১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গণভোটের ব্যালট পেপার হবে রঙিন

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • 20


গণভোটে
প্রশ্ন
কী
হবে

সংবাদ
সম্মেলনে
অধ্যাদেশের
বিষয়বস্তু
তুলে
ধরে
আইন
উপদেষ্টা
বলেন,
চার
বিষয়ে
গণভোটে
প্রশ্ন
থাকবে
একটি।
প্রশ্নটি
হলো
‘আপনি
কি
জুলাই
জাতীয়
সনদ
(সংবিধান
সংস্কার)
বাস্তবায়ন
আদেশ,
২০২৫
এবং
জুলাই
জাতীয়
সনদে
লিপিবদ্ধ
সংবিধান
সংস্কার–সম্পর্কিত
নিম্নলিখিত
প্রস্তাবগুলোর
প্রতি
আপনার
সম্মতি
জ্ঞাপন
করছেন?’
যাঁরা
সম্মতি
জানাবেন
তাঁরা
‘হ্যাঁ’
ভোট
দেবেন
এবং
যাঁরা
সম্মতি
জানাবেন
না
তাঁরা
‘না’
ভোট
দেবেন।


যে
চারটি
বিষয়ের
ওপর
গণভোট
হবে
সেগুলো
হলো:


ক.

নির্বাচনকালীন
তত্ত্বাবধায়ক
সরকার,
নির্বাচন
কমিশন
এবং
অন্যান্য
সাংবিধানিক
প্রতিষ্ঠান
জুলাই
সনদে
বর্ণিত
প্রক্রিয়ার
আলোকে
গঠন
করা
হবে।


খ.

আগামী
জাতীয়
সংসদ
হবে
দুই
কক্ষবিশিষ্ট।
সংসদ
নির্বাচনে
দলগুলোর
প্রাপ্ত
ভোটের
অনুপাতে
১০০
জন
সদস্যবিশিষ্ট
একটি
উচ্চকক্ষ
গঠিত
হবে
এবং
সংবিধান
সংশোধন
করতে
হলে
উচ্চকক্ষের
সংখ্যাগরিষ্ঠ
সদস্যের
অনুমোদন
প্রয়োজন
হবে।


গ.

সংসদে
নারী
প্রতিনিধি
বৃদ্ধি,
বিরোধী
দল
থেকে
ডেপুটি
স্পিকার

কয়েকটি
সংসদীয়
কমিটির
সভাপতি
নির্বাচন,
মৌলিক
অধিকার
সম্প্রসারণ,
বিচার
বিভাগের
স্বাধীনতা

স্থানীয়
সরকার,
প্রধানমন্ত্রীর
মেয়াদ
সীমিতকরণ,
রাষ্ট্রপতির
ক্ষমতা
বৃদ্ধিসহ
যে
৩০টি
প্রস্তাবে
জুলাই
জাতীয়
সনদে
রাজনৈতিক
দলগুলোর
ঐকমত্য
হয়েছে,
সেসব
বাস্তবায়নে
আগামী
নির্বাচনে
বিজয়ী
দলগুলো
বাধ্য
থাকবে।


ঘ.

জুলাই
জাতীয়
সনদে
বর্ণিত
অন্যান্য
সংস্কার
রাজনৈতিক
দলগুলোর
প্রতিশ্রুতি
অনুসারে
বাস্তবায়ন
করা
হবে।

ট্যাগঃ

গণভোটের ব্যালট পেপার হবে রঙিন

আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫


গণভোটে
প্রশ্ন
কী
হবে

সংবাদ
সম্মেলনে
অধ্যাদেশের
বিষয়বস্তু
তুলে
ধরে
আইন
উপদেষ্টা
বলেন,
চার
বিষয়ে
গণভোটে
প্রশ্ন
থাকবে
একটি।
প্রশ্নটি
হলো
‘আপনি
কি
জুলাই
জাতীয়
সনদ
(সংবিধান
সংস্কার)
বাস্তবায়ন
আদেশ,
২০২৫
এবং
জুলাই
জাতীয়
সনদে
লিপিবদ্ধ
সংবিধান
সংস্কার–সম্পর্কিত
নিম্নলিখিত
প্রস্তাবগুলোর
প্রতি
আপনার
সম্মতি
জ্ঞাপন
করছেন?’
যাঁরা
সম্মতি
জানাবেন
তাঁরা
‘হ্যাঁ’
ভোট
দেবেন
এবং
যাঁরা
সম্মতি
জানাবেন
না
তাঁরা
‘না’
ভোট
দেবেন।


যে
চারটি
বিষয়ের
ওপর
গণভোট
হবে
সেগুলো
হলো:


ক.

নির্বাচনকালীন
তত্ত্বাবধায়ক
সরকার,
নির্বাচন
কমিশন
এবং
অন্যান্য
সাংবিধানিক
প্রতিষ্ঠান
জুলাই
সনদে
বর্ণিত
প্রক্রিয়ার
আলোকে
গঠন
করা
হবে।


খ.

আগামী
জাতীয়
সংসদ
হবে
দুই
কক্ষবিশিষ্ট।
সংসদ
নির্বাচনে
দলগুলোর
প্রাপ্ত
ভোটের
অনুপাতে
১০০
জন
সদস্যবিশিষ্ট
একটি
উচ্চকক্ষ
গঠিত
হবে
এবং
সংবিধান
সংশোধন
করতে
হলে
উচ্চকক্ষের
সংখ্যাগরিষ্ঠ
সদস্যের
অনুমোদন
প্রয়োজন
হবে।


গ.

সংসদে
নারী
প্রতিনিধি
বৃদ্ধি,
বিরোধী
দল
থেকে
ডেপুটি
স্পিকার

কয়েকটি
সংসদীয়
কমিটির
সভাপতি
নির্বাচন,
মৌলিক
অধিকার
সম্প্রসারণ,
বিচার
বিভাগের
স্বাধীনতা

স্থানীয়
সরকার,
প্রধানমন্ত্রীর
মেয়াদ
সীমিতকরণ,
রাষ্ট্রপতির
ক্ষমতা
বৃদ্ধিসহ
যে
৩০টি
প্রস্তাবে
জুলাই
জাতীয়
সনদে
রাজনৈতিক
দলগুলোর
ঐকমত্য
হয়েছে,
সেসব
বাস্তবায়নে
আগামী
নির্বাচনে
বিজয়ী
দলগুলো
বাধ্য
থাকবে।


ঘ.

জুলাই
জাতীয়
সনদে
বর্ণিত
অন্যান্য
সংস্কার
রাজনৈতিক
দলগুলোর
প্রতিশ্রুতি
অনুসারে
বাস্তবায়ন
করা
হবে।