০২:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিদ্রূপের চাবুকে ফুটে ওঠা অসংগতি

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
  • 12

‘হালুম’,
‘নগ্ন
পা’,
‘ফিডিং
বটল’,
‘বাবা
ফেকু’,
‘ন্যাংটার
দেশে’,
‘খড়ম’,
‘একটি
তালাকের
কাহিনি’,
‘শবে
বরাত’

‘মানুষের
জন্য’—মোট
৯টি
গল্প
নিয়ে
এই
বই।
গল্পগুলোর
পটভূমি,
কাহিনিনির্মাণ,
চরিত্রায়ণ,
বর্ণনাভঙ্গি

সংলাপে
মুনীর
চৌধুরীর
শিল্পপ্রতিভা
সহজেই
চোখে
পড়ে।

‘হালুম’
গল্পটি
চল্লিশের
দশকের
নোয়াখালীর
গ্রামীণ
একান্নবর্তী
পরিবারের
আঙিনায়
নিয়ে
যায়
আমাদের।

গল্পে
মুনীর
চৌধুরী
পুরুষতান্ত্রিক
সমাজব্যবস্থাকে
কটাক্ষ
করেছেন
তীক্ষ্ণ
বিদ্রূপের
মাধ্যমে।
গুটিবসন্তের
গর্তে
ভরা
মুখ,
এক
চোখ
কানা
আশরাফ
মুন্সীর
ভয়ে
সব
সময়
আতঙ্কে
থাকে
তার
তিন
ছেলের
বউ।
তবে
সুযোগ
পেলে
তারাও
শ্বশুরকে
বিদ্রূপ
করতে
ছাড়ে
না,
আড়ালে-আবডালে
ডাকে
‘হালুম’
বলে!

‘একটি
তালাকের
কাহিনি’

‘মানুষের
জন্য’—এ
দুটি
সমাজসমস্যামূলক
গল্প।
তালাকের
ভয়াবহতা
উঠে
এসেছে
এখানে।
গল্প
দুটির
প্রেক্ষাপট

কাহিনি
ভিন্ন,
কিন্তু
পরিণতি
এক।
যেখানে
একটিমাত্র
শব্দ
‘তালাক’
উচ্চারণে
অত্যন্ত
দুর্বিষহ

ভঙ্গুর
হয়ে
পড়ে
নারীর
জীবন।

এর
বিপরীতে
‘নগ্ন
পা’

‘ফিডিং
বটল’
গল্পে
নারীর
স্বাধীনতা
গুরুত্ব
পেয়েছে।
‘নগ্ন
পা’
গল্পে
রাহেলার
স্বাধীন
বাসনা

চলাচল
বাধাপ্রাপ্ত
হয়
শাশুড়ির
বিরাগ
আর
স্বামীর
সন্দেহের
কাছে।
শেষ
পর্যন্ত
বোরকার
আবরণে
বাহ্যিকভাবে
নিজেকে
মুড়ে
নিতে
বাধ্য
হলেও
তার
ভেতরের
বাসনা
শৃঙ্খলমুক্ত
থেকেছে
শেষ
পর্যন্ত।

ট্যাগঃ

বিদ্রূপের চাবুকে ফুটে ওঠা অসংগতি

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

‘হালুম’,
‘নগ্ন
পা’,
‘ফিডিং
বটল’,
‘বাবা
ফেকু’,
‘ন্যাংটার
দেশে’,
‘খড়ম’,
‘একটি
তালাকের
কাহিনি’,
‘শবে
বরাত’

‘মানুষের
জন্য’—মোট
৯টি
গল্প
নিয়ে
এই
বই।
গল্পগুলোর
পটভূমি,
কাহিনিনির্মাণ,
চরিত্রায়ণ,
বর্ণনাভঙ্গি

সংলাপে
মুনীর
চৌধুরীর
শিল্পপ্রতিভা
সহজেই
চোখে
পড়ে।

‘হালুম’
গল্পটি
চল্লিশের
দশকের
নোয়াখালীর
গ্রামীণ
একান্নবর্তী
পরিবারের
আঙিনায়
নিয়ে
যায়
আমাদের।

গল্পে
মুনীর
চৌধুরী
পুরুষতান্ত্রিক
সমাজব্যবস্থাকে
কটাক্ষ
করেছেন
তীক্ষ্ণ
বিদ্রূপের
মাধ্যমে।
গুটিবসন্তের
গর্তে
ভরা
মুখ,
এক
চোখ
কানা
আশরাফ
মুন্সীর
ভয়ে
সব
সময়
আতঙ্কে
থাকে
তার
তিন
ছেলের
বউ।
তবে
সুযোগ
পেলে
তারাও
শ্বশুরকে
বিদ্রূপ
করতে
ছাড়ে
না,
আড়ালে-আবডালে
ডাকে
‘হালুম’
বলে!

‘একটি
তালাকের
কাহিনি’

‘মানুষের
জন্য’—এ
দুটি
সমাজসমস্যামূলক
গল্প।
তালাকের
ভয়াবহতা
উঠে
এসেছে
এখানে।
গল্প
দুটির
প্রেক্ষাপট

কাহিনি
ভিন্ন,
কিন্তু
পরিণতি
এক।
যেখানে
একটিমাত্র
শব্দ
‘তালাক’
উচ্চারণে
অত্যন্ত
দুর্বিষহ

ভঙ্গুর
হয়ে
পড়ে
নারীর
জীবন।

এর
বিপরীতে
‘নগ্ন
পা’

‘ফিডিং
বটল’
গল্পে
নারীর
স্বাধীনতা
গুরুত্ব
পেয়েছে।
‘নগ্ন
পা’
গল্পে
রাহেলার
স্বাধীন
বাসনা

চলাচল
বাধাপ্রাপ্ত
হয়
শাশুড়ির
বিরাগ
আর
স্বামীর
সন্দেহের
কাছে।
শেষ
পর্যন্ত
বোরকার
আবরণে
বাহ্যিকভাবে
নিজেকে
মুড়ে
নিতে
বাধ্য
হলেও
তার
ভেতরের
বাসনা
শৃঙ্খলমুক্ত
থেকেছে
শেষ
পর্যন্ত।