০৭:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দোয়া কবুলের অলৌকিক রহস্য: নবী যাকারিয়া ও মারইয়ামের শিক্ষা

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • 16

মারইয়ামের
মিহরাব
ছিল
ইবাদত
ঘর।
যাকারিয়া
প্রতিবার
গিয়ে
দেখতেন,
তার
কাছে
রিজিক।
“যখনই
যাকারিয়া
তার
মিহরাবে
প্রবেশ
করতেন,
তার
কাছে
রিজিক
পেতেন।”
(সুরা
আলে
ইমরান,
আয়াত:
৩৭)।
জিজ্ঞাসা
করলেন,
“এটা
কোথা
থেকে?”
মারইয়াম
বললেন,
“আল্লাহর
কাছ
থেকে।
আল্লাহ
যাকে
ইচ্ছা
অগণিত
রিজিক
দেন।”
(সুরা
আলে
ইমরান,
আয়াত:
৩৭)

এখানে
যাকারিয়া
দুটি
জিনিস
বুঝলেন:
ইবাদত

দোয়া

এই
দুয়ে
রিজিক
আসে।

যাকারিয়া
আগেও
দোয়া
করতেন,
কবুল
হতো:
“আমি
তোমার
দোয়ায়
কখনো
হতাশ
হইনি।”
(সুরা
মারইয়াম,
আয়াত:
৪)।
কিন্তু
এবার
অলৌকিক
কিছু
দেখে
অলৌকিক
দোয়া
করলেন।
তিনটি
দোয়া:

১.
“হে
আমার
প্রতিপালক,
আমাকে
তোমার
কাছ
থেকে
পবিত্র
সন্তান
দান
করো।
তুমি
দোয়া
শোনো।”
(সুরা
আল-ইমরান,
আয়াত:
৩৮)।
শুধু
সন্তান
নয়,
‘তাইয়্যিবা’

পবিত্র।

২.
“আমার
হাড়
দুর্বল,
মাথা
পেকে
গেছে…
আমি
উত্তরাধিকারী
নিয়ে
চিন্তিত,
স্ত্রী
বন্ধ্যা।
আমাকে
তোমার
কাছ
থেকে
উত্তরাধিকারী
দাও,
যে
আমার

ইয়াকুব
পরিবারের
উত্তরাধিকারী
হবে।
তাকে
সন্তুষ্টকারী
বানাও।”
(সুরা
মারইয়াম,
আয়াত:
৪-৬)।

৩.
“হে
প্রতিপালক,
আমাকে
একা
রেখো
না,
তুমি
সর্বোত্তম
উত্তরাধিকারী।”
(সুরা
আম্বিয়া,
আয়াত:
৮৯)

দোয়া
গোপনে,
খাঁটি
মনে:
“যখন
সে
তার
রবকে
গোপনে
ডেকেছিল।”
(সুরা
মারইয়াম,
আয়াত:
৩)।
সঙ্গে
সৎকর্ম:
“যাকারিয়া,
ইয়াহইয়া…
সবাই
সৎকর্মশীল।”
(সুরা
আনআম,
আয়াত:
৮৫)

কবুল
তৎক্ষণাৎ,
“সে
মিহরাবে
নামাজ
পড়ছিল,
ফেরেশতা
ডেকে
বলল,
আল্লাহ
তোমাকে
ইয়াহইয়ার
সুসংবাদ
দিচ্ছেন

আল্লাহর
কালিমার
সত্যায়নকারী,
নেতা,
সংযমী,
নবী,
সৎকর্মশীল।”
(সুরা
আলে
ইমরান,
আয়াত:
৩৯)।
পাঁচ
গুণ:
সত্যায়নকারী,
নেতা,
সংযমী,
নবী,
সৎ।
স্ত্রী
সুস্থ
হলেন:
“আমি
তার
দোয়া
কবুল
করলাম,
ইয়াহইয়া
দান
করলাম,
তার
স্ত্রীকে
সংশোধন
করলাম।
তারা
সৎকাজ
দ্রুততায়
করত,
আশা-ভয়ে
দোয়া
করত,
আমাদের
সামনে
বিনয়ী
ছিল।”
(সুরা
আম্বিয়া,
আয়াত:
৯০)

আনন্দে
মিহরাব
থেকে
বেরিয়ে
কওমকে
বললেন,
সকাল-সন্ধ্যা
তাসবিহ
পড়ো।
(সুরা
মারইয়াম,
আয়াত:
১১)।
নামও
আল্লাহ
দিলেন:
“হে
যাকারিয়া,
আমরা
তোমাকে
ইয়াহইয়া
নামে
পুত্রের
সুসংবাদ
দিচ্ছি

আগে

নামে
কাউকে
রাখিনি।”
(সুরা
মারইয়াম,
আয়াত:
৭)।

রহস্যটি
কী?
আল্লাহর
সঙ্গে
সম্পর্ক।
“আল্লাহকে
বেশি
স্মরণ
করো,
যাতে
সফল
হও।”
(সুরা
আল-আনফাল,
আয়াত:
৪৫)।
“আমাকে
স্মরণ
করো,
আমি
তোমাদের
স্মরণ
করব।”
(সুরা
আল-বাকারা,
আয়াত:
১৫২)।
শয়তান
স্মরণ
ভুলিয়ে
দেয়।
(সুরা
আল-মুজাদালাহ,
আয়াত:
১৯)।

সুতরাং
দোয়া
কবুল
হোক
তা
চাইলে
খাঁটি
মন,
সুন্দর
ধারণা,
কাতর
মিনতি,
আল্লাহর
নাম-গুণে
ডাকা,
পাপ
থেকে
দূরে,
নামাজ-ইবাদত
ঠিক
রাখা।
এসব
আসবে
তাকওয়ায়।
“গ্রামবাসী
যদি
ইমান
আনে

তাকওয়া
অবলম্বন
করে,
আমি
আকাশ

পৃথিবী
থেকে
বরকতের
দরজা
খুলে
দেব।”
(সুরা
আ’রাফ,
আয়াত:
৯৬)।
বরকত

বহুবচন।
আল্লাহ
ওয়াদা
খেলাফ
করেন
না।

যাকারিয়া-মারইয়াম
(আ.)-এর
মতো
দোয়া
করি,
তাহলে
অলৌকিকভাবে
সেই
দোয়া
কবুল
হওয়ার
জন্য
অপেক্ষা
করছে।

ট্যাগঃ

দোয়া কবুলের অলৌকিক রহস্য: নবী যাকারিয়া ও মারইয়ামের শিক্ষা

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

মারইয়ামের
মিহরাব
ছিল
ইবাদত
ঘর।
যাকারিয়া
প্রতিবার
গিয়ে
দেখতেন,
তার
কাছে
রিজিক।
“যখনই
যাকারিয়া
তার
মিহরাবে
প্রবেশ
করতেন,
তার
কাছে
রিজিক
পেতেন।”
(সুরা
আলে
ইমরান,
আয়াত:
৩৭)।
জিজ্ঞাসা
করলেন,
“এটা
কোথা
থেকে?”
মারইয়াম
বললেন,
“আল্লাহর
কাছ
থেকে।
আল্লাহ
যাকে
ইচ্ছা
অগণিত
রিজিক
দেন।”
(সুরা
আলে
ইমরান,
আয়াত:
৩৭)

এখানে
যাকারিয়া
দুটি
জিনিস
বুঝলেন:
ইবাদত

দোয়া

এই
দুয়ে
রিজিক
আসে।

যাকারিয়া
আগেও
দোয়া
করতেন,
কবুল
হতো:
“আমি
তোমার
দোয়ায়
কখনো
হতাশ
হইনি।”
(সুরা
মারইয়াম,
আয়াত:
৪)।
কিন্তু
এবার
অলৌকিক
কিছু
দেখে
অলৌকিক
দোয়া
করলেন।
তিনটি
দোয়া:

১.
“হে
আমার
প্রতিপালক,
আমাকে
তোমার
কাছ
থেকে
পবিত্র
সন্তান
দান
করো।
তুমি
দোয়া
শোনো।”
(সুরা
আল-ইমরান,
আয়াত:
৩৮)।
শুধু
সন্তান
নয়,
‘তাইয়্যিবা’

পবিত্র।

২.
“আমার
হাড়
দুর্বল,
মাথা
পেকে
গেছে…
আমি
উত্তরাধিকারী
নিয়ে
চিন্তিত,
স্ত্রী
বন্ধ্যা।
আমাকে
তোমার
কাছ
থেকে
উত্তরাধিকারী
দাও,
যে
আমার

ইয়াকুব
পরিবারের
উত্তরাধিকারী
হবে।
তাকে
সন্তুষ্টকারী
বানাও।”
(সুরা
মারইয়াম,
আয়াত:
৪-৬)।

৩.
“হে
প্রতিপালক,
আমাকে
একা
রেখো
না,
তুমি
সর্বোত্তম
উত্তরাধিকারী।”
(সুরা
আম্বিয়া,
আয়াত:
৮৯)

দোয়া
গোপনে,
খাঁটি
মনে:
“যখন
সে
তার
রবকে
গোপনে
ডেকেছিল।”
(সুরা
মারইয়াম,
আয়াত:
৩)।
সঙ্গে
সৎকর্ম:
“যাকারিয়া,
ইয়াহইয়া…
সবাই
সৎকর্মশীল।”
(সুরা
আনআম,
আয়াত:
৮৫)

কবুল
তৎক্ষণাৎ,
“সে
মিহরাবে
নামাজ
পড়ছিল,
ফেরেশতা
ডেকে
বলল,
আল্লাহ
তোমাকে
ইয়াহইয়ার
সুসংবাদ
দিচ্ছেন

আল্লাহর
কালিমার
সত্যায়নকারী,
নেতা,
সংযমী,
নবী,
সৎকর্মশীল।”
(সুরা
আলে
ইমরান,
আয়াত:
৩৯)।
পাঁচ
গুণ:
সত্যায়নকারী,
নেতা,
সংযমী,
নবী,
সৎ।
স্ত্রী
সুস্থ
হলেন:
“আমি
তার
দোয়া
কবুল
করলাম,
ইয়াহইয়া
দান
করলাম,
তার
স্ত্রীকে
সংশোধন
করলাম।
তারা
সৎকাজ
দ্রুততায়
করত,
আশা-ভয়ে
দোয়া
করত,
আমাদের
সামনে
বিনয়ী
ছিল।”
(সুরা
আম্বিয়া,
আয়াত:
৯০)

আনন্দে
মিহরাব
থেকে
বেরিয়ে
কওমকে
বললেন,
সকাল-সন্ধ্যা
তাসবিহ
পড়ো।
(সুরা
মারইয়াম,
আয়াত:
১১)।
নামও
আল্লাহ
দিলেন:
“হে
যাকারিয়া,
আমরা
তোমাকে
ইয়াহইয়া
নামে
পুত্রের
সুসংবাদ
দিচ্ছি

আগে

নামে
কাউকে
রাখিনি।”
(সুরা
মারইয়াম,
আয়াত:
৭)।

রহস্যটি
কী?
আল্লাহর
সঙ্গে
সম্পর্ক।
“আল্লাহকে
বেশি
স্মরণ
করো,
যাতে
সফল
হও।”
(সুরা
আল-আনফাল,
আয়াত:
৪৫)।
“আমাকে
স্মরণ
করো,
আমি
তোমাদের
স্মরণ
করব।”
(সুরা
আল-বাকারা,
আয়াত:
১৫২)।
শয়তান
স্মরণ
ভুলিয়ে
দেয়।
(সুরা
আল-মুজাদালাহ,
আয়াত:
১৯)।

সুতরাং
দোয়া
কবুল
হোক
তা
চাইলে
খাঁটি
মন,
সুন্দর
ধারণা,
কাতর
মিনতি,
আল্লাহর
নাম-গুণে
ডাকা,
পাপ
থেকে
দূরে,
নামাজ-ইবাদত
ঠিক
রাখা।
এসব
আসবে
তাকওয়ায়।
“গ্রামবাসী
যদি
ইমান
আনে

তাকওয়া
অবলম্বন
করে,
আমি
আকাশ

পৃথিবী
থেকে
বরকতের
দরজা
খুলে
দেব।”
(সুরা
আ’রাফ,
আয়াত:
৯৬)।
বরকত

বহুবচন।
আল্লাহ
ওয়াদা
খেলাফ
করেন
না।

যাকারিয়া-মারইয়াম
(আ.)-এর
মতো
দোয়া
করি,
তাহলে
অলৌকিকভাবে
সেই
দোয়া
কবুল
হওয়ার
জন্য
অপেক্ষা
করছে।