০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোমোফোবিয়া থেকে বাঁচার উপায় কী

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০১:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • 12

একটু
সচেতনতা,
একটু
ত্যাগ,
একটু
মেনে
নেওয়ার
মাধ্যমে
আমরা
অনেক
জটিল
সমস্যার
সমাধান
করতে
পারি।
এটিও
তার
ব্যতিক্রম
নয়।

সমস্যা
থেকে
বেরিয়ে
আসতে
হলে
কয়েকটি
কাজ
করতে
হবে—

১.
দিনের
নির্দিষ্ট
একটি
সময়
মোবাইল
থেকে
দূরে
থাকতে
হবে।

২.
ঘুমানোর
সময়
মোবাইল
বিছানায়
রাখা
যাবে
না।
সম্ভব
হলে
বন্ধ
কিংবা
সাইলেন্ট
করে
রাখতে
হবে।
ঘুমের
ক্ষেত্রেও
একটি
নির্দিষ্ট
সময়
মেনে
চলতে
হবে।

৩.
কার
সঙ্গে
কথা
বলতে
ভালো
লাগে,
কোন
কাজ
করতে
গেলে
সময়
কেটে
যায়—এই
মানুষ
এবং
কাজগুলোকে
চিহ্নিত
করে,
সে
ব্যাপারগুলো
নিয়ে
নিজেকে
ব্যস্ত
রাখতে
হবে।

৪.
বাসায়
কিছুক্ষণের
জন্য
ফোন
রেখে
বাইরে
বের
হওয়ার
অভ্যাস
করতে
হবে।

৫.
মোবাইলে
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম
যতটা
সম্ভব
কম
ব্যবহার
করতে
হবে।
ল্যাপটপ
কিংবা
ডেস্কটপের
মতো
মাধ্যমগুলো
ব্যবহারের
চেষ্টা
করতে
হবে।
এতে
সমস্যা
একটু
হলেও
দূর
হবে।

৬.
দীর্ঘক্ষণ
মোবাইল
ব্যবহারের
পরিবর্তে
দৈনিক
কিছু
বই
পড়ার
অভ্যাস
করতে
হবে।

৭.
বন্ধু,
আত্মীয়স্বজন
বা
প্রিয়জনের
সঙ্গে
ফোনে
কথা
বলা
কমিয়ে
দিয়ে
মুখোমুখি
দেখা
করার
সুবিধাজনক
নিয়ম
তৈরি
করতে
হবে।

অফলাইনে
সামাজিক
যোগাযোগ
রাখার
যে
অভ্যাস
করোনাকালে
আমাদের
চলে
গিয়েছিল,
সেটিকে
আবার
সজীব
করতে
হবে।

নোমোফোবিয়া
আধুনিক
যুগের
একটি
মরণব্যাধি।
এটি
মানবসভ্যতাকে
ধ্বংসের
দ্বারপ্রান্তে
নিয়ে
যাচ্ছে।
মোবাইল
ব্যবহারে
সচেতনতা,
আত্মনিয়ন্ত্রণ

বিকল্প
ইতিবাচক
ব্যবহারই
পারে
মানবসভ্যতাকে
রক্ষা
করতে।


  • ড.
    এস
    এম
    তাজউদ্দিন

    সহযোগী
    অধ্যাপক
    (ব্যবসায়
    প্রশাসন
    বিভাগ),
    ক্যান্টনমেন্ট
    কলেজ,
    যশোর।

ট্যাগঃ

সহিংসতায় উসকানির মামলায় ইউটিউবার-সাংবাদিকসহ ৭ জনের ‘ডাবল’ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নোমোফোবিয়া থেকে বাঁচার উপায় কী

আপডেট সময়ঃ ১২:০১:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

একটু
সচেতনতা,
একটু
ত্যাগ,
একটু
মেনে
নেওয়ার
মাধ্যমে
আমরা
অনেক
জটিল
সমস্যার
সমাধান
করতে
পারি।
এটিও
তার
ব্যতিক্রম
নয়।

সমস্যা
থেকে
বেরিয়ে
আসতে
হলে
কয়েকটি
কাজ
করতে
হবে—

১.
দিনের
নির্দিষ্ট
একটি
সময়
মোবাইল
থেকে
দূরে
থাকতে
হবে।

২.
ঘুমানোর
সময়
মোবাইল
বিছানায়
রাখা
যাবে
না।
সম্ভব
হলে
বন্ধ
কিংবা
সাইলেন্ট
করে
রাখতে
হবে।
ঘুমের
ক্ষেত্রেও
একটি
নির্দিষ্ট
সময়
মেনে
চলতে
হবে।

৩.
কার
সঙ্গে
কথা
বলতে
ভালো
লাগে,
কোন
কাজ
করতে
গেলে
সময়
কেটে
যায়—এই
মানুষ
এবং
কাজগুলোকে
চিহ্নিত
করে,
সে
ব্যাপারগুলো
নিয়ে
নিজেকে
ব্যস্ত
রাখতে
হবে।

৪.
বাসায়
কিছুক্ষণের
জন্য
ফোন
রেখে
বাইরে
বের
হওয়ার
অভ্যাস
করতে
হবে।

৫.
মোবাইলে
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম
যতটা
সম্ভব
কম
ব্যবহার
করতে
হবে।
ল্যাপটপ
কিংবা
ডেস্কটপের
মতো
মাধ্যমগুলো
ব্যবহারের
চেষ্টা
করতে
হবে।
এতে
সমস্যা
একটু
হলেও
দূর
হবে।

৬.
দীর্ঘক্ষণ
মোবাইল
ব্যবহারের
পরিবর্তে
দৈনিক
কিছু
বই
পড়ার
অভ্যাস
করতে
হবে।

৭.
বন্ধু,
আত্মীয়স্বজন
বা
প্রিয়জনের
সঙ্গে
ফোনে
কথা
বলা
কমিয়ে
দিয়ে
মুখোমুখি
দেখা
করার
সুবিধাজনক
নিয়ম
তৈরি
করতে
হবে।

অফলাইনে
সামাজিক
যোগাযোগ
রাখার
যে
অভ্যাস
করোনাকালে
আমাদের
চলে
গিয়েছিল,
সেটিকে
আবার
সজীব
করতে
হবে।

নোমোফোবিয়া
আধুনিক
যুগের
একটি
মরণব্যাধি।
এটি
মানবসভ্যতাকে
ধ্বংসের
দ্বারপ্রান্তে
নিয়ে
যাচ্ছে।
মোবাইল
ব্যবহারে
সচেতনতা,
আত্মনিয়ন্ত্রণ

বিকল্প
ইতিবাচক
ব্যবহারই
পারে
মানবসভ্যতাকে
রক্ষা
করতে।


  • ড.
    এস
    এম
    তাজউদ্দিন

    সহযোগী
    অধ্যাপক
    (ব্যবসায়
    প্রশাসন
    বিভাগ),
    ক্যান্টনমেন্ট
    কলেজ,
    যশোর।