আমাদের
গন্তব্য
কোথায়?
তার
খেই
না
পেয়ে
অদৃষ্টের
লিখনের
ওপর
নির্বিবাদে
এই
যাত্রা
ছেড়ে
দিয়েও
দায়মুক্তি
কি
মেলে?
পেছনে
ফিরে
তাকাতেই
তো
দেখি
সেই
অমোঘ
নিষ্ঠুর
বলে
পশ্চাতের
আমি
ঠেলছে
সেই
আমাকেই,
তারই
গতিতে
এগিয়ে
চলেছি
সামনে।
অর্থাৎ
অনির্দেশ্য,
অলীক
কিছু
নয়
এই
এগিয়ে
চলা।
বেদনাহত
হওয়ার
আশঙ্কা
থাকলেও
হৃদয়
খুঁড়ে
দেখতেই
হয়
তাই।
সেই
সুবাদেই
ফিরে
দেখার
প্রয়াস
থেকে
যায়,
স্মৃতি
কিংবা
ইতিহাসের
গ্রন্থিতে
ব্যক্তি
কিংবা
গণের
আলেখ্য
থেকেই
করে
নিতে
হয়
সাম্প্রতিক
সময়ের
সূত্র
নির্ণয়।
সেই
ফিরে
দেখার
প্রসঙ্গেই
‘ফিরে
দেখা’
শিরোনামে
রাজধানীর
লালমাটিয়ার
কলাকেন্দ্রে,
গ্যালারি
পরিসরে
ফিরে
এসেছে
বাংলাদেশের
বিগত
শতকের
সাত
থেকে
নয়ের
দশকের
শিল্পীদের
গড়া
কিছুসংখ্যক
চিত্র
ও
ভাস্কর্য।
কাজী
রকিব,
দীপা
হক,
রতন
মজুমদার,
রুহুল
আমিন
কাজল,
ঢালী
আল
মামুন,
দিলারা
বেগম
জলি,
নিসার
হোসেন,
শিশির
ভট্টাচার্য,
সাইদুল
হক
জুইস,
ফারেহা
জেবা,
হাবিবুর
রহমান,
লালা
রুখ
সেলিম,
তৌফিকুর
রহমান
ও
ওয়াকিলুর
রহমান—এই
১৪
শিল্পীর
কাজ
স্থান
পেয়েছে
গ্যালারিতে।
বর্তমানের
প্রবীণ
ও
বয়োজ্যেষ্ঠ
এই
শিল্পীরাই
সে
সময়ের
তারুণ্যোদ্দীপ্ত
চোখে
যে
সময়কে
দেখেছেন,
অনুভব
করেছেন,
তারই
সম্মিলিত
অভিপ্রকাশ
এ
প্রদর্শনী।
এখানে
প্রত্যেক
ব্যক্তিশিল্পীর
সৃষ্টিই
তাঁর
নিজস্ব
অনুভূতির
তাড়নাজাত
হলেও
অভিব্যক্তিগতভাবে
একটি
ঐকতানের
আভাস
পাওয়া
যায়।
এডমিন 
















