নীল
পাখিটিই
তখন
আবুল
হাসান।
আমাদের
নাগরিক
চেতনা,
স্বদেশচিন্তা,
ব্যক্তিগত
বিষয়-আশয়
আর
প্রেমের
যুগপৎ
রসায়নে
ব্যক্ত
বিপর্যস্ত
উপকূল।
ব্যাপ্ত
জনপদের
হাহাকার।
এই
সব
ছেনেছুনে
আর্দ্র
হয়ে
হয়ে,
সংদেনশীল
অন্তর্লোকে
আর্ত
হতে
হতে,
বহির্বিশ্বকে
পাঠ
করে
করে
হয়ে
উঠেছে
অন্য
বর্ণের
বিভা।
যেখানে
নিজেকে
ক্ষয়ে
ক্ষয়ে
যেতে
হয়।
কিন্তু
দেখাতে
হয়
সহিষ্ণু
সদ্ভাব।
তাই
তো
এত
দিনে
জানা
হয়ে
যায়—
‘মৃত্যু
আমাকে
নেবে,
জাতিসংঘ
নেবে
না।
আমি
তাই
নিরপেক্ষ
মানুষের
কাছে,
কবিদের
সুধী
সমাবেশে
আমার
মৃত্যুর
আগে
বোলে
যেতে
চাই
সুধীবৃন্দ
ক্ষান্ত
হোন,
গোলাপ
ফুলের
মতো
শান্ত
হোন
কী
লাভ
যুদ্ধ
করে?
শত্রুতায়
কী
লাভ
বলুন’
কারণ,
তত
দিনে
আরও
জানা
হয়ে
যায়
মানুষ
আসলে
একা।
নাগরিক
কোলাহলটা
আসলে
মুখোশ।
এই
মুখোশের
ভেতরে
আছে
আরেক
মুখোশ।
এত
সব
মুখোশে
মুখোশে
মুখগুলো
একদম
অচেনা।
তখন
নিজের
সঙ্গে
নিজেরই
রচিত
হয়ে
যায়
বিচ্ছিন্নতা।
ফলে
সেখানে
এসে
বাসা
বাঁধে
মৃত্যুভাবনা।
ফলে
সেখানে
এসে
ভর
করে
ক্লান্তি।
ফলে
সেখানে
এসে
গেঁথে
যায়
হতাশা।
এসবের
আবর্তনে
আবর্তনে
কবি
হয়ে
যান
বিপর্যস্ত—
‘অবশেষে
জেনেছি
মানুষ
একা
জেনেছি
মানুষ
তার
চিবুকের
কাছেও
ভীষণ
অচেনা
ও
একা
দৃশ্যের
বিপরীত
সে
পারে
না
একাত্ম
হতে
এই
পৃথিবীর
সাথে
কোনোদিন’
যদিও
দৃশ্যের
ভেতরে
অনেক
আবেগ,
যেখানে
মা
আছে,
বাবা
আছে,
বোন
আছে!
কিন্তু
কী
আশ্চর্য!
তাঁর
মা
যেন
আমাদের
মা,
তাঁর
মা
যেন
বাংলার
সব
দামাল
ছেলের
মা।
তাঁর
মা
যেন
আমাদেরই
বঙ্গদেশ।
তাঁর
মা
যেন
আমাদেরই
জন্মভূমি।
তাঁর
বোন
যেন
আমাদের
বোন,
তাঁর
বোন
যেন
বাংলার
সব
ডানপিটে
ভাইয়ের
অহংকার।
‘আমি
কতবার
ভাসিয়ে
দিয়েছি
শুভ
সময়ের
খালে
আমার
স্থলপদ্ম
কতবার
সূর্যময়
সরোবর
আর
পাতা
ফেলা
বনানীকে
ভেবেছি
আমার
বোন।’
তাঁর
প্রেমিকা
যেন
বাংলার
সব
আউলাঝাউলা,
আবেগপ্রবণ,
বোহেমিয়ান
প্রেমিকের
রহস্যময়ী
বান্ধব।
অসম্ভব
আবেগে
থরো
থরো
আত্মপরিচয়ের
কুহেলি
মাঠ!
ওই
কুহেলি
মাঠেই
রচিত
হতে
থাকে
জীবন
ও
রাজনৈতিক
বাস্তবতার
বীজতলা,
যেখান
থেকে
জন্ম
নিতে
থাকে
বারবার
বোর্হেসের
পতনশীল
ঈশ্বরের
হন্তারক।
ওই
হন্তারক
আমাদের
নিয়ে
যায়
আমাদের
সর্বশ্রেষ্ঠ
অর্জন
স্বাধীনতার
কাছে।
সেখানে
হারানো
আর
প্রাপ্তির
দৃশ্য।
সেখানে
কল্পনা
আর
প্রতিস্থাপনের
সান্ত্বনা—
‘লক্ষ্মী
বউটিকে
আমি
আর
কোথাও
দেখি
না
হাঁটি
হাঁটি
শিশুটাকে
কোথাও
দেখি
না
কতগুলো
রাজহাঁস
দেখি
নরম
শরীর
ভরা
রাজহাঁস
দেখি
কতগুলো
মুখস্থ
মানুষ
দেখি
বউটিকে
কোথাও
দেখি
না
তবে
বউটি
কি
রাজহাঁস?
তবে
শিশুটি
আজ
সবুজ
ঘাসের
সূর্য,
সবুজ
আকাশ!
কেবল
উৎসব
দেখি
স্বাধীনতা
দেখি
তবে
কি
আমার
ভাই
আজ
স্বাধীনতা,
পতাকা?
তবে
কি
আমার
কোন
তিমিরের
বেদিতে
উৎসব?’
এডমিন 











