বিষয়টি
এখনো
পরিষ্কার
নয়।
তবে
ট্রাম্পের
প্রস্তাব
অনুযায়ী,
এই
বাহিনী
মিসর
ও
ইসরায়েলের
সঙ্গে
কাজ
করবে।
সঙ্গে
থাকবে
নতুন
প্রশিক্ষণ
পাওয়া
একটি
পুলিশ
বাহিনীও।
ট্রাম্পের
একজন
জ্যেষ্ঠ
উপদেষ্টা
বলেছেন,
এই
বাহিনীতে
সেনা
পাঠাতে
চেয়েছে
আজারবাইজান
ও
ইন্দোনেশিয়া।
ওই
উপদেষ্টার
দেওয়া
তথ্যানুযায়ী,
আইএসএফে
যোগ
দেওয়ার
জন্য
মিসর,
কাতার
ও
সংযুক্ত
আরব
আমিরাতও
আলাপ
চালিয়ে
যাচ্ছে।
যদিও
আরব
আমিরাতের
সরকারি
কর্মকর্তা
আনোয়ার
গারগাশ
আল-জাজিরাকে
বলেছেন,
এই
বাহিনীতে
তাঁর
দেশ
অংশ
নেবে
না।
বিভিন্ন
সংবাদমাধ্যমের
খবর
অনুসারে,
বাহিনীটির
নেতৃত্ব
দিতে
পারে
মিসর।
এ
ছাড়া
গত
অক্টোবরে
তুরস্কের
প্রেসিডেন্ট
রিসেপ
তাইয়েপ
এরদোয়ান
বলেছিলেন,
গাজায়
সহায়তা
করতে
প্রস্তুত
আছে
তাঁর
দেশ।
পরে
তুরস্ক
ও
ইসরায়েলের
মধ্যে
উত্তেজনা
বৃদ্ধি
পায়।
তখন
ইসরায়েলের
পররাষ্ট্রমন্ত্রী
গিদেয়ন
সার
বলেছিলেন,
গাজার
ভূখণ্ডে
তুরস্কের
সেনাসদস্যদের
উপস্থিতি
মেনে
নেবে
না
তাঁর
দেশ।
এডমিন 













