০৭:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাবেক নেত্রীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর চায় বাংলাদেশ, এই পথে বড় বাধা ভারত

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • 10

পরবর্তী
১৫
বছর
তিনি
ক্রমেই
কঠোরতার
সঙ্গে
বাংলাদেশ
শাসন
করেন
এবং
শক্তিশালী
অর্থনৈতিক
প্রবৃদ্ধির
যুগের
সূচনা
করেন।
একই
সময়ে
তিনি
ভারতকে
গুরুত্বপূর্ণ
সমর্থন
দেন,
অর্থনৈতিক

নিরাপত্তা
চুক্তির
মাধ্যমে
নয়াদিল্লির
হাতকে
শক্তিশালী
করেন,
যা
পাকিস্তান

চীনের
সঙ্গে
বৈরিতা
টেনে
আনে।

তবে
বাংলাদেশের
উন্নয়নের
সাফল্যের
জন্য
চড়া
মূল্য
দিতে
হয়েছে।
মানবাধিকার
সংস্থাগুলো
সতর্ক
করেছিল
যে
তিনি

তাঁর
সরকার
একদলীয়
ব্যবস্থার
দিকে
অগ্রসর
হচ্ছেন।
সমালোচকেরা
রাজনৈতিক
সহিংসতার
বাড়বাড়ন্ত,
ভোটারদের
ভয়
দেখানো
এবং
গণমাধ্যম

বিরোধী
মতের
ব্যক্তিত্বদের
হয়রানির
ক্রমবর্ধমান
ঘটনায়
উদ্বেগ
প্রকাশ
করেছিলেন।

ভারতীয়
সংবাদপত্র
‘দ্য
ইন্ডিয়ান
এক্সপ্রেস’
সম্প্রতি
এক
সম্পাদকীয়তে
মন্তব্য
করেছে,
চাপ
বাড়ার
সঙ্গে
সঙ্গে
শেখ
হাসিনা
‘ভারতের
ওপর
কোনো
প্রশ্ন
ছাড়াই
পূর্ণ
সমর্থনের
জন্য
নির্ভর
করতে
পারতেন।’

তবে
দেশের
অভ্যন্তরে
তাঁর
ভাবমূর্তিতে
এক
আগ্রাসী
দমন–পীড়নের
কালিমা
লেগে
যায়।
রাষ্ট্রবিজ্ঞানী
মোবাশ্বার
হাসান
বলেন,
‘ক্ষমতায়
থাকার
জন্য
তিনি
ব্যাপক
রক্তপাত
ঘটিয়েছেন।’

ক্ষমতার
ওপর
শেখ
হাসিনার
নিয়ন্ত্রণ
আপাতদৃষ্টে
অটুট
মনে
হয়েছিল।
জনসমর্থন
রয়েছে,
এমন
বিক্ষোভ
মোকাবিলা,
গ্রেপ্তার

হত্যাচেষ্টার
মতো
ঝড়
সামাল
দেওয়ার
ক্ষেত্রে
তিনি
পারদর্শী
প্রমাণিত
হয়েছিলেন।
কিন্তু
গত
বছর
তরুণদের
নেতৃত্বাধীন
যে
অভ্যুত্থান
হয়েছিল,
তা
ছিল
ভিন্ন।

ট্যাগঃ

সাবেক নেত্রীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর চায় বাংলাদেশ, এই পথে বড় বাধা ভারত

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

পরবর্তী
১৫
বছর
তিনি
ক্রমেই
কঠোরতার
সঙ্গে
বাংলাদেশ
শাসন
করেন
এবং
শক্তিশালী
অর্থনৈতিক
প্রবৃদ্ধির
যুগের
সূচনা
করেন।
একই
সময়ে
তিনি
ভারতকে
গুরুত্বপূর্ণ
সমর্থন
দেন,
অর্থনৈতিক

নিরাপত্তা
চুক্তির
মাধ্যমে
নয়াদিল্লির
হাতকে
শক্তিশালী
করেন,
যা
পাকিস্তান

চীনের
সঙ্গে
বৈরিতা
টেনে
আনে।

তবে
বাংলাদেশের
উন্নয়নের
সাফল্যের
জন্য
চড়া
মূল্য
দিতে
হয়েছে।
মানবাধিকার
সংস্থাগুলো
সতর্ক
করেছিল
যে
তিনি

তাঁর
সরকার
একদলীয়
ব্যবস্থার
দিকে
অগ্রসর
হচ্ছেন।
সমালোচকেরা
রাজনৈতিক
সহিংসতার
বাড়বাড়ন্ত,
ভোটারদের
ভয়
দেখানো
এবং
গণমাধ্যম

বিরোধী
মতের
ব্যক্তিত্বদের
হয়রানির
ক্রমবর্ধমান
ঘটনায়
উদ্বেগ
প্রকাশ
করেছিলেন।

ভারতীয়
সংবাদপত্র
‘দ্য
ইন্ডিয়ান
এক্সপ্রেস’
সম্প্রতি
এক
সম্পাদকীয়তে
মন্তব্য
করেছে,
চাপ
বাড়ার
সঙ্গে
সঙ্গে
শেখ
হাসিনা
‘ভারতের
ওপর
কোনো
প্রশ্ন
ছাড়াই
পূর্ণ
সমর্থনের
জন্য
নির্ভর
করতে
পারতেন।’

তবে
দেশের
অভ্যন্তরে
তাঁর
ভাবমূর্তিতে
এক
আগ্রাসী
দমন–পীড়নের
কালিমা
লেগে
যায়।
রাষ্ট্রবিজ্ঞানী
মোবাশ্বার
হাসান
বলেন,
‘ক্ষমতায়
থাকার
জন্য
তিনি
ব্যাপক
রক্তপাত
ঘটিয়েছেন।’

ক্ষমতার
ওপর
শেখ
হাসিনার
নিয়ন্ত্রণ
আপাতদৃষ্টে
অটুট
মনে
হয়েছিল।
জনসমর্থন
রয়েছে,
এমন
বিক্ষোভ
মোকাবিলা,
গ্রেপ্তার

হত্যাচেষ্টার
মতো
ঝড়
সামাল
দেওয়ার
ক্ষেত্রে
তিনি
পারদর্শী
প্রমাণিত
হয়েছিলেন।
কিন্তু
গত
বছর
তরুণদের
নেতৃত্বাধীন
যে
অভ্যুত্থান
হয়েছিল,
তা
ছিল
ভিন্ন।