মন্দিরের
কর্মী
থম্মানুন
কফিনটি
প্রধান
হলের
দিকে
নেওয়ার
প্রস্তুতি
নিচ্ছিলেন।
এ
সময়
হঠাৎ
ভেতর
থেকে
ক্ষীণকণ্ঠে
সাহায্যের
আকুতি
শুনতে
পান।
এরপর
চনথিরোটকে
চিকিৎসকদের
কাছে
নেওয়া
হয়।
চিকিৎসকেরা
বলেন,
ওই
নারীর
নিশ্বাস
বন্ধ
হয়ে
যায়নি।
তাঁর
রক্তে
শর্করার
মাত্রা
এতটাই
কমে
গিয়েছিল
যে
পরিবার
তাঁকে
মৃত
ধরে
নিয়েছিল।
এডমিন 















