সার
কারখানায়
পুরো
মাত্রায়
গ্যাস
দেওয়া
হলে
২০
লাখ
টনের
ওপরে
সার
উৎপাদন
করা
সম্ভব।
আর
২০
লাখ
টন
সার
উৎপাদন
করা
গেলে
গ্যাসের
৩০
টাকা
হলেও
আমদানির
তুলনায়
কম
দাম
পড়বে।
বছরে
৩০–৩২
লাখ
টন
ইউরিয়া
সার
জোগান
দিতে
হয়।
গ্যাসের
অভাবে
আমদানি
করে
১৬–২১
লাখ
টন
জোগান
দিতে
হয়।
ঘোড়াশাল
পলাশ
ফার্টিলাইজার
পিএলসির
দৈনিক
চাহিদা
৭২
মিলিয়ন
ঘনফুট,
শাহজালাল
ফার্টিলাইজার
কোম্পানি
লিমিটেডের
চাহিদা
৪১
মিলিয়ন
ঘনফুট,
চট্টগ্রাম
ইউরিয়া
ফার্টিলাইজার
লিমিটেডের
চাহিদা
৪৩
মিলিয়ন
ঘনফুট,
যমুনা
ফার্টিলাইজার
কোম্পানি
লিমিটেডের
চাহিদা
৪১
মিলিয়ন
ঘনফুট,
আশুগঞ্জ
ফার্টিলাইজার
অ্যান্ড
কেমিক্যাল
কোম্পানি
লিমিটেডের
চাহিদা
৪৮
মিলিয়ন
ঘনফুট।
এর
মধ্যে
১৯৮১
সালে
প্রতিষ্ঠিত
আশুগঞ্জ
সার
কারখানা
অনেক
পুরনো
হওয়ায়
গ্যাস
খরচ
অনেক
বেশি,
যে
কারণে
কারখানাটি
বন্ধ
রাখা
হয়েছে।
এডমিন 












