ইরানে
চলমান
সরকারবিরোধী
বিক্ষোভে
আন্দোলনকারীদের
ওপর
সহিংস
দমন-পীড়ন
চালানো
হলে
ওয়াশিংটন
দেশটিতে
সামরিক
হস্তক্ষেপ
করতে
পারে
বলে
বারবার
হুমকি
দিচ্ছেন
যুক্তরাষ্ট্রের
প্রেসিডেন্ট
ডোনাল্ড
ট্রাম্প।
আজ
বুধবার
বিভিন্ন
সূত্রে
বলা
হচ্ছে,
কাতারে
অবস্থিত
যুক্তরাষ্ট্রের
আল-উদেইদ
বিমানঘাঁটির
কিছু
কর্মীকে
সন্ধ্যার
মধ্যে
ঘাঁটি
ছাড়ার
পরামর্শ
দেওয়া
হয়েছে।
এ
ঘটনায়
ইরানে
যুক্তরাষ্ট্রের
সম্ভাব্য
হামলা
এবং
এর
জবাবে
দেশটির
পাল্টা
আঘাতের
আশঙ্কা
আরও
তীব্র
হয়েছে।
ইরানে
ক্রমেই
খারাপ
হতে
থাকা
অর্থনৈতিক
পরিস্থিতির
প্রতিবাদে
গত
ডিসেম্বরের
শেষ
দিকে
বিক্ষোভ
শুরু
হয়।
সময়ের
সঙ্গে
সঙ্গে
এটি
ক্ষমতায়
থাকা
দেশটির
ধর্মীয়
নেতৃত্বের
বিরুদ্ধে
এক
ব্যাপক
গণ–আন্দোলনে
রূপ
নিয়েছে।
১৯৭৯
সালের
ইসলামী
বিপ্লবের
পর
থেকে
তাঁরা
দেশটিতে
ক্ষমতায়
রয়েছেন।
গত
মঙ্গলবার
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে
ইরানের
বিক্ষোভকারীদের
উদ্দেশে
প্রেসিডেন্ট
ট্রাম্প
বলেন,
‘সাহায্য
আসছে।’
তাঁর
এই
মন্তব্যের
পর
ইরানে
যুক্তরাষ্ট্রের
সামরিক
হস্তক্ষেপ
আসন্ন
কি
না,
তা
নিয়ে
ব্যাপক
জল্পনা
শুরু
হয়।
তবে
ওয়াশিংটন
যদি
সত্যিই
ইরানে
হস্তক্ষেপ
করার
সিদ্ধান্ত
নেয়,
তবে
তাদের
হাতে
কী
কী
বিকল্প
রয়েছে
এবং
সেগুলো
কতটা
বাস্তবসম্মত,
সেটি
দেখে
নেওয়া
যাক:
এডমিন 














