বিএফআইইউর
চিঠিতে
বলা
হয়,
‘অর্থ
পাচার
প্রতিরোধ
আইন
লঙ্ঘন
করে
রেসিডেন্ট
ফরেন
কারেন্সি
ডিপোজিট
(আরএফসিডি)
হিসাব
খোলা,
ওই
হিসাবগুলোতে
নিয়মবহির্ভূতভাবে
অর্থ
জমা,
ঘোষিত
ফরম
সংরক্ষণ
না
করা,
ক্রেডিট
কার্ডে
এনডোর্সমেন্টসহ
অন্যান্য
নিয়ম
যথাযথভাবে
পালন
না
করে
বিপুল
পরিমাণ
বৈদেশিক
মুদ্রা
পাচারে
প্রত্যক্ষ
ও
পরোক্ষভাবে
অংশগ্রহণের
জন্য
ব্যাংকের
বিরুদ্ধে
১
কোটি
২০
লাখ
টাকা
জরিমানা
আরোপ
করা
হলো।’
এ
ছাড়া
৫টি
আরএফসিডি
হিসাব
ও
১৮টি
ক্রেডিট
কার্ডের
মাধ্যমে
সন্দেহজনক
লেনদেন
হলেও
তা
বিএফআইইউকে
জানানো
হয়নি।
পাশাপাশি
ব্যাংকের
অন্য
গ্রাহক
প্রতিষ্ঠানের
রপ্তানিকারকের
রিটেনশন
কোটা
(ইআরকিউ)
হিসাব
থেকে
১
লাখ
ডলার
এইচ
বি
এম
ইকবাল
ও
তাঁর
ছেলে
মঈন
ইকবালের
হিসাবে
স্থানান্তর
করা
হয়েছে।
এটাকে
চুরি
আখ্যায়িত
করে
এক
কোটি
টাকা
জরিমানা
আরোপ
করা
হয়।
এ
ছাড়া
অর্থ
পাচার
প্রতিরোধ
আইনের
আওতায়
দায়ী
কর্মকর্তাদেরও
পৃথকভাবে
জরিমানা
করা
হয়েছে।
এ
ক্ষেত্রে
প্রিমিয়ার
ব্যাংকের
সাবেক
ব্যবস্থাপনা
পরিচালক
(এমডি)
এম
রিয়াজুল
করিমকে
৩০
লাখ
টাকা,
বর্তমান
অতিরিক্ত
ব্যবস্থাপনা
পরিচালক
(এএমডি)
সৈয়দ
নওশের
আলীকে
৩০
লাখ
টাকা
ও
ঢাকার
বনানী
শাখার
তৎকালীন
অপারেশন
ম্যানেজার
মনিরুল
করিম
লিটনকে
২২
লাখ
টাকা
জরিমানা
আরোপ
করা
হয়েছে।
এডমিন 














