০৩:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পুরান ঢাকায় আর্মেনিয়ান গির্জা ও সমাধিক্ষেত্রের সন্ধানে

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • 10

একসময়
এই
ছাদের
ওপর
যে
ঘণ্টাধ্বনির
টাওয়ার
১৮৩৭
সালে
বানানো
হয়েছিল,
১৮৯৭
সালের
ভূমিকম্পে
তা
ধসে
পড়ার
আগপর্যন্ত
সেই
ঘণ্টার
মধুর
আওয়াজে
হয়তো
পুরান
ঢাকা
জেগে
উঠত
প্রার্থনার
সুরে।
সেই
ধ্বনি
শুধু
আর্মেনিয়ানদের
নয়,
সব
ধর্মের
মানুষের
কাছেই
ছিল
সময়ের
পরিচায়ক।

গির্জাটির
স্থাপত্যিক
বিশেষত্ব
লক্ষ
করতে
গিয়ে
দেখলাম,
এর
দৈর্ঘ্য
সাতাশ
ফুট,
প্রবেশপথ
চারটি
এবং
জানালা
সাতাশটি।
তিন
দিক
ঘিরে
রয়েছে
বারান্দা,
আর
ভবনের
শেষ
প্রান্তে
একটি
ষড়ভুজ
আকৃতির
টাওয়ার।
ভেতরে
সারিবদ্ধ
বেঞ্চগুলো
আজও
সাক্ষ্য
দেয়
সেই
সব
দিনের,
যখন
এখানে
নিয়মিত
উপাসনা
হতো।
প্রবেশমুখের
প্যাঁচানো
সিঁড়ি
দিয়ে
দ্বিতীয়
তলায়
উঠে
যাওয়া
যায়,
এই
অংশটি
গ্যালারির
মতো,
যা
নারী

শিশুদের
জন্য
সংরক্ষিত
ছিল
বলে
জানা
গেল।
এখান
থেকে
পুরো
প্রার্থনা
কক্ষটি
দেখতে
পেলাম
ভিন্ন
আঙ্গিকে।
কক্ষের
শেষ
প্রান্তে
উঁচু
বেদিতে
স্থাপিত
যিশুখ্রিষ্টের
চিত্র

ক্রুশ।
দেখে
মনে
হলো,
এখানে
শুধু
ধর্মীয়
আচার-অনুষ্ঠানই
হতো
না,
বরং
হয়তো
গড়ে
উঠেছিল
একটি
সাংস্কৃতিক
কেন্দ্র
হিসেবেও।
অনেক
সময়
মনে
হয়
আমাদের
যে
শ্যামাসংগীত
সেখানকার
মেলাঙ্কলি,
হয়তোবা
আর্মেনিয়ান
বাদ্যযন্ত্র
দুদুক
দ্বারা
সংক্রমিত
হয়েছে
কি
না!

ট্যাগঃ

পুরান ঢাকায় আর্মেনিয়ান গির্জা ও সমাধিক্ষেত্রের সন্ধানে

আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

একসময়
এই
ছাদের
ওপর
যে
ঘণ্টাধ্বনির
টাওয়ার
১৮৩৭
সালে
বানানো
হয়েছিল,
১৮৯৭
সালের
ভূমিকম্পে
তা
ধসে
পড়ার
আগপর্যন্ত
সেই
ঘণ্টার
মধুর
আওয়াজে
হয়তো
পুরান
ঢাকা
জেগে
উঠত
প্রার্থনার
সুরে।
সেই
ধ্বনি
শুধু
আর্মেনিয়ানদের
নয়,
সব
ধর্মের
মানুষের
কাছেই
ছিল
সময়ের
পরিচায়ক।

গির্জাটির
স্থাপত্যিক
বিশেষত্ব
লক্ষ
করতে
গিয়ে
দেখলাম,
এর
দৈর্ঘ্য
সাতাশ
ফুট,
প্রবেশপথ
চারটি
এবং
জানালা
সাতাশটি।
তিন
দিক
ঘিরে
রয়েছে
বারান্দা,
আর
ভবনের
শেষ
প্রান্তে
একটি
ষড়ভুজ
আকৃতির
টাওয়ার।
ভেতরে
সারিবদ্ধ
বেঞ্চগুলো
আজও
সাক্ষ্য
দেয়
সেই
সব
দিনের,
যখন
এখানে
নিয়মিত
উপাসনা
হতো।
প্রবেশমুখের
প্যাঁচানো
সিঁড়ি
দিয়ে
দ্বিতীয়
তলায়
উঠে
যাওয়া
যায়,
এই
অংশটি
গ্যালারির
মতো,
যা
নারী

শিশুদের
জন্য
সংরক্ষিত
ছিল
বলে
জানা
গেল।
এখান
থেকে
পুরো
প্রার্থনা
কক্ষটি
দেখতে
পেলাম
ভিন্ন
আঙ্গিকে।
কক্ষের
শেষ
প্রান্তে
উঁচু
বেদিতে
স্থাপিত
যিশুখ্রিষ্টের
চিত্র

ক্রুশ।
দেখে
মনে
হলো,
এখানে
শুধু
ধর্মীয়
আচার-অনুষ্ঠানই
হতো
না,
বরং
হয়তো
গড়ে
উঠেছিল
একটি
সাংস্কৃতিক
কেন্দ্র
হিসেবেও।
অনেক
সময়
মনে
হয়
আমাদের
যে
শ্যামাসংগীত
সেখানকার
মেলাঙ্কলি,
হয়তোবা
আর্মেনিয়ান
বাদ্যযন্ত্র
দুদুক
দ্বারা
সংক্রমিত
হয়েছে
কি
না!