০৩:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফ্রিডম হাউসের প্রতিবেদন ইন্টারনেটের স্বাধীনতায় এগিয়েছে বাংলাদেশ

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
  • 14

বাংলাদেশ
সম্পর্কে
বলা
হয়েছে,
গণ–অভ্যুত্থানে
আওয়ামী
লীগ
সরকার
ক্ষমতাচ্যুত
হওয়ার
পর
বাংলাদেশে
ইন্টারনেট
স্বাধীনতা
উল্লেখযোগ্যভাবে
উন্নত
হয়।
অন্তর্বর্তী
সরকার
ক্ষমতায়
এসে
কিছু
ইতিবাচক
সংস্কার
কার্যক্রমের
উদ্যোগ
নেয়।
তারা
দমনমূলক
প্রথার
অবসান
ঘটায়।
জুলাই
গণ–অভ্যুত্থানে
আওয়ামী
লীগের
দমন–পীড়ন,
মানুষের
মৃত্যু,
ইন্টারনেট
বন্ধ
করে
দেওয়ার
বিষয়ও
এই
প্রতিবেদনে
উঠে
আসে।
এতে
আরও
বলা
হয়,
অন্তর্বর্তী
সরকার
বাংলাদেশ
টেলিযোগাযোগ
নিয়ন্ত্রণ
কমিশনের
(বিটিআরসি)
নতুন
চেয়ারম্যান
হিসেবে
মুহাম্মদ
এমদাদ-উল-বারীকে
নিয়োগ
দেয়,
যিনি
ইন্টারনেট
বন্ধ
প্রতিরোধে
নীতিগত
পরিবর্তনের
উদ্যোগ
নেন।

প্রতিবেদনে
বলা
হয়েছে,
বাংলাদেশের
বর্তমান
সরকার
কঠোর

দমনমূলক
সাইবার
নিরাপত্তা
আইন
বাতিল
করে
এবং
সাইবার
সুরক্ষা
অধ্যাদেশ
জারি
করে।
তবে
অনলাইন
হয়রানি

যৌন
নিপীড়ন
প্রতিরোধে
কিছু
ইতিবাচক
বিধান
রাখে।
যদিও
কনটেন্ট
অপসারণ,
অনলাইন
বক্তব্যের
জন্য
ফৌজদারি
শাস্তি
এবং
নজরদারিসংক্রান্ত
উদ্বেগজনক
বিধান
রয়ে
যায়।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

মানিকগঞ্জ হাসপাতালে গৃহবধূকে ধর্ষণ, ২ আনসার সদস্য স্থায়ী বহিষ্কার

ফ্রিডম হাউসের প্রতিবেদন ইন্টারনেটের স্বাধীনতায় এগিয়েছে বাংলাদেশ

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ
সম্পর্কে
বলা
হয়েছে,
গণ–অভ্যুত্থানে
আওয়ামী
লীগ
সরকার
ক্ষমতাচ্যুত
হওয়ার
পর
বাংলাদেশে
ইন্টারনেট
স্বাধীনতা
উল্লেখযোগ্যভাবে
উন্নত
হয়।
অন্তর্বর্তী
সরকার
ক্ষমতায়
এসে
কিছু
ইতিবাচক
সংস্কার
কার্যক্রমের
উদ্যোগ
নেয়।
তারা
দমনমূলক
প্রথার
অবসান
ঘটায়।
জুলাই
গণ–অভ্যুত্থানে
আওয়ামী
লীগের
দমন–পীড়ন,
মানুষের
মৃত্যু,
ইন্টারনেট
বন্ধ
করে
দেওয়ার
বিষয়ও
এই
প্রতিবেদনে
উঠে
আসে।
এতে
আরও
বলা
হয়,
অন্তর্বর্তী
সরকার
বাংলাদেশ
টেলিযোগাযোগ
নিয়ন্ত্রণ
কমিশনের
(বিটিআরসি)
নতুন
চেয়ারম্যান
হিসেবে
মুহাম্মদ
এমদাদ-উল-বারীকে
নিয়োগ
দেয়,
যিনি
ইন্টারনেট
বন্ধ
প্রতিরোধে
নীতিগত
পরিবর্তনের
উদ্যোগ
নেন।

প্রতিবেদনে
বলা
হয়েছে,
বাংলাদেশের
বর্তমান
সরকার
কঠোর

দমনমূলক
সাইবার
নিরাপত্তা
আইন
বাতিল
করে
এবং
সাইবার
সুরক্ষা
অধ্যাদেশ
জারি
করে।
তবে
অনলাইন
হয়রানি

যৌন
নিপীড়ন
প্রতিরোধে
কিছু
ইতিবাচক
বিধান
রাখে।
যদিও
কনটেন্ট
অপসারণ,
অনলাইন
বক্তব্যের
জন্য
ফৌজদারি
শাস্তি
এবং
নজরদারিসংক্রান্ত
উদ্বেগজনক
বিধান
রয়ে
যায়।