল
নিয়েও
তাঁর
অনেক
ক্ষোভ।
ইভান
বললেন,
‘বিশেষ
সামরিক
অভিযান
চমৎকার
একটি
বিষয়।
সমস্যা
শুধু
জিনিসের
দাম
বেড়েই
চলেছে।
পেনশন
বাড়ে
ঠিকই,
কিন্তু
জিনিসের
দাম
বাড়ে
তার
চেয়ে
বেশি।
তাহলে
আমার
লাভ
কী
হলো?
কিছুই
না।’
রাশিয়ার
সাধারণ
মানুষ
অনুভব
করছেন,
জীবন
দিন
দিন
কঠিন
হয়ে
উঠছে।
কিন্তু
খুব
কম
মানুষই
বিশ্বাস
করেন
যে
এটি
পরিবর্তন
করার
ক্ষমতা
তাদের
হাতে
আছে।
যুদ্ধ
যখন
পঞ্চম
বছরে
পা
রাখছে,
মানুষের
মনে
তখন
আশাবাদ
খুব
সামান্যই।
এখানকার
অনেকেই
এখন
নিজেদের
গুটিয়ে
নিয়েছেন।
শুধু
অপেক্ষায়
আছেন
এক
সুন্দর
আগামীর
প্রত্যাশায়।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

ইউক্রেন যুদ্ধের ৪ বছর পূর্তি, প্রভাব টের পাচ্ছে রাশিয়া

আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যুদ্ধ
মানেই
বিশাল
আর্থিক
ক্ষতি।
রাশিয়ার
বাজেট–ঘাটতি
বাড়ছে
এবং
অর্থনীতি
স্থবির
হয়ে
পড়েছে।
পরিস্থিতি
সামাল
দিতে
সরকার
ভ্যাট
২০
শতাংশ
থেকে
বাড়িয়ে
২২
শতাংশ
করেছে।
এই
অতিরিক্ত
অর্থ
প্রতিরক্ষা

নিরাপত্তা
খাতে
ব্যয়
করা
হবে।

রুশ
রাষ্ট্রীয়
টেলিভিশন
জনগণকে
ধৈর্য
ধরার
পরামর্শ
দিচ্ছে।
ক্ষুদ্র
ব্যবসায়ীরা
এখন
এই
চাপে
পিষ্ট
হচ্ছেন।
ইয়েলেতসের
একটি
বেকারিগুলোতেও
অর্থনৈতিক
মন্দা
আর
কর
বৃদ্ধির
ধাক্কা
লেগেছে।
একটি
বেকারির
মালিক
আনাস্তাসিয়া
বাইকোভা
বলেন,
‘আমাদের
দাম
বাড়াতে
হয়েছে।
কারণ
বিদ্যুৎ
বিল,
ভাড়াসহ
সবই
বেড়ে
গেছে।’

সুন্দর
আগামীর
প্রত্যাশা
ইয়েলেতস
থেকে
এক
ঘণ্টার
দূরত্বে
আঞ্চলিক
রাজধানী
লিপেতস্ক।
সেখানেও
যুদ্ধের
স্মৃতিচিহ্ন
আরও
প্রকট।
সেখানে
নিজের
অ্যাপার্টমেন্টের
সিঁড়িতে
দাঁড়িয়ে
ইভান
পাভলোভিচ
এখন
যুদ্ধ
নয়,
বরং
একটি
ফুটো
পাইপ
নিয়ে
বেশি
চিন্তিত।
দেয়ালের
কোণে
বরফ
জমে
আছে,
লিফটও
কাজ
করছে
না।
তিনি
ভীষণ
ক্ষুব্ধ।
কারণ
কেউ
এটি
মেরামত
করতে
আসেনি।
দ্রব্যমূল্যের
ঊর্ধ্বগতি
আর
বিদ্যুৎ
বিল
নিয়েও
তাঁর
অনেক
ক্ষোভ।
ইভান
বললেন,
‘বিশেষ
সামরিক
অভিযান
চমৎকার
একটি
বিষয়।
সমস্যা
শুধু
জিনিসের
দাম
বেড়েই
চলেছে।
পেনশন
বাড়ে
ঠিকই,
কিন্তু
জিনিসের
দাম
বাড়ে
তার
চেয়ে
বেশি।
তাহলে
আমার
লাভ
কী
হলো?
কিছুই
না।’
রাশিয়ার
সাধারণ
মানুষ
অনুভব
করছেন,
জীবন
দিন
দিন
কঠিন
হয়ে
উঠছে।
কিন্তু
খুব
কম
মানুষই
বিশ্বাস
করেন
যে
এটি
পরিবর্তন
করার
ক্ষমতা
তাদের
হাতে
আছে।
যুদ্ধ
যখন
পঞ্চম
বছরে
পা
রাখছে,
মানুষের
মনে
তখন
আশাবাদ
খুব
সামান্যই।
এখানকার
অনেকেই
এখন
নিজেদের
গুটিয়ে
নিয়েছেন।
শুধু
অপেক্ষায়
আছেন
এক
সুন্দর
আগামীর
প্রত্যাশায়।