আলেয়া
ফেরদৌস
বলেন,
‘তিনজন
পাঠালেও
একজন
ছেলে
আর
দুজন
মেয়ে
বলে
ব্যক্তিগত
ইভেন্টে
খেলতে
পারলেও
দলীয়
ইভেন্টে
অংশ
নিতে
পারতেন
না।
কারণ,
দলীয়
বিভাগে
তিনজন
লাগে।’
টুর্নামেন্টে
আরও
বড়
দল
পাঠানো
যেত
কি
না
প্রশ্নে
তিনি
বলেন,
‘দল
যাবে
কি
না,
সেই
নিশ্চয়তাই
ছিল
না।
তা
ছাড়া
শুটার
মানসম্মত
না
হলে
তো
শুধু
পাঠিয়ে
লাভ
নেই।
যে
পরিস্থিতিতে
আমরা
কাজ
করছি,
তা
অন্য
কোনো
ফেডারেশনে
করতে
হয়
না।
একটার
পর
একটা
সমস্যা
এখানে
লেগেই
আছে।’
অলিম্পিক
গেমসে
ওয়াইল্ড
কার্ড
নিয়ে
একজন
শুটার
যান।
কিন্তু
অন্য
প্রতিযোগিতায়
মাত্র
একজন
শুটার
পাঠানো
নজিরবিহীন,
এতে
শুটারসংকট
স্পষ্ট।
অবস্থা
যা,
তাতে
মনে
হচ্ছে,
শুটিং
পথ
হারিয়ে
ফেলেছে।
এর
কারণ
হিসেবে
সাধারণ
সম্পাদক
কোনো
কোনো
শুটারের
শৃঙ্খলার
অভাবকে
দায়ী
করেন,
‘যাদের
ভেবেছি
ভালো
শুটার,
তাদের
ডিসিপ্লিন
নেই।
ডরমিটরিতে
থাকতে
চায়
না।
যারা
থাকে,
তাদেরও
অনেকে
যখন–তখন
ফেডারেশন
থেকে
বেরিয়ে
যায়,
ফেরে
রাত
করে।
এ
ধরনের
অবস্থা
আমি
শুটিং
ফেডারেশনে
২২
বছর
কাজ
করার
জীবনে
দেখিনি।’
এডমিন 














