০৮:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান ফিরে এল

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:১০:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫
  • 14

তত্ত্বাবধায়ক
সরকারব্যবস্থা
পুনর্বহাল
হওয়ার
পর
দেশ
গণতন্ত্রের
মহাসড়কে
হাঁটবে
বলে
মন্তব্য
করেছেন
অ্যাটর্নি
জেনারেল
মো.
আসাদুজ্জামান।
তিনি
সাংবাদিকদের
বলেছেন,
তত্ত্বাবধায়ক
সরকারব্যবস্থা
বিলোপ
করে
যে
নির্বাচন
হয়েছিল,
তাতে
দেশের
গণতন্ত্রের
কবর
রচিত
হয়েছিল।
তত্ত্বাবধায়ক
সরকারব্যবস্থা
সংবিধানে
১৯৯৬
সালে
ত্রয়োদশ
সংশোধনীর
মাধ্যমে
আনা
হয়েছিল।
সংবিধানের
সঙ্গে
সাংঘর্ষিক
নয়
বলে
তা
সাংবিধানিক
হিসেবেই
রায়ে
ঘোষিত
হলো।

একই
আপিল
বিভাগে
তাঁর
আগের
রায়কে
কলঙ্কিত

ত্রুটিপূর্ণ
বলার
ব্যাখ্যা
জানিয়ে
মো.
আসাদুজ্জামান
বলেন,
ত্রুটিপূর্ণ

কলঙ্কিত
বলেই
ওই
রায়
বাতিল
করা
হয়েছে।
অনেকগুলো
কারণের
মধ্যে
একটা
কারণ
ছিল,
এই
রায়
লেখার
ক্ষেত্রে
তৎকালীন
প্রধান
বিচারপতি

বি
এম
খায়রুল
হক

তাঁর
সহযোগীরা
দণ্ডবিধির
২১৯
ধারায়
অপরাধ
করেছেন।

অন্যতম
আপিলকারী
সুশাসনের
জন্য
নাগরিকের
(সুজন)
সম্পাদক
বদিউল
আলম
মজুমদার
বলেছেন,
আপিল
বিভাগের
রায়ের
মাধ্যমে
সুষ্ঠু,
নিরপেক্ষ
নির্বাচনের
পথ
প্রশস্ত
হবে।
তৎকালীন
প্রধান
বিচারপতি

বি
এম
খায়রুল
হক
যে
রায়
দিয়েছিলেন,
তার
মাধ্যমে
দেশের
নির্বাচনী
ব্যবস্থাকে
নির্বাসনে
পাঠানো
হয়েছিল।
যার
ফলে
গত
তিনটি
নির্বাচন
বিতর্কিত
হয়েছে।

রায়কে
দেশের
জন্য
মাইলফলক
বলে
মন্তব্য
করেছেন
জ্যেষ্ঠ
আইনজীবী
জয়নুল
আবেদীন।
আপিলকারী
বিএনপির
মহাসচিবের
এই
আইনজীবী
বলেছেন,
শেখ
হাসিনা
পালিয়ে
যাওয়ার
ফলে
বিচার
বিভাগ
স্বাধীনভাবে
দায়িত্ব
পালন
করতে
পেরেছেন।
রায়ের
ফলে
আবার
তত্ত্বাবধায়ক
সরকারব্যবস্থা
ফিরে
এসেছে।

বদিউল
আলম
মজুমদারসহ
আপিলকারী
বিশিষ্ট
ব্যক্তিদের
মধ্যে
জ্যেষ্ঠ
আইনজীবী
ড.
শরীফ
ভূঁইয়া
বলেন,
গতকাল
দেওয়া
রায়টি
সামগ্রিকভাবে
এই
সময়ের
পটভূমিতে
খুবই
ঐতিহাসিক।
খায়রুল
হকের
নেতৃত্বে
দেওয়া
রায়টি
ছিল
অত্যন্ত
নিম্নমানের।
এর
মাধ্যমে
বাংলাদেশে
দীর্ঘ
১৫
বছরের
স্বৈরতান্ত্রিক
ব্যবস্থার
সূচনা
হয়েছিল।

ট্যাগঃ

সহিংসতায় উসকানির মামলায় ইউটিউবার-সাংবাদিকসহ ৭ জনের ‘ডাবল’ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান ফিরে এল

আপডেট সময়ঃ ১২:১০:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

তত্ত্বাবধায়ক
সরকারব্যবস্থা
পুনর্বহাল
হওয়ার
পর
দেশ
গণতন্ত্রের
মহাসড়কে
হাঁটবে
বলে
মন্তব্য
করেছেন
অ্যাটর্নি
জেনারেল
মো.
আসাদুজ্জামান।
তিনি
সাংবাদিকদের
বলেছেন,
তত্ত্বাবধায়ক
সরকারব্যবস্থা
বিলোপ
করে
যে
নির্বাচন
হয়েছিল,
তাতে
দেশের
গণতন্ত্রের
কবর
রচিত
হয়েছিল।
তত্ত্বাবধায়ক
সরকারব্যবস্থা
সংবিধানে
১৯৯৬
সালে
ত্রয়োদশ
সংশোধনীর
মাধ্যমে
আনা
হয়েছিল।
সংবিধানের
সঙ্গে
সাংঘর্ষিক
নয়
বলে
তা
সাংবিধানিক
হিসেবেই
রায়ে
ঘোষিত
হলো।

একই
আপিল
বিভাগে
তাঁর
আগের
রায়কে
কলঙ্কিত

ত্রুটিপূর্ণ
বলার
ব্যাখ্যা
জানিয়ে
মো.
আসাদুজ্জামান
বলেন,
ত্রুটিপূর্ণ

কলঙ্কিত
বলেই
ওই
রায়
বাতিল
করা
হয়েছে।
অনেকগুলো
কারণের
মধ্যে
একটা
কারণ
ছিল,
এই
রায়
লেখার
ক্ষেত্রে
তৎকালীন
প্রধান
বিচারপতি

বি
এম
খায়রুল
হক

তাঁর
সহযোগীরা
দণ্ডবিধির
২১৯
ধারায়
অপরাধ
করেছেন।

অন্যতম
আপিলকারী
সুশাসনের
জন্য
নাগরিকের
(সুজন)
সম্পাদক
বদিউল
আলম
মজুমদার
বলেছেন,
আপিল
বিভাগের
রায়ের
মাধ্যমে
সুষ্ঠু,
নিরপেক্ষ
নির্বাচনের
পথ
প্রশস্ত
হবে।
তৎকালীন
প্রধান
বিচারপতি

বি
এম
খায়রুল
হক
যে
রায়
দিয়েছিলেন,
তার
মাধ্যমে
দেশের
নির্বাচনী
ব্যবস্থাকে
নির্বাসনে
পাঠানো
হয়েছিল।
যার
ফলে
গত
তিনটি
নির্বাচন
বিতর্কিত
হয়েছে।

রায়কে
দেশের
জন্য
মাইলফলক
বলে
মন্তব্য
করেছেন
জ্যেষ্ঠ
আইনজীবী
জয়নুল
আবেদীন।
আপিলকারী
বিএনপির
মহাসচিবের
এই
আইনজীবী
বলেছেন,
শেখ
হাসিনা
পালিয়ে
যাওয়ার
ফলে
বিচার
বিভাগ
স্বাধীনভাবে
দায়িত্ব
পালন
করতে
পেরেছেন।
রায়ের
ফলে
আবার
তত্ত্বাবধায়ক
সরকারব্যবস্থা
ফিরে
এসেছে।

বদিউল
আলম
মজুমদারসহ
আপিলকারী
বিশিষ্ট
ব্যক্তিদের
মধ্যে
জ্যেষ্ঠ
আইনজীবী
ড.
শরীফ
ভূঁইয়া
বলেন,
গতকাল
দেওয়া
রায়টি
সামগ্রিকভাবে
এই
সময়ের
পটভূমিতে
খুবই
ঐতিহাসিক।
খায়রুল
হকের
নেতৃত্বে
দেওয়া
রায়টি
ছিল
অত্যন্ত
নিম্নমানের।
এর
মাধ্যমে
বাংলাদেশে
দীর্ঘ
১৫
বছরের
স্বৈরতান্ত্রিক
ব্যবস্থার
সূচনা
হয়েছিল।