০২:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘রাজসাক্ষী’কে কি সাজা দেওয়া যায়

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫
  • 12

আইসিটি
আইনের
১৫
ধারায়
অ্যাপ্রুভার
বা
অনুমোদনকারী
শব্দটি
রয়েছে;
যদিও
আইনের
কোথাও
এর
সংজ্ঞা
প্রদান
করা
হয়নি।
শব্দটি
উল্লিখিত
ধারার
মূল
অংশেও
নেই;
শুধু
ধারার
শিরোনাম/প্রান্তিক
নোটে
রয়েছে।
দেশে
প্রচলিত
১৮৯৮
সালের
ফৌজদারি
কার্যবিধিতেও
(সিআরপিসি)
শব্দটির
কোনো
উল্লেখ
বা
সংজ্ঞা
দেওয়া
নেই।

সাধারণত
অ্যাপ্রুভার
বা
বহুল
প্রচলিত
রাজসাক্ষী
বলতে
এমন
ব্যক্তিকে
বোঝায়,
যিনি
প্রত্যক্ষ
বা
পরোক্ষভাবে
কোনো
অপরাধের
সঙ্গে
জড়িত
বা
জড়িত
বলে
মনে
করা
হয়;
যিনি
ক্ষমা
পাওয়ার
শর্তে
নিজের
দোষ
স্বীকার
করে
ওই
অপরাধের
সঙ্গে
জড়িত
অন্য
সব
দোষী
ব্যক্তির
বিরুদ্ধে
তাঁর
জ্ঞানত
পূর্ণাঙ্গ

সত্য
সাক্ষ্য
প্রদান
করতে
রাজি
হন।

এসব
ক্ষেত্রে
সেই
ব্যক্তি
প্রতিশ্রুতি
দেন,
অপরাধের
ব্যাপারে
তাঁর
যতটুকু
জ্ঞান
আছে,
ততটুকু
তিনি
পুরোপুরি
সততার
সঙ্গে
প্রকাশ
করবেন।
তাঁর
সঙ্গে
যাঁরা
অপরাধে
জড়িত
ছিলেন,
তাঁদের
কথাও
তিনি
অকুণ্ঠভাবে
বলবেন।
বিচার
শেষ
না
হওয়া
পর্যন্ত
সেই
ব্যক্তিকে
আইনানুসারে
আটক
রাখা
হয়।
সাধারণত
গুরুতর

জটিল
প্রকৃতির
অপরাধের
ক্ষেত্রে
প্রমাণের
অভাবে
যেন
বিচার
অনিষ্পন্ন
থেকে
না
যায়,
সে
জন্য
আইনে

ধরনের
বিধান
রাখা
হয়।

ট্যাগঃ

‘রাজসাক্ষী’কে কি সাজা দেওয়া যায়

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

আইসিটি
আইনের
১৫
ধারায়
অ্যাপ্রুভার
বা
অনুমোদনকারী
শব্দটি
রয়েছে;
যদিও
আইনের
কোথাও
এর
সংজ্ঞা
প্রদান
করা
হয়নি।
শব্দটি
উল্লিখিত
ধারার
মূল
অংশেও
নেই;
শুধু
ধারার
শিরোনাম/প্রান্তিক
নোটে
রয়েছে।
দেশে
প্রচলিত
১৮৯৮
সালের
ফৌজদারি
কার্যবিধিতেও
(সিআরপিসি)
শব্দটির
কোনো
উল্লেখ
বা
সংজ্ঞা
দেওয়া
নেই।

সাধারণত
অ্যাপ্রুভার
বা
বহুল
প্রচলিত
রাজসাক্ষী
বলতে
এমন
ব্যক্তিকে
বোঝায়,
যিনি
প্রত্যক্ষ
বা
পরোক্ষভাবে
কোনো
অপরাধের
সঙ্গে
জড়িত
বা
জড়িত
বলে
মনে
করা
হয়;
যিনি
ক্ষমা
পাওয়ার
শর্তে
নিজের
দোষ
স্বীকার
করে
ওই
অপরাধের
সঙ্গে
জড়িত
অন্য
সব
দোষী
ব্যক্তির
বিরুদ্ধে
তাঁর
জ্ঞানত
পূর্ণাঙ্গ

সত্য
সাক্ষ্য
প্রদান
করতে
রাজি
হন।

এসব
ক্ষেত্রে
সেই
ব্যক্তি
প্রতিশ্রুতি
দেন,
অপরাধের
ব্যাপারে
তাঁর
যতটুকু
জ্ঞান
আছে,
ততটুকু
তিনি
পুরোপুরি
সততার
সঙ্গে
প্রকাশ
করবেন।
তাঁর
সঙ্গে
যাঁরা
অপরাধে
জড়িত
ছিলেন,
তাঁদের
কথাও
তিনি
অকুণ্ঠভাবে
বলবেন।
বিচার
শেষ
না
হওয়া
পর্যন্ত
সেই
ব্যক্তিকে
আইনানুসারে
আটক
রাখা
হয়।
সাধারণত
গুরুতর

জটিল
প্রকৃতির
অপরাধের
ক্ষেত্রে
প্রমাণের
অভাবে
যেন
বিচার
অনিষ্পন্ন
থেকে
না
যায়,
সে
জন্য
আইনে

ধরনের
বিধান
রাখা
হয়।