বিবৃতিতে
আসক
বলেছে,
রাষ্ট্রের
হেফাজতে
থাকা
কোনো
ব্যক্তির
মৃত্যু
অত্যন্ত
গুরুতর
বিষয়।
এটি
সংবিধানের
৩২
অনুচ্ছেদে
বর্ণিত
জীবন
ও
ব্যক্তি
স্বাধীনতার
অধিকারকে
লঙ্ঘন
করে।
একই
সঙ্গে
এটি
আন্তর্জাতিক
মানবাধিকার
সনদের
মৌলিক
নীতির
পরিপন্থী।
যেখানে
হেফাজতে
থাকা
ব্যক্তির
নিরাপত্তা
নিশ্চিত
করা
রাষ্ট্রের
আইনগত
ও
নৈতিক
বাধ্যবাধকতা
হিসেবে
স্পষ্টভাবে
উল্লেখ
রয়েছে।
আসকের
হিসাবে
চলতি
বছরের
জানুয়ারি
থেকে
২২
নভেম্বর
পর্যন্ত
দেশের
বিভিন্ন
থানা
হেফাজতসহ,
র্যাব,
পিবিআই
ও
ডিবির
হেফাজতে
রাখা
অবস্থায়
দেশে
কমপক্ষে
১৫
নাগরিকের
মৃত্যু
ঘটেছে।
এটা
কেবল
পরিসংখ্যান
নয়,
এটি
দায়িত্বহীনতা,
জবাবদিহির
অভাব
ও
প্রাতিষ্ঠানিক
দুর্বলতার
সংকটকে
আরও
স্পষ্ট
করে
তুলে
ধরে।
হেফাজতে
মৃত্যুর
প্রতিটি
ঘটনার
স্বাধীন,
নিরপেক্ষ
ও
বিচার
বিভাগীয়
তদন্ত
করার
দাবি
জানিয়ে
আসক
বলেছে,
সংশ্লিষ্ট
ঘটনাগুলোতে
দায়ী
ব্যক্তিদের
দায়
নিরূপণ
করে
আইনগত
জবাবদিহি
নিশ্চিত
করা
রাষ্ট্রের
দায়িত্ব।
পাশাপাশি
ভুক্তভোগী
পরিবারের
নিরাপত্তা,
ন্যায়বিচারের
অধিকার
এবং
আইনগত
সহায়তা
নিশ্চিত
করাও
অত্যাবশ্যক।
এডমিন 











